বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সারাবিশ্ব সামনের দিকে আগাচ্ছে আর আমরা পেছনের দিকে যাচ্ছি। প্রবাসীরা এদেশকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ফলে প্রবাসী অধ্যুষিত এই সিলেট বিমানবন্দরটি পুর্ণাঙ্গ ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর না হওয়ায় পশ্চিমা বিশ্বের সাথে যোগাযোগে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। আমি যদি সুযোগ পাই তাহলে সিলেট বিমানবন্দরকে পুর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দরে পরিণত করবো। এছাড়া প্রবাসে কোন রেমিটেন্স যোদ্ধা মারা গেলে তার লাশ রাষ্ট্রীয় দায়িত্বে দেশে আনা হবে। বেয়ারিশ পড়ে থাকবে না।
শনিবার দুপুর ১২টায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা ফুটবল খেলার মাঠে ১১ দলের ঐতিহাসিক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমি নিঃস্বার্থ একটি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। দেশ ও প্রবাস থেকে আমাকে কুলাউড়া থেকে নির্বাচন করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমি দুইটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারি না। তবে কুলাউড়ায় দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী নির্বাচিত হলে তিনি হবেন বাস্তবের এমপি। আমি হবো ছায়া এমপি। সুতরাং আপনারা এখানে দুজন এমপি পাবেন।
জেলা জামায়াতের আমির ও মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলীর সভাপতিত্বে এবং জেলা সেক্রেটারি ইয়ামির আলীর সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, বাংলাদেশ ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি সিবগাতুল্লাহ সিবগা, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির আব্দুর রহমান, সিলেট মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আব্দুর রব, লেবার পার্টি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সভাপতি শাহ মাছুম ফারুকী, এনসিপি মৌলভীবাজার জেলা শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ফারুক উদ্দিন সুন্দর প্রমুখ।
বক্তব্য শেষে ডা. শফিকুর রহমান মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সায়েদ আলী ও মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা- জুড়ী) আসনের প্রার্থী মাওলানা আমিনুল ইসলামকে পরিচয় করিয়ে দেন।