হোম > জাতীয়

অনলাইনে চালু হচ্ছে ভবনের নকশা অনুমোদনের কার্যক্রম

১১ সদস্যের কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: সংগৃহীত

দেশের সব নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকে আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদন কার্যক্রম চালুর নির্দেশ দিয়েছে সরকার। নির্দেশ অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)-এর আদলে এ ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য রাজউকের বিদ্যমান সফটওয়্যার ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। গত ১ জুন অনুষ্ঠিত গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা–সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম।

সভায় জানানো হয়, বর্তমানে রাজউকে ওয়ান স্টপ সার্ভিস (ওএসএস) প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ভবন নির্মাণ অনুমোদনের কার্যক্রম অনলাইনে পরিচালিত হচ্ছে। এ সেবার নির্ধারিত সময়সীমা ২৪ কার্যদিবস। এছাড়া ইলেকট্রনিক কনস্ট্রাকশন পারমিট সিস্টেম (ইসিপিএস)-এর মাধ্যমে ভূমি ব্যবহার ছাড়পত্রও শতভাগ অনলাইনে প্রদানের ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

কার্যবিবরণী অনুযায়ী, এস্টেট ও ভূমি শাখার সংশ্লিষ্ট ব্যবহারকারীদের আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে নতুন ব্যবস্থাটি পুরোপুরি চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে নাগরিকদের সরাসরি অফিসে উপস্থিতির প্রয়োজন কমবে এবং সেবা গ্রহণের সময়ও হ্রাস পাবে।

সভায় আরো জানানো হয়, রাজউকের সেবা আরো সহজ ও স্বচ্ছ করতে একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ১১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে, যা ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রাজউকের মতো দেশের অন্যান্য উন্নয়ন কর্তৃপক্ষকেও ডিজিটাল সেবার আওতায় আনতে হবে। আগামী ছয় মাসের মধ্যে অনলাইনে ভবন নকশা অনুমোদনের ব্যবস্থা চালু করে নাগরিক সেবা সহজ ও দ্রুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, অনলাইনভিত্তিক নকশা অনুমোদন ব্যবস্থা চালু হলে আবেদন, যাচাই-বাছাই ও অনুমোদনের পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বাড়বে। একই সঙ্গে নাগরিকদের সময় ও ব্যয় সাশ্রয় হবে এবং প্রশাসনিক জটিলতাও কমে আসবে।

সভায় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের এবং প্রতিমন্ত্রী আহম্মদ সোহেল মনজুর বলেন, সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এসব সিদ্ধান্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে হবে। সময়মতো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও দপ্তরকে এর দায় বহন করতে হবে।

বর্তমানে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১২টি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রয়েছে। এর মধ্যে রাজধানী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, কক্সবাজার ও গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অন্যদিকে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ নতুনভাবে গঠিত হয়েছে। উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আওতাধীন এলাকায় ভবন নির্মাণের আগে জমির ব্যবহার ছাড়পত্র ও নির্মাণ অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক।

রাজউক ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে অনলাইনে জমির ব্যবহার ছাড়পত্র দেওয়া শুরু করে এবং ২০১৯ সালে জমির ছাড়পত্র ও নির্মাণ অনুমোদন—উভয় সেবা পুরোপুরি অনলাইনে নিয়ে আসে। বর্তমানে আবেদনকারীরা নির্ধারিত ওয়েবসাইটে নিবন্ধন করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র আপলোডের মাধ্যমে আবেদন করতে পারেন। যাচাই ও অনুমোদন শেষে সনদপত্র অনলাইনেই ডাউনলোড করা যায়।

এএস

ভূমধ্যসাগরে ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যু, মানবপাচার চক্রের সদস্য গ্রেপ্তার

সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু

অস্বচ্ছল পরিবারের সক্ষমতার প্রতীক হয়ে উঠবে ফ্যামিলি কার্ড: ডিসি ফরিদা

অবৈধভাবে গ্রিস যাত্রা: ১৮ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার এক

পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

মামলার কারণে শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ আটকে রয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী

প্রস্তাবিত বাজেট শ্রমিকবান্ধব নয়, এলিটবান্ধব

বাজেটে আশার চেয়ে শঙ্কাই বেশি, জবাবদিহি ও বাস্তবতার প্রশ্নে সরব বক্তারা

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ বাড়লেই হবে না, অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

সংসদে অতিরিক্ত ওজনের চেয়ার স্থাপনের কারণ জানালেন এমপি জয়নাল আবদিন