হোম > ফিচার > তথ্য-প্রযুক্তি

‘কি ভাবছে’ আপনার পোষা প্রাণী, বলে দেবে এআই

প্রযুক্তি ডেস্ক

ঠিক বুঝতে পারছেন না আপনার আদরের পোষা প্রাণীটা এখন কি ভাবছে। সে কেন অদ্ভুত আচরণ করছে। তার মনের মধ্যে কি চলছে। এসবই এখন বলে দেবে এআই। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বলে দেবে আপনার প্রিয় প্রাণীর অঙ্গভঙ্গির ভাষা আসলে কী; আপনার কী করণীয়।

এ বিষয়ে গবেষণায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ব্যয়বহুল বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান। সেখানে এই প্রাণীদের আচরণগত ভাষা বিশ্লেষণ করা হবে। বিস্তৃত পরিসরের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে ৪০ লাখ পাউন্ড ব্যয়ে তৈরি করা হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এর কাজ স্নায়ুবিজ্ঞান, দর্শন, পশু চিকিৎসাবিজ্ঞান, আইন, বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞান, তুলনামূলক মনোবিজ্ঞান, আচরণগত বিজ্ঞান, কম্পিউটার বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।

লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্সভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি জেরেমি কলার সেন্টার ফর অ্যানিম্যাল সেন্টিয়েন্স নামে পরিচিত হবে। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে এটি অ-মানব প্রাণীদের ওপর গবেষণা শুরু করবে। কেবল পোষা প্রাণীই নয়, গবেষণার অন্তর্ভুক্ত থাকবে পোকামাকড়, কাঁকড়া ও কাটলফিশের মতো বিবর্তনের মধ্যে থাকা প্রাণীরাও।

প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে প্রাধান্য পাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, যা পোষা প্রাণীর ‘মনের কথা’ খুঁজে বের করবে। প্রাণীর আচরণে কোনো ভুল বা ঝুঁকি থাকলে সেটি ঠেকানোর পথও বাতলে দেবে। গবেষণা কেন্দ্রটির পরিচালক অধ্যাপক জোনাথন বার্চ বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা থাকে, পোষা প্রাণীরা যেন মানবিক বৈশিষ্ট্য বা মানুষের মতো আচরণ করুক। এআইর মাধ্যমে পোষা প্রাণী কীভাবে আপনার সঙ্গে কথা বলতে সক্ষম হবে, সে বিষয়টি একেবারে নতুন স্তরে নেওয়া হবে।’

বার্চ বলেন, এআই প্রায়ই এমন প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীকে বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতায় না নিয়েই খুশি করে। এ জন্য পোষা প্রাণীর ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। প্রাণীদের সঙ্গে সম্পর্কিত দায়িত্বশীল ও নীতিগত এআই ব্যবহার প্রয়োজন। এ মুহূর্তে এ ধরনের ব্যবস্থার ঘাটতি আছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বেসরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করবে, যাতে বিশ্বজুড়ে এমন নির্দেশিকা, গবেষণা ও অনুশীলন শুরু করা যায়। নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ ও প্রাণী সুরক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক জেফ সেবো বলেন, প্রাণী সংবেদনশীলতা, তাদের কল্যাণ, তাদের ওপর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রভাব ও জনসাধারণের মনোভাব সামাজিক মানুষ হিসেবে আমাদের মুখোমুখি হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কঠিন ও অবহেলিত বিষয়গুলোর একটি।

বিশ্বজুড়ে লাখ লাখ প্রজাতি ও কোটি কোটি প্রাণীর সঙ্গে মানুষের বাস। আমাদের পছন্দ-অপছন্দ তাদের জীবনে প্রভাব ফেলে।

নতুন কেন্দ্রটির অন্যতম ট্রাস্টি অধ্যাপক ক্রিস্টিন অ্যান্ড্রুজ জানান, কেন্দ্রটি বিভিন্ন প্রাণীর আচরণই বিশ্লেষণ করবে না; এটি চিকিৎসাক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে– মানুষের চেতনা কী।

আমরা এখনও জানি না, কী মানুষকে সচেতন করে তোলে অথবা কেন কেউ সচেতন হওয়া শুরু করে বা বন্ধ করে দেয়। বিজ্ঞান বিভিন্ন জীবের আচরণ অধ্যয়ন করে জিনোমিক্স ও চিকিৎসাক্ষেত্রে দুর্দান্ত অগ্রগতি অর্জন করেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস

বন্ধ হচ্ছে অ্যানিমেশন সফটওয়্যার ‘অ্যাডোবি অ্যানিমেট’

পাবলিক ইন্টারনেটে কী কী ঝুঁকি

ব্লকচেইন প্রযুক্তি

সাইবার নিরাপত্তায় প্রযুক্তির চেয়ে সচেতনতাই বড় হাতিয়ার

ফেসবুকের জন্মকথা

ইনস্টাগ্রামের নতুন ফিচারে ‘ক্লোজ ফ্রেন্ডসদের’ যেসব বার্তা

ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থা উন্নয়নে এটুআই ও গাম্বিয়ার সমঝোতা স্মারক সই

উপজেলা থেকেই ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তি গড়তে হবে: ফয়েজ

আইটি ট্রেনিং ও ইনকিউবেশন সেন্টারে থাকবে আধুনিক কম্পিউটার ল্যাব