হোম > ফিচার > আমার জীবন

যেভাবে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করবেন

ঢাবি সংবাদদাতা

কোরবানির মাংস বিভিন্ন উপায়ে সংরক্ষণ করা সম্ভব। তবে তা এমনভাবে করতে হবে যাতে এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ বজায় থাকে। আসুন, জেনে নিই কিভাবে কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করবেন:

১। কোরবানির পর অন্তত ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা মাংস শক্ত থাকে। মাংস কিছুটা নরম হওয়ার পর রান্না করা যেতে পারে এবং ধুয়ে ফ্রিজে রাখা উচিত। এতে রান্না করার পর মাংস সুস্বাদু হবে এবং ফ্রিজে রাখলে অনেক দিন ভালো থাকবে।

২। ফ্রিজে মাছের সঙ্গে মাংস রাখা উচিত নয়, কারণ এতে মাছ ও মাংস দুটোই নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৩। মাংস ছোট ছোট প্যাকেটে রাখুন, এতে ফ্রিজ থেকে বের করতে সুবিধা হবে। পুরো মাংস বের করা কঠিন হয়ে যেতে পারে।

৪। ফ্রিজে গরুর মাংস পাঁচ থেকে ছয় মাস এবং খাসির মাংস চার থেকে পাঁচ মাস পর্যন্ত রাখা যায়। তবে কলিজা বেশিদিন ফ্রিজে না রাখাই ভালো, কারণ এতে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৫। ফ্রিজের মধ্যে বাক্সের পরিবর্তে প্লাস্টিকের ব্যাগে মাংস রাখা উচিত। চর্বিসহ মাংসগুলো আলাদা রাখাই ভালো। ফ্রিজে রাখার আগে ধোয়ার পর পানি ভালো করে ঝরিয়ে নিন, নাহলে অনেক দিন রেখে দিলে মাংস নষ্ট হয়ে যাবে।

৬। মাংস ফ্রিজে রাখার এক সপ্তাহের মধ্যে যদি বাসায় ইলেকট্রিসিটি না থাকে, তবে খুব একটা ফ্রিজ খুলবেন না। এতে মাংস শক্ত হওয়ার আগেই বাতাস লাগলে বেশিদিন ভালো থাকবে না।

৭। রান্না করা মাংসগুলো সব সময় ছোট ছোট বাক্সে রাখুন। না হলে ফ্রিজ থেকে বের করে মাংস গরম করে আবার ফ্রিজে রাখলে স্বাদ নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৮। একটি বড় হাঁড়িতে মাংস জ্বাল দিয়ে রাখতে পারেন। এভাবে প্রতিদিন জ্বাল দিয়ে অন্তত চার থেকে পাঁচ দিন মাংস ভালো থাকবে। জ্বাল দেওয়ার সময় মাংসের মধ্যে লবণ দিতে ভুলবেন না।

৯। রোদের মধ্যে মাংস শুকিয়েও সংরক্ষণ করতে পারবেন, তবে এমনভাবে শুকাতে হবে যেন মাংসে কোনো পানি না থাকে।

চোখে শুধু দেখছি সরষে ফুল…

কর্মজীবনেও থাকুক বই পড়ার অভ্যাস

নবজাতকের বাড়তি যত্ন

পিঠাপুলিতে রসনাতৃপ্তি

পূর্ণিমার আলোয় সেন্টমার্টিন

সংবেদনশীল স্থানে ভ্রমণ

‘নতুন বছর হোক ঘুরে দাঁড়ানোর বছর’

স্বপ্নগুলো ফলবতী হোক

বাবা-মায়ের পক্ষপাতিত্ব সন্তানদের ওপর কী প্রভাব ফেলে

নতুন বছরে প্রথম ক্লাস পায়ে থাক নতুন জুতা