হোম > জাতীয়

জুলাই ঘোষণাপত্র ৩১ ডিসেম্বর কেন ঘোষণা হয়নি, জানালেন তথ্য উপদেষ্টা

আতিকুর রহমান নগরী

ফাইল ছবি

জুলাই ঘোষণাপত্র গত বছরের ৩১শে ডিসেম্বর ঘোষিত হওয়ার কথা ছিল কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের জন্য সে প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয় বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

মঙ্গলবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ শিরোনামে পোস্টে উপদেষ্টা মাহফুজ বলেন—ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি বিভিন্ন দলের খসড়া প্রস্তুত হলেও ঘোষণাপত্রের বিভিন্ন প্রস্তাবনা নিয়ে সংলাপ মীমাংসায় পৌঁছায়নি। বিভিন্ন ধারা নিয়ে রাজনৈতিক আদর্শিক পজিশন নিয়ে নেগোসিয়েশন থমকে যায় পরