রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরেকজন ‘শুটার’কে গ্রেপ্তারের কথা জানিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দুইটি বিদেশি পিস্তল, দুইটি ম্যাগাজিন ও ১২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। সর্বশেষ এ গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে আলোচিত এ হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজনকে আটক করা হলো।
ডিএমপির মুখপাত্র উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান জানান, শুক্রবার ভোরে নরসিংদী জেলার একটি এলাকা থেকে আবদুর রহিম নামের ওই শুটারকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাদের মধ্যে একজন শুটার জিন্নাত এবং হত্যার পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিল্লালসহ অন্যরা রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারদের দেওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে ঘটনার পেছনের মূল উদ্দেশ্য, অর্থের লেনদেন এবং নির্দেশদাতাদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ৭ জানুয়ারি রাত আটটার পর রাজধানীর পশ্চিম তেজতুরী পাড়ার হোটেল সুপার স্টারের পাশের একটি গলিতে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। মোটরসাইকেলে করে আসা একাধিক অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। ওই সময় তার সঙ্গে থাকা আবু সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন। মাসুদ তেজগাঁও থানার ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে। নিহত মুছাব্বির ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব এবং কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।