বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নবীনবরণ ও প্রবীণ বিদায় আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফুল, সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র প্রদান, আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উদযাপিত হয় দিনটি। সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে সৌহার্দ্য, সামাজিক ভ্রাতৃত্ব ও পারস্পরিক সুদৃঢ় বন্ধন তৈরির লক্ষ্যে প্রতি বছরের ধারাবাহিকতায় এ আয়োজনের সূচনা করা হয়।
গত সোমবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনানন্দ দাশ কনফারেন্স হলে আয়োজিত হয় চমৎকার এ অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্র কল্যাণ পরিষদের উপদেষ্টা ও গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা, আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলমগীর হোসেন, বরিশাল এনএসআইয়ের ডেপুটি ডিরেক্টর মো. রুবেল আলম, এসএমসি এন্টারপ্রাইজের সিনিয়র সেলস ম্যানেজার মো. নাসির উদ্দীন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ ইয়াহিয়াসহ সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আয়েশা আক্তার। পরবর্তীতে আমন্ত্রিত অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ও অনুপ্রেরণাদায়ক বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়জীবনকে গভীর জ্ঞান অর্জন, প্রয়োজনীয় দক্ষতা বিকাশ এবং মানবিক মূল্যবোধ লালন করার মাধ্যমে অর্থবহ করে তোলার আহ্বান জানান। পাশাপাশি ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে সফল ক্যারিয়ার গঠনের জন্য নানা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে নিজ জেলার মানুষের প্রতি সামাজিক দায়িত্ববোধ বজায় রাখা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ঐক্যের মূলমন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাইকে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।
অনুষ্ঠানের মূল পর্বে সদ্য বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্বকালীন অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ফুল দিয়ে নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। একই সময় এ বছর বিশ্ববিদ্যালয় জীবন সম্পন্ন করা বিদায়ী শিক্ষার্থীদের হাতেও সম্মাননা ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা।
আলোচনা পর্ব শেষে আনন্দঘন পরিবেশে একটি আকর্ষণীয় র্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত হয়। সর্বশেষ এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে আয়োজনের সফল সমাপ্তি ঘটে।