হোম > আইন-আদালত

বিধবাকে ধর্ষণের দায়ে যুবকের আমৃত্য কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর কাফরুলে বিধবাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের দায়ে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক যুবককে আমৃত্য কারাদণ্ড প্রদান করে রায় ঘোষণা করেছে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঢাকার ৪ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমানের আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

রায়ে দণ্ডের পাশাপাশি তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ডের টাকা আদায়ে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তা আদায় করে ভিকটিমকে দেওয়ার জন্য জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে নির্দেশ দেন বিচারক।

সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রায় ঘোষণার সময় আসামি উপস্থিত ছিলেন। এরপর তাকে সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।

তিনি আরো বলেন, বিচারক রায়ে আরও উল্লেখ করেন, আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি জব্দ করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হেফাজতে (Coustdy) নেবেন। ওই সম্পত্তি থেকে ভিকটিমের পুত্রের ভরণ-পোষণের ব্যবস্থা করবেন। সন্তানের বয়স ২১ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত তার ভরণ-পোষণ প্রদান করা হবে। তবে আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি থেকে ভরণ-পোষণের ব্যয় নির্বাহ করা সম্ভব না হলে রাষ্ট্র তার ভরণ-পোষণের ব্যয় বহন করবে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, আসামি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এজাহারকারী ভিকটিম পূর্বপরিচিত। ঘটনার ১১ মাস আগে এজাহারকারী ভিকটিমের স্বামীর মৃত্যু হয়। পূর্বপরিচিত হওয়ার সুবাদে আসামি ভিকটিমের বাসায় আসা-যাওয়া করতেন।

একপর্যায়ে আসামির সঙ্গে ভিকটিমের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। ২০১৮ সালের ১৫ জানুয়ারি রাত সাড়ে ১০টায় আসামি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন কাফরুল থানাধীন ইব্রাহিমপুরের এক বাসায় ভিকটিমকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন।

এরপর ভিকটিম আশপাশের লোকজনকে ধর্ষণের ঘটনা জনাতে চাইলে আসামি তাকে বিয়ে করার আশ্বাস দেন। আসামি বিভিন্ন সময়ে ভিকটিমের বাসায় এসে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করতে থাকে। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামি ভিকটিমের বাসায় এসে তাকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে আবারও ধর্ষণ করেন।

এর ফলে ভিকটিম দুই মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েন। পরে আসামিকে বিষয়টি জানালে আসামি তালবাহানা করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি ভিকটিমকে বিয়ে করতে অস্বীকার করলে ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ধর্ষণের অভিযোগ মামলাটি দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কাফরুল থানার উপপরিদর্শক আকলিমা আক্তার।

মামলার তদন্তে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ধর্ষণের ফলে ভিকটিমের নবজাতক পুত্রসন্তানের ডিএনএ পরীক্ষায় আসামি মো. জাহাঙ্গীর হোসেনের গর্ভজাত পুত্রসন্তান বলে প্রমাণিত হয়েছে। এ মামলায় বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষে পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে ট্রাইব্যুনাল।

কোটি টাকা ঘুস চাওয়া সেই সাইমুম জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরামের নেতা

সাংবাদিকদের প্রকৃত স্বাধীনতা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জিএম কাদের ও তার স্ত্রীর অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুদক

অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রসিকিউটরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

দুদকের মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, কারামুক্তিতে বাধা নেই

মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যক্ষসহ ৩ জনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা

দশম বারের মত পেছালো হাদি হত্যার পুনঃতদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে বাস্তবভিত্তিক অভিযোগের তদন্তে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি গঠন

কামরুল-মেননের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৩০ মার্চ

বিড়াল হত্যার দায়ে যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড