ডা. একে আজাদ
ডায়াবেটিস পৃথিবী জুড়ে মহামারি আকার ধারণ করেছে। উন্নত দেশের চেয়ে উন্নয়নশীল দেশে এর হার বেশি। ডায়াবেটিস নিয়ে যুগ যুগ ধরে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতি। জাতীয় অধ্যাপক মরহুম মোহাম্মদ ইব্রাহিমের উদ্যোগে ১৯৫৬ সালে এ সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। সময়ের পরিক্রমায় সমিতির বিস্তৃতি ও কার্যক্রম বহুগুণে বেড়েছে।
গত বুধবার বারডেম হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান জাতীয় অধ্যাপক ডা. একে আজাদ খান নিজেদের কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা যে সেবা দিই, পৃথিবীর কোনো ডায়াবেটিক সমিতি এর এক হাজার ভাগের একভাগও দেয় না। তারা শুধু অ্যাডভোকেসি করে।’
তিনি বলেন, সবচেয়ে ঝুঁকিতে আছেন টাইপ-১ রোগীরা, যারা ইনসুলিনের ওপর নির্ভরশীল। ইনসুলিন না নিলে মারা যাবে। আপনার-আমার যেমন অক্সিজেন দরকার, পানি দরকার, তাদের ইনসুলিন দরকার।
টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস রোগীর ইনসুলিনটা সরকারের দিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ ইনসুলিন ছাড়া ওই রোগী বাঁচবে না। যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদেরও বাঁচার অধিকার আছে। আমি মনে করি, এ দেশের নাগরিকের ইনসুলিন পাওয়ার অধিকার আছে।’
এ সময় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সদস্য সচিব মুহাম্মদ আবু তাহের খান, জাতীয় কাউন্সিলর মতিউর রহমান লাল্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।