রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় দুই জন নিহত হয়েছেন। রাজধানীর শ্যামপুরে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী সবুজ খান (৫৫) নিহত হয়েছেন। অন্য ঘটনায় সবুজ বাগের দক্ষিণ মাদার টেক এলাকায় পারিবারিক কলহে গলায় ফাঁস লাগিয়ে পিন্টু (৩৫) নামের এক লেগুনা চালক মারা গেছে।
কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক এসআই নাঈম আহমেদ বলেন, মৃত সবুজ খান ডাইং কোম্পানির ম্যানেজার ছিলেন।
শুক্রবার সকালে তিনি মোটরসাইকেলে চালিয়ে তার পাওনা টাকা উত্তোলনের জন্য বের হয়েছিলেন। শ্যামপুর বাজার এলাকায় দ্রুতগতির পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এস আই আরো বলেন, মৃতের পরিবারের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিক গাড়িটি শনাক্ত করা যায়নি। গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে বলেও এসআই জানান। মৃত সবুজ খান নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নিশ্চিতপুর গ্রামের সিরাজ খানের ছেলে।
সবুজবাগে পারিবারিক কলহে যুবকের আত্মহত্যা
রাজধানীর সবুজ বাগের দক্ষিণ মাদারটেক পারিবারিক কলহে গলায় ফাঁস লাগিয়ে পিন্টু (৩৫) নামের এক লেগুনা চালক মারা গেছে। শুক্রবার দুপুর দেড়টার দিকে দক্ষিণ মাদার টেক ভাড়া বাসায় ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা। মৃত পিন্টু নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও উপজেলার লেগুনা চালক গুলজার হোসেনের ছেলে। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সে ছিল ছোট। এক সন্তানের জনক ছিলেন তিনি।
মৃতের বোন রাণী বেগম বলেন, পিন্টুর স্ত্রী সিপা বেগমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছে। প্রায় এক মাস আগে তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে চলে যায়। তাকে বাসায় আনতে চাইলেও সে আসে না। আজ দুপুরে সবার অগোচরে তার রুমে সিলিং ফ্যানের সাথে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয়। দেখতে পেয়ে সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক বলেন, লাশ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করা হয়েছে।