ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের সাথে সাক্ষাত করেছেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। সোমবার সচিবালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
ফকির মাহবুব আনাম বাংলাদেশের ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার প্রশংসা করে বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা প্রতিষ্ঠানসমূহ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।
বাংলাদেশে এআই ট্রেনিং সেন্টার স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করে আইসিটি মন্ত্রী বলেন, যেখানে তরুণ-তরুণীদের আধুনিক প্রযুক্তি ও AI বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। যার মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে দেশের তরুণ সমাজ তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লবের অংশ হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে।
ফকির মাহবুব আনাম আরও বলেন, বাংলাদেশ সবসময় বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সংযোগ সম্প্রসারণে বিশ্বাস করে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
চীনের রাষ্ট্রদূত জানান, গত তিন থেকে চার দশক ধরে চীনের শীর্ষ প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে সফলভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে চীনা প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগের পরিমাণ ১.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এবং তাদের প্রযুক্তিগত সহায়তায় দেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ জনগোষ্ঠী মোবাইল নেটওয়ার্ক সুবিধার আওতায় এসেছে। এছাড়া এই বিনিয়োগের মাধ্যমে ১০ হাজারেরও বেশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশে Artificial Intelligence (AI) খাতের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, দূতাবাসের তৃতীয় সচিব ঝাং পেংফেই, বাই ঝাওশি, হুয়াওয়ের মা বেন এবং জেডটিই এর মাও ইয়ংজুন।
এএস