ফ্যাসিবাদ বিলোপ ও নতুন সংবিধানের দাবিতে ডাকা জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নাগরিক সমাবেশে যোগ দিতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র ফারুক হাসান।
শনিবার বিকেলে বক্তব্য শেষ করে ফেরার সময়ে অনুষ্ঠানে আসা ১৫-২০জনের একটি দল ফারুকের সাথে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় এবং একপর্যায়ে তাকে এবং তার সঙ্গীদের উপর হামলা করে।
এদিকে ফারুক হাসানের উপর হামলা ঠেকাতে গিয়ে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য ইঞ্জিনিয়ার রাফসান জানিম প্রীতম আহত হয়েছেন। এসময় তার দাঁত ভেঙ্গে যায়। পরে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি।
হামলার সময়ে সমাবেশের কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করাসহ ফারুককে ধাওয়া দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সড়ক পর্যন্ত নিয়ে যান এবং সেখানেও মারধর করে।
এর আগে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের নাগরিক সমাবেশে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবারের সদস্যদের বক্তব্যের পর ফারুক হাসান তার বক্তব্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘এই সরকারকে কোনোভাবেই মানা যায় না। যে সংবিধানকে ছুঁড়ে ফেলে শেখ হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে সেই সংবিধানকে কোনোভাবেই মানা যায় না।’
এবিষয়ে জানতে চাইলে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের যুগ্ম-আহবায়ক জাকির মজুমদার বলেন, ফারুকের উপর হামলার সঙ্গে আমাদের সংগঠনের কেউ জড়িত নয়। অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস এবং অন্তর্বর্তী সরকারের নানা সমালোচনা করেন ফারুক। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা ফারুকের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানায়। এক পর্যায়ে সেখানে উপস্থিত কয়েকজন ফারুকের উপর হামলা চালায়।
এমএস