হোম > শিক্ষা

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নারীদের হেনস্তার অভিযোগ শিবির প্যানেলের

জকসু নির্বাচন

স্টাফ রিপোর্টার

ছাত্রদলের বিরুদ্ধে নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ শিবির প্যানেলের।

মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন থেকে এই অভিযোগ করে শিবির সমর্থিত প্যানেল অদম্য জবিয়ান ঐক্যের ভিপি পদপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘যখন নির্বাচন শুরু হয়, তখন থেকে আমাদের এখানে সুন্দর একটি পরিবেশ ছিল। কিন্তু যখন শিক্ষার্থীরা প্রবেশ করতে শুরু করে, তখন থেকে আমাদের ছাত্রদলের ভাইয়েরা ক্যাম্পাসের মেইন গেটের সামনে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। আমরা পরবর্তীতে পুলিশ প্রশাসনকে জানাই। পুলিশ প্রশাসন কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরবর্তীতে তারা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এখানে আমাদের যে ভাইয়েরা স্লিপ দিচ্ছিলেন, একাধিক ভাইবোনকে হেনস্তা করা, আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করাসহ ওখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘ভোট দেওয়ার পরে বিভাগগুলোতে পরিদর্শনে যাই। ফিজিক্স ডিপার্টমেন্টে গিয়ে দেখি ছাত্রদলের পোলিং এজেন্ট শিক্ষার্থীদের ম্যানিপুলেট করছে ভোট দেওয়ার জন্য। এমনকি নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ভোটের চিরকুট পর্যন্ত তারা কেড়ে নিচ্ছে। একই ধরনের কর্মকাণ্ড ঘটেছে অন্যান্য বিভাগেও। দর্শন বিভাগে যাওয়ার পরে দেখতে পাই, ওখানে ছাত্রদলের এজেন্টরা তাদের প্যানেল পরিচিতি বই আকারে প্রকাশ করে অন্য কেন্দ্রগুলোর মতো নিয়ে বসে আছে। আমাদের এজেন্ট বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে মারতে আসে এবং তারা এখানে চিল্লাচিল্লি করে। পরবর্তীতে শিক্ষক সমিতির সভাপতি-সেক্রেটারির সহযোগিতায় এখান থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।’

ছাত্রশিবির সমর্থিত এই ভিপি পদপ্রার্থী বলেন, ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান ডিপার্টমেন্টসহ আমরা যে ডিপার্টমেন্টে গিয়েছি, সব জায়গায় ছাত্রদল একই ধরনের কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে। সব থেকে বড় আপত্তির বিষয় হচ্ছে, ইংরেজি বিভাগে ছাত্রদলের ক্যাডাররা সিঁড়ির ওপরে তাদের প্যানেল পরিচিতিগুলো নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল। আমরা যখন প্রশ্ন করি যে এগুলো তো কোনো অবস্থায় প্যানেল পরিচিতি নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করানো যাবে না। তাহলে আপনারা এটা কীভাবে নিয়ে এলেন? এটা বলার সঙ্গে সঙ্গে তারা আমাদের প্রার্থী এবং আমাদের ভোটারদের ওপরে তেড়ে আসে মারার জন্য। তাদের এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ক্যাম্পাসে বিরাজমান রয়েছে।’

এসব অভিযোগ তুলে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন রিয়াজুল। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের ভোট গণনার সময় তারা এ ধরনের বড় কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারে এবং বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি, ক্যাম্পাসের আশপাশে বিভিন্ন ক্যাডারকে ঘাপটি মেরে রেখেছে ছাত্রদল। নির্বাচনের ভোটগ্রহণ করার সময় বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ কামনা করছি।’

তবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সদস্য সচিব সামছুল আরেফিন দাবি করেন, ‘আমরা কাউকে হেনস্থা করিনি। ওই একজন নারী ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রবেশ করতে চাইলে আমরা তার পরিচয় জানতে চাই। তিনি একবার নিজেকে নির্বাচন কমিশনের সদস্য বলে পরিচয় দেন। আবার এডভোকেট দাবি করেন। আমরা প্রক্টরিয়াল বডিকে বিষয়টি জানাই। পরে তাকে একজন নারী অবৈধভাবে ছাড়াতে আসেন। তিনি শুরুতে পরিচয় দেননি, পরে দিলেও পরিপত্র দেখাতে পারেননি। পরে জেনেছি তিনি জবির শিক্ষার্থী ও শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রী।’

এসআই

অনার্স শেষেও শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন

অষ্টম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ আজ

ছাত্রদল নেতার সহায়তায় মুনায়েমের স্বপ্নপূরণ

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের কমিটি গঠন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পিডিএফ-এর ১৫ সদস্য পাচ্ছেন শিক্ষা বৃত্তি

কুবিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ১৬ হাজার পজিশনেও সাবজেক্ট

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অতিরিক্ত ছুটিতে ব্যাহত হয় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা

ঢাবি শিক্ষার্থীর ওপর ‘পুলিশি হামলার’ প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে বিক্ষোভ

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

জবির অধ্যাপকদের মধ্য থেকেই উপাচার্য-ট্রেজারার নিয়োগ দিতে হবে