হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

নানা আয়োজনে পালিত হলো বাকৃবির ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী

প্রতিনিধি, বাকৃবি

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি পালন করা হয়।

দিবসটি উপলক্ষে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন ও আবাসিক হলগুলোতে জাতীয় পতাকা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনসংলগ্ন চত্বর থেকে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও এলাকাবাসী অংশ নেন।

র‌্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে হেলিপ্যাডে গিয়ে শেষ হয়। পরে প্রতিষ্ঠা দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি ও ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হকের সভাপতিত্বে এবং সহযোগী ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঞ্চালনায় হেলিপ্যাডে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। এ সময় জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি পায়রা অবমুক্ত ও বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে কৃষি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. জি এম মুজিবর রহমান, বাউরেসের পরিচালক ও সোনালী দলের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. হাম্মাদুর রহমান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হেলাল উদ্দীন এবং ছাত্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বক্তব্য দেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া ১৯৫২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম, স্বৈরশাসনবিরোধী আন্দোলন এবং গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আত্মত্যাগকারী ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

তিনি বলেন, ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আজ ৬৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পদার্পণ করেছে। দীর্ঘ এই পথচলায় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় বিশ্ববিদ্যালয় দেশ-বিদেশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান অর্জনের পেছনে যাঁদের অবদান রয়েছে, তাঁদের প্রতিও তিনি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানান।

উপাচার্য আরও বলেন, ‘মাতৃসম এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম যেন কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন না হয়, বরং উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পায়—সেজন্য আমাদের সবাইকে পরিশ্রম, নিয়মানুবর্তিতা ও ধৈর্যের মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে হবে।’ এ সময় তিনি শিক্ষা ও গবেষণায় আরও বেশি মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।

আয়োজক কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল হক বলেন, ‘আগামী ১৫ থেকে ২০ বছর পর বাংলাদেশের কী প্রয়োজন হতে পারে, তা এখনই চিহ্নিত করে গবেষণা ও উন্নয়নের কাজ করতে হবে। ঐতিহ্যগতভাবে গত ৬৫ বছর ধরে বাকৃবি পুষ্টি, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে আসছে। আগামী দিনে তরুণ প্রজন্মকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ও নতুন জ্ঞান কাজে লাগিয়ে এই দায়িত্ব এগিয়ে নিতে হবে।’

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে উপাচার্যের উপস্থিতিতে ‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: ৬৫ বছরের গৌরবোজ্জ্বল পথচলা’ শীর্ষক একটি প্রামাণ্যচিত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

পরে উপাচার্যের বাসভবনসংলগ্ন ব্রহ্মপুত্র নদে মৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। এ ছাড়া হেলিপ্যাডসংলগ্ন এলাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়।

দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব মসজিদ ও উপাসনালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

শিবগঞ্জে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

স্থানীয় নির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সিইসি-আইজিপি বৈঠক

গোলামি থেকে স্বাধীনতা, জাতি গঠন ও স্বাধীন রাষ্ট্রের বুনিয়াদ

দিরাইয়ে ইউএনওর অপসারণ দাবিতে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

এবার মোদি সরকারের বিরুদ্ধে নতুন লড়াই, উত্তপ্ত পশ্চিমবঙ্গ

লন্ডন চলচ্চিত্র উৎসবে রুবাইয়াতের ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’

ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামে বরিশাল

সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ডে ৯ শ্রমিকের মৃত্যু: পুলিশের অপমৃত্যুর মামলা

ঢাকায় চলছে বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুরের যৌথ চিত্রকলা প্রদর্শনী

আরেক মামলায় মুজিব পরদেশীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