হোম > আইন-আদালত

মানবতাবিরোধী অপরাধে সালমান-আনিসুলের বিচার শুরু আজ

জুলাই বিপ্লবে হত্যাকাণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার

জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিচার শুরু হচ্ছে আজ।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল প্রসিকিউসনের সূচনা বক্তব্য উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে এ মামলার বিচার শুরু হবে। এদিন প্রথম সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে। এই ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গত ১২ জানুয়ারি আসামিদের অভিযোগ থেকে অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। আসামিদের বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন।

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, আনিসুল ও সালমানের প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র ও সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা মারণাস্ত্র ব্যবহার করে রংপুরে আবু সাঈদসহ চৌদ্দ শতাধিক ছাত্র-জনতাকে হত্যা এবং ইমরান হোসেনসহ ২৫ হাজারের বেশি ছাত্র-জনতাকে গুরুতর জখম করে।

দ্বিতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২০ জুলাই এ দুই আসামির প্ররোচনা, ষড়যন্ত্র ও সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আওয়ামী সশস্ত্র ক্যাডাররা মারণাস্ত্র ব্যবহার করে রাজধানীর মিরপুর ও আশপাশের এলাকায় সিফাত হাওলাদারকে হত্যা এবং অসংখ্যা ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করে।

তৃতীয় অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২৮ জুলাই মিরপুর-১০ এলাকায় আখতারুজ্জামানকে হত্যা এবং অসংখ ছাত্র-জনতাকে আহত করে।

চতুর্থ অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট মিরপুর-২ ও মিরপুর-১০ এলাকায় ফারুক হোসেনসহ ১২ জনকে হত্যা ও অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করে।

পঞ্চম অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মিরপুর-২ মিরপুর-১০ গোলচত্বর, মিরপুর-১৩ জুটপল্লি, মিরপুর-১৪ ও আশপাশের এলাকায় আল আমিন হোসেনসহ ১৬ জনকে হত্যা এবং অসংখ্য ছাত্র-জনতাকে আহত করার অভিযোগ।

এসব ঘটনায় আসামিদের বিরুদ্ধে জয়েন্ট ক্রিমিনাল এন্টারপ্রাইজ বা যৌথ অপরাধের দায় এবং সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির অভিযোগ আনা হয়।

এছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত দায়ে বলা হয়, আনিসুল হক জুলাই বিপ্লবের সময় ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে ২৮৬টি মামলা করান, যেখানে সাড়ে চার লাখ ছাত্র-জনতাকে আসামি করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে ছাত্র-জনতাকে নির্যাতন, দমন ও হত্যায় সরাসরি জড়িত ছিলেন আনিসুল।

অন্যদিকে সালমান এফ রহামানের ব্যক্তিগত দায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের ২২ জুলাই একদল ব্যবসায়ীকে নিয়ে সালমান এফ রহমান গণভবনে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেন। সেই বৈঠকে ব্যবসায়ীরা ছাত্র-জনতাকে দমনে শেখ হাসিনার হত্যা, নির্যাতন ও নিপীড়নের সমর্থন করেন এবং জীবন দিয়ে শেখ হাসিনার পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। এর মাধ্যমে হত্যা, নির্যাতনে শেখ হাসিনাকে উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তা দেন সালমান এফ রহমান।

জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে সুপ্রিম কোর্টে অর্ধদিবস বিচার কার্যক্রম বন্ধ

অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন সরকারি আইনজীবীরা

২৫ মিলিয়ন ডলার পাচারের অভিযোগে ইবিএল চেয়ারম্যানকে আইনি নোটিশ

জনগণ হাসিনাকে আগামীকালই দেশে আনতে চায়: চিফ প্রসিকিউটর

শাহবাগে ‘তাফহীমূল কোরআন’ পোড়ানোর ঘটনায় গ্রেপ্তার মেহেদী কারাগারে

বসুন্ধরা সিটিতে বিএসটিআইর অভিযান, দুই প্রতিষ্ঠানকে ৬ লাখ টাকা জরিমানা

৯৯৯-এর দ্রুত সাড়ায় শিশু ধর্ষণের অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

১৬ হাজার ইয়াবার সূত্র ধরে আরো ৪ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ঘুষ নেওয়ার সময় ধরা পড়া বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

সারোয়ার আলমগীরের শপথের বিরুদ্ধে আপিলে যাবে জামায়াত