রাজধানীতে নারী চিকিৎসক ফারাহ ফেরদৌসের (৩২) লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে তার ছোট বোন নজুলা ফেরদৌস বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।তার মৃত্যুর কারণ জানতে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করেছে সিআইডি।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ফারাহ ফেরদৌস ঢাকার শাহবাগে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) কার্ডিওভাসকুলার সার্জন বিষয়ে অধ্যয়ন করছিলেন এবং তিনি বহুতল আজিজ সুপার মার্কেট ভবনের একটি ফ্ল্যাটের একটি কক্ষে একাই থাকতেন।
সর্বশেষ গত মঙ্গলবার নজুলার সঙ্গে ফারাহ ফেরদৌসের মোবাইলকথা হয়। তখন ফারাহ রুমে আছেন বলে নজুলাকে জানিয়েছিলেন। নজুলা একই ভবনের অন্য তলায় আরেকটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।
শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে নজুলার এক প্রতিবেশী তাকে জানান তার বড় বোন ফারাহ ফেরদৌসের কক্ষ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। খবর পেয়ে তিনি গিয়ে দেখতে পান কক্ষ ভেতর থেকে বন্ধ। তখন ভবনটির নিরাপত্তা তত্ত্বাবধানকারী শাহবাগ থানায় জানালে পুলিশ এসে দরজা ভেঙে ফারাহ ফেরদৌসকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।
জানা গেছে, ফারাহ ৩৯তম বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) কার্ডিওভাসকুলার কোর্সের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।