দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর অন্যতম সমস্যা আবাসন সংকট। চাহিদার তুলনায় আবাসিক হল কম থাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এ সমস্যা। বর্তমানে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ৪০ শতাংশেরও কম শিক্ষার্থীর থাকার সুবিধা রয়েছে। বাকি প্রায় ৬০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী তীব্র আবাসন সংকটে রয়েছেন। তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসিক সুবিধা থাকলেও ১০টিতে আবার মোটেও নেই। বাকিগুলোতে কমবেশি সুবিধা থাকলেও বেশিরভাগ শিক্ষার্থীকেই নিজস্ব উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশের এলাকায় মেস, ভাড়া বাসা বা আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে থাকতে হয়।
এতে বাড়তি খরচের পাশাপাশি যাতায়াতে অনেক সময় নষ্ট হয়। তাছাড়া পড়ালেখা বিঘ্নসহ নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তারা। আবাসন সংকটের কারণে হল ও সিট দখল ঘিরে ক্যাম্পাস রাজনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। এমনকি কোনো কোনো সময় সংঘাত সৃষ্টি হয়। এসব সংকট কাটাতে পর্যাপ্ত নতুন হল নির্মাণের উদ্যোগের পাশাপাশি বিদ্যমান হলগুলোতে সিট বাড়ানোর ব্যবস্থা করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে নীতিমালা অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ এবং তাতে থাকার নিশ্চয়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতেরও দাবি তাদের।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সর্বশেষ প্রকাশিত ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের ৫০টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬২টি ছাত্র ও ১০০টি ছাত্রী হল আছে। এতে আবাসিক সুবিধা পাচ্ছেন ৩৯.৬৫ শতাংশ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে শতভাগ আবাসিক সুবিধা আছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে।
এছাড়া মোটেও আবাসিক সুবিধা নেই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
অন্যদিকে নামমাত্র আবাসিক সুবিধা আছে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (৪.৪৪ শতাংশ), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (৪.৯৪ শতাংশ), জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একমাত্র ছাত্রী হলে (৭.৩৪ শতাংশ)। বাকিগুলোতে বিভিন্ন সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সুবিধা রয়েছে।
সূত্রমতে, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে চাহিদার তুলনায় আবাসিক সুবিধা কম থাকায় শিক্ষার্থীদের অন্যতম স্বপ্ন থাকে হলের সিট পাওয়া। মেধার ভিত্তিতে এসব সিট বরাদ্দের নিয়ম থাকলেও বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তার কোনো বাস্তবায়ন ছিল না। এমনকি নিয়মানুযায়ী সিট বরাদ্দ পেলেও ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের দখলদারিত্বের কারণে তাতে থাকার সুযোগ পাননি সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অন্যদিকে দখলদারদের রাজনীতিতে যুক্ত থাকলে বরাদ্দ ছাড়াও আবাসিক সুবিধা, এমনকি ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পরও অনেকেই হলে থেকেছেন। আর অবৈধ আবাসিক সুবিধাপ্রাপ্তরা হলে ও ক্যাম্পাসে নানা সংঘাত-সংঘর্ষ ও অরাজক পরিবেশ সৃষ্টিতে জড়িত থাকতেন। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনেকটাই নির্বিকার দেখা গেছে।
চব্বিশের বিপ্লবপরবর্তী সব ক্যাম্পাস থেকে ফ্যাসিবাদী ছাত্রসংগঠনÑছাত্রলীগ বিতাড়িত ও পরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ায় পরিস্থিতি কিছুটা পাল্টাতে থাকে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর হলে বৈধ সিটধারীদের থাকার সুযোগ নিশ্চিত হয়। বিশেষ করে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আবাসিক-অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে এসব ছাত্র সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে থাকা এবং ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনÑছাত্রদলের প্রভাব বিস্তারের শঙ্কায় বর্তমান পরিবেশ বজায় রাখা নিয়ে অনিশ্চয়তায় অনেকে। যদিও বর্তমান ছাত্র সংসদগুলোর নেতৃত্বে থাকা ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারা সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হল নীতিমালা অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন ও প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
