হোম > আইন-আদালত

সালমান-আনিসুলের বিরুদ্ধে সাক্ষী হওয়ায় আ.লীগের হামলা

ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে আদহাম বিন আমিন

স্টাফ রিপোর্টার

সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক

জুলাই বিপ্লবে গণহত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের বিরুদ্ধে তৃতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ স্কুল শিক্ষার্থী আদহাম বিন আমিন।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ জবানবন্দিতে আদহাম বলেন, এই মামলায় সাক্ষী হওয়ায় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজন আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছে। এই ঘটনায় মিরপুর মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়। এখনো পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময় আমি মিরপুর ন্যাশনাল বাংলা হাই স্কুলের নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিলাম। ১৬ জুলাই থেকে ১৯ জুলাই আমি সক্রিয়ভাবে মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নিই।। ১৯ জুলাই দুপুর বেলা আমি বাসা থেকে বের হয়ে এলাকার বড় ভাইদের সঙ্গে মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বর এলাকায় আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ওই সময় আমাদের বিপরিত পাশে পুলিশ, বিজিবি ও আওয়ামী লীগের লোকজন সশস্ত্র অবস্থায় ছিল। তারা আমাদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে বাধা দেয়। আমরা আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকি। তারা আমাদের ওপর দফায় দফায় হামলা চালায়।

জবানবন্দিতে আদহাম বলেন, একপর্যায়ে আমাদের ওপর হেলিকপ্টারেও গুলি বর্ষণ করা হয়। বিকেল ৫টার দিকে আমি মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরের পাশে আল-বারাকাহ্ হোটেল সামনে অবস্থান করছিলাম। ওই সময় পাশেই আওয়ামী লীগের স্থানীয় এমপি নিখিল, বন্দুক আয়নাল, কচি, সাচ্চুর হাতে অস্ত্রসহ অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে একটি গুলি আমার বাম পায়ের হাঁটুর নিচ দিয়ে ঢুকে বের হয়ে ডান পায়ের হাটুর নিচ দিয়ে ঢুকে মাংস নিয়ে বের হয়ে যায় (এ সময় সাক্ষী তার আঘাতের গুলির চিহ্ন ট্রাইব্যুনালে প্রদর্শন করেন)। তখন আমার সঙ্গে থাকা অন্য আন্দোলনকারীরা আমাকে নিকটসস্থ আল- হেলাল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে আমার পায়ে ব্যান্ডেজ করে উন্নত চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে আমাকে জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে আমাকে শহীদ সোহরোওয়ার্দী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে আমি ১৪ সেপ্টম্বর পর্যন্ত চিকিৎসা করি। আমি বর্তমানে সিএমএইচ-এ চিকিৎসা গ্রহণ করছি। আমি এখনো দাঁড়াতে পারি না। স্বাভাবিক চলাফেরা করতে পারি না।

জবানবন্দিতে তিনি আরো বলেন, পরে আমি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হতে জানতে পেরেছি তৎকালীন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ফোনালাপে কারফিউ দিয়ে সবগুলোকে মেরে শেষ করে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। তাদের সঙ্গে শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামাল, ওবায়দুল কাদেরসহ অনেকেই জড়িত। তারা আন্দোলন দমনে হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন। যারা আমাকে গুলি করে পঙ্গু যারা বানিয়েছে তাদের বিচার চাই। এ বছর আমার এসএসসি পরীক্ষা। আমি ঠিকমত পড়তে পারি না। আমার স্বপ্ন ছিল একজন সেনা কর্মকর্তা হওয়া।

সেনাপ্রধান হিসেবে আমার নির্দেশ জিয়াউল আহসান মানত না

বিসিবি পরিচালক কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের মামলার রায় ৯ মার্চ

দুর্নীতির মামলায় আ.লীগের কাজী জাফর উল্লাহ গ্রেপ্তার

প্রবাসীকে গুলি করে হত্যা: ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৮

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মামলা

গুম করে একটি কক্ষে রাখা হয় মনে হয় জীবন্ত কবরে ছিলাম

জুলাই সনদের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিটের আদেশ আজ

সাবেক ভূমিমন্ত্রী ও স্ত্রীসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

হাসিনাসহ ৪৯৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ পুলিশের