নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) প্রধান প্রকৌশলী জামাল হোসেনের বিরুদ্ধে পাম্প মেরামতের নামে অর্থ আত্মসাতসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি বেনামি এক উড়ো চিঠির মাধ্যমে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক বরাবর এসব অভিযোগ দাখিল হয়।
চিঠিতে বলা হয়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি টিউবওয়েল ওয়াশ প্রকল্পে কাজ না করিয়েই প্রায় ১০ লাখ টাকা উত্তোলন করেন প্রকৌশলী জামাল। অথচ স্থানীয় এক ঠিকাদারকে দিয়ে মাত্র ৩০ হাজার টাকায় পাইপ ওয়াশের কাজ করানো হয়।
এছাড়া লিফট ক্রয়ে ঘুষ নেওয়া, বিনা অনুমতিতে চীন ভ্রমণ, সরকারি কোয়ার্টার অধস্তন কর্মকর্তার নামে নিয়ে নিজে বসবাস, অফিসের ওয়াইফাই রাউটার ও মোটরসাইকেল ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারসহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী জামাল হোসেন বলেন, “এসব অভিযোগ মিথ্যা ও প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্র। পাম্প ওয়াশে যে ব্যয় ধরা হয়েছে তা নিয়ম মেনেই করা হয়েছে। গভীর পাম্প হওয়ায় খরচ বেশি হয়েছে।” তিনি কোয়ার্টারে বসবাসের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিদেশ ভ্রমণ ও ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান জানান, ‘আমরা একটি বেনামি চিঠি পেয়েছি এবং সেটি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের দায়িত্ব তাদের।’