২০ জুন, ৬৫৬ খ্রিষ্টাব্দ (১৮ জিলহজ, ৩৫ হিজরি) : ইসলামের তৃতীয় খলিফা এবং আশারায়ে মুবাশশারার অন্যতম সদস্য উসমান ইবনে আফফান (রা.) মদিনায় নিজ বাড়িতে কোরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় বিদ্রোহীদের হাতে শাহাদতবরণ করেন।
২১ জুন, ৮৭০ খ্রিষ্টাব্দ (রজব, ২৫৬ হিজরি) : আব্বাসীয় খলিফা আল-মুহতাদি বিল্লাহ নিহত হন। তার শাসনকাল ছিল এক বছরেরও কম, তবে ন্যায়বিচার, জুহদ, ইবাদত ও প্রশাসনিক সততার জন্য তিনি সমসাময়িকদের কাছে বিশেষভাবে প্রশংসিত হন।
২২ জুন, ১৬৯১ খ্রিষ্টাব্দ (২৪/২৫ রমজান, ১১০২ হিজরি) : উসমানি খেলাফতের ২১তম সুলতান দ্বিতীয় আহমেদ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তার পূর্বসূরি ও বড় ভাই সুলতান দ্বিতীয় সুলাইমানের মৃত্যুর পর তিনি এই দায়িত্ব পান।
২৫ জুন, ১৮৬১ খ্রিষ্টাব্দ (১৫/১৬ জিলহজ, ১২৭৭ হিজরি) : উসমানি খেলাফতের ৩২তম সুলতান আবদুল আজিজ সিংহাসনে আরোহণ করেন। তিনি ছিলেন সুলতান দ্বিতীয় মাহমুদের ছেলে এবং সুলতান প্রথম আবদুল মজিদের উত্তরসূরি। ১৮৭৫ সালে তিনি উসমানি নৌবাহিনীকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম নৌবহরে পরিণত করেন।
২৬ জুন, ১২৪৩ খ্রিষ্টাব্দ (২৮/২৯ জিলহজ, ৬৪০ হিজরি) : বর্তমান তুরস্কের কোসে দাগে আনাতোলীয় সেলজুক সালতানাত ও মঙ্গোল বাহিনীর মধ্যে ঐতিহাসিক কোসে দাগের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। সুলতান দ্বিতীয় গিয়াসউদ্দিন কায়খসরুর নেতৃত্বাধীন সেলজুক বাহিনী মঙ্গোল সেনাপতি বাইজু নোইয়ানের কাছে পরাজিত হয়।
গ্রন্থনা : আহমাদ ফাহমি