হোম > আইন-আদালত

হাসিনা-কামালসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৬ এপ্রিল

জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৯ তরুণ হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর মিরপুরের জাহাজ বাড়িতে ২০১৬ সালে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে ৯ তরুণ হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠনে শুনানির জন্য ৬ এপ্রিল দিন ধার্য করা হয়েছে।

রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল এই আদেশ দেয়। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য হলেন- বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

এর আগে গত ২২ জানুয়ারি আসামিদের হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ৮ মার্চের মধ্যে হাজির হতে বলা হয়েছে। কিন্তু নির্ধারিত তারিখে আসামিরা হাজির না হওয়ায় পলাতক বিবেচনায় তাদের পক্ষে স্টেটডিফেন্স নিয়োগ দেওয়া হবে।

এ মামলায় মোট আটজনকে আসামি করা হয়েছে। এরমধ্যে দুজন গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলেন- পুলিশের সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক ও ডিএমপির সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া। পলাতক অপর আসামিরা হলেন- তৎকালীন সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার শেখ মোহাম্মদ মারুফ হাসান, কৃষ্ণপদ রায় ও আব্দুল বাতেন।

এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন। অভিযোগ আমলে নিয়ে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে।

এই মামলার বিবরণীতে বলা হয়েছে, মাদ্রাসার ছাত্র এবং ইসলামী মনোভাবাপন্ন তরুণ মোতালেব ওরফে আব্দুল্লাহ, রায়হান, মতিউর রহমান, জুবায়ের হোসেন, সেজাদ রউফ ওরফে অর্ক, তাজ উল হক ওরফে রাশিক, আবু হাকিম ওরফে নাঈম, আকিফুজ্জামান খান, রকিবুল হাসান ও অজ্ঞাতনামা একজনকে বিভিন্ন সময় দেশের বিভিন্ন স্থান হতে বেআইনি আটক ও অপহরণ করে ঢাকা মহানগরীর গোয়েন্দা বিভাগের হাজতখানা ও সিটিটিসির গোপন বন্দিশালাসহ বিভিন্ন বন্দিশালায় গুম করে রাখে।

পরবর্তীতে উল্লিখিত আট আসামির ষড়যন্ত্র, নির্দেশনা ও প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে কল্যাণপুরের 'জাহাজ বিল্ডিং' নামে পরিচিত ভবনের পাঁচ তলায় এদের আটক রাখা হয়। পরে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের ফোর্স ব্যবহার করে ফ্ল্যাটটিকে জঙ্গি আস্তানা নাটক সাজিয়ে ঘেরাও করে রাখে। ২০১৬ সালের ২৫ জুলাই রাতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সোয়াট টিমের মাধ্যমে ৯ তরুণকে জঙ্গি অভিযানের নামে নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়। এঘটনায় রকিবুল হাসান নামে এক তরুণকে গুলি করে গুরুতর জখম করা হয়।

বিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, অভিযান শেষে সিটিটিসি প্রধান মনিরুল ইসলাম অভিযানে ব্যবহৃত গুলি সোয়াট টিমের সবার নামে বণ্টন করে দেখান এবং জঙ্গি নাটক ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডকে সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত করতে ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন ধরনের আলামত উদ্ধার হয়েছে বলে অসত্য জব্দ তালিকা প্রস্তুত করার নির্দেশ দেন। আইজিপি একেএম শহীদুল হকের পরিকল্পনা ও ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে অধস্তন আসামিদের দিয়ে হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করেন। হত্যাকাণ্ডের পর শহীদুল হক ঘটনা সম্পর্কে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালকে পুনরায় অবহিত করেন।

শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল অপর আসামিদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তাদেরকে রাষ্ট্রীয় পদক (বিপিএম, পিপিএম) দিয়ে অপরাধ সংঘটনে উৎসাহ ও সমর্থন প্রদান করেন। এ ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়।

বিমানের সাবেক এমডির বাসায় নির্যাতিত শিশুটি থাকবে বাবার জিম্মায়

বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ১৬ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

হাসিনাসহ ২৮৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের শুনানি ১৫ এপ্রিল

আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর নিয়োগ

বিদেশি মদ উদ্ধারের মামলায় খালাস পেলেন বিসিবি পরিচালক কণ্ঠশিল্পী আসিফ

সিটি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাসহ ৬১ জনের হিসাব জব্দ

জামায়াতের দুই নেতার ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ

তাহেরের কাছে হেরে যাওয়া বিএনপি প্রার্থীর হাইকোর্টে আবেদন

কণ্ঠশিল্পী আসিফের বিরুদ্ধে রায় আজ

সাবেক হুইপ সামশুল ও স্ত্রী-কন্যার নামে মামলা