শিক্ষার্থীদের আসান সংকট ও সিট বণ্টন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে যে সিট আছে, তা খুব অপ্রতুল। সারা দেশ থেকে এসে শিক্ষার্থীদের ভর্তি হওয়ার পর প্রথম বছরেই তাদের কষ্ট হয়। বিশেষ করে এখানে নারীশিক্ষার্থী বাড়ছে, অথচ তাদের হলসংখ্যা কম (১৯টি ছাত্র ও পাঁচটি ছাত্রী হল আছে)। এ অবস্থায় আমরা ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন কয়েকটি হল নির্মাণের প্রজেক্ট হাতে নিয়েছি। এছাড়া পুরোনো হলেও সিট বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকার যদি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মাধ্যমে আবাসিক হল নির্মাণের জন্য থোক বরাদ্দ দেয়, তাহলে এ সংকট দ্রুত কাটানো সম্ভব।
এদিকে ক্যাম্পাসে পড়ালেখার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে আবাসিক হলগুলোতে শান্তিপূর্ণ অবস্থান বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন এ শিক্ষাবিদ। তিনি বলেন, হল ঘিরে যেকোনো ধরনের সংঘাত-সংঘর্ষ রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ভিন্নমতের কাউকে বের করে দেওয়া যাবে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হলে নীতিমালা অনুযায়ী সিট বণ্টন নিশ্চিতসহ সার্বিকভাবে তিনি কাজ করে যাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করেন।
সূত্রমতে, বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬টি ছাত্র ও সাতটি ছাত্রী হলে মোট ৪৩.৯৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। যে কারণে এখানে হলের সিটপ্রাপ্তির শিক্ষার্থীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
জানা গেছে, হল সংকটের কারণে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে ছাত্রীদের পাঁচটি ও ছাত্রদের ১০টি হল-ডরমেটরিতে মাত্র ২১.৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। এতে বাইরে থাকা শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে দীর্ঘ সময় ও বাড়তি খরচসহ নানা দুর্ভোগের শিকার হতে হয়।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) জিএস সাঈদ বিন হাবিব বলেন, আবাসিক সংকট কাটাতে আমরা নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ১০ শতাংশ আবাসন বৃদ্ধির জন্য নানা উদ্যোগ নিয়েছি। সে অনুযায়ী শিক্ষক কোয়ার্টারে ৯০ জন, সোহরাওয়ার্দী হলে ৩০ জন ও শামসুন্নাহার হল সংস্কারসহ নানাভাবে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া ১০তলা একটি হল নির্মাণের জন্য ৬৯০ কোটি টাকার বাজেট মন্ত্রণালয় থেকে আসার প্রক্রিয়া চলছে। আরেকটি বড় প্রকল্পে ১০টি হল (পাঁচটি ছাত্রীদের ও পাঁচটি ছাত্রদের) নির্মাণের প্রকল্প পাস হওয়ার কথা রয়েছে। এটি হলে আবাসন সংকট দীর্ঘমেয়াদে কেটে যাবে।
এছাড়া পতিত ছাত্রলীগের দখলনীতির পরিবর্তে বর্তমানে হলগুলোতে মেধার ভিত্তিতে সিট বণ্টন হচ্ছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এ ধরনের পরিবেশ যেন বজায় থাকে। কেউ ছাত্রলীগের মতো দখলদারিত্বের চিন্তা করলে, তা প্রতিরোধ করা হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
শতভাগ আবাসনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) এখন ২৬.১৪ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসিক সুবিধা পান। তাই, হলে সিট পাওয়ার প্রত্যাশা থাকলেও অনেকেরই সেই সৌভাগ্য হয় না। এজন্য আবাসিক হল বৃদ্ধি করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
হল পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ইবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নিয়ামতুল্লাহ মুনিম জানান, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে ছিল আবাসিক হলগুলো। তখন মেধাবীরা সিট বরাদ্দ পেলেও তাদের সম্মতি ছাড়া তাতে থাকার সুযোগ মিলত না। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এ পরিবেশ যেন অব্যাহত থাকে, সেই প্রত্যাশা সবার।
দেশের অন্যতম পুরোনো ও বড় উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে ছাত্রদের ১২টি ও ছাত্রীদের ছয়টি আবাসিক হলে ৪৬.৭১ শতাংশ শিক্ষার্থীর আবাসিক সুবিধা আছে। ৫ আগস্ট পরবর্তী হলগুলোতে স্বাভাবিক নিয়মে সিট বরাদ্দ হলেও সম্প্রতি নতুন করে শঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ২৯ জুন ছাত্রদলের বিরুদ্ধে হলে অবৈধভাবে সিট দখলের অভিযোগে মানববন্ধন করে ছাত্রশিবির। এ সময় শতভাগ আবাসন নিশ্চিতসহ তিন দফা দাবি উপস্থাপন করেন তারা। যদিও সিট দখলের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ছাত্রদল। সম্প্রতি ছাত্রসংগঠন দুটি হল ও ক্যাম্পাসে সহাবস্থানের বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এছাড়া ঢাকার সদরঘাট এলাকায় অবস্থিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) বর্তমানে প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার ২০ বছর পরও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে শুধু ছাত্রীদের জন্য একটি হল নির্মাণ করা হয়।
জবি কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) আবদুল আলিম বলেন, জবিতে আবাসন সমস্যা চিরস্থায়ী একটি অভিশাপে পরিণত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন আর বাজেট আসে যায়, কিন্তু সমস্যার সমাধান হয় না। তিনি বলেন, এখানে ছাত্রীদের একটি আবাসিক হলে ধারণ ক্ষমতার বেশি অবস্থান করছেন। তবে ছাত্রদের মোটেও হল না থাকায় তাদের চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে।
এ ছাত্র সংসদ নেতা আরো বলেন, বর্তমানে পানি ভবন ও ডা. হাবিবুর রহমান নামে দুটি ছাত্র হলের কাজ চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। এটি ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা। যেখানে ১৬০০ শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা হবে। এর বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত একর জমিতে টিনশেড অস্থায়ী হল নির্মাণের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল। যেটা চার মাসেই নির্মাণ করা সম্ভব। আমরা সেনাবাহিনীর মাধ্যমে এ কাজ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছি। এতে ১৭০০ শিক্ষার্থী থাকতে পারবেন।
কিন্তু ছাত্রদল চাচ্ছে সেখানে ১০তলা ভবন নির্মাণের জন্য, যাতে ৬০০-৭০০ শিক্ষার্থীর আবাসন হবে। এটা শেষ হতেও দীর্ঘ সময় লাগবে। আবদুল আলিম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসব বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। তবে আদৌ বাস্তবায়ন হবে কি না, তা নিয়ে অশ্চিয়তা রয়েছে।
একইভাবে দেশের বড় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে বুয়েটে ৫৩.০৩ শতাংশ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩.৫৭ শতাংশ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩.৪০ শতাংশ, হাবিপ্রবিতে ৪৭.৫০ শতাংশ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৪.৭০ শতাংশ, কুয়েটে ৩৩.৯২ শতাংশ, ডুয়েটে ৪৭.২১ শতাংশ, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৭.০১ শতাংশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০.৮৪ শতাংশ, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৯.৪০ শতাংশ আবাসিক সুবিধা রয়েছে।
তবে বেশি আবাসিক সুবিধার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছেÑজাহাঙ্গীরনগরে ৯৮.৯১ শতাংশ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৮.১৫ শতাংশ, চুয়েটে ৭০.৭৮ শতাংশ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৬.২২ শতাংশ। এছাড়া বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ১৩ শতাংশ থেকে ৫০ শতাংশের মতো আবাসিক সুবিধা রয়েছে বলে ইউজিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে।