উজানের পাহাড়ি ঢল এবং খোয়াই নদীর বাঁধ ভাঙনে হবিগঞ্জের তিন উপজেলার প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। কয়েকশ হেক্টর আউশ ধান, আমনের বীজতলা ও শাকসবজির ক্ষেত তলিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। একই সঙ্গে রাস্তাঘাট ও গ্রামীণ অবকাঠামো ভেঙে পড়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চলমান এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার লস্করপুর ও পইল, বানিয়াচং উপজেলার সুজাতপুর ও মক্রমপুর, বাহুবল উপজেলার লামাতাশি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। হাজারো পরিবার নিজ বাড়িঘরে আটকা পড়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অনেক স্থানে মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে অর্থাৎ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ওঠেন।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, সরকারি উদ্যোগে স্থানীয়ভাবে কিনে ১ হাজার ২০২ প্যাকেট শুকনো খাবার ও মন্ত্রণায়ল থেকে প্রাপ্ত ১ হাজার ৬২০ প্যাকেট চাল, ডাল, তেল, লবণ ইত্যাদি খাবার বিতরণ করা হয়েছে। আরো ২০০ প্যাকেট মজুত রয়েছে। এছাড়া ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৩০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সহায়তার পরিমাণ আরো বাড়ানো হবে।
শনিবার হবিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদের হুইপ জি কে গউছ বন্যাদুর্গত বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন এবং শুকনো খাবার বিতরণ করেন।
জেডএম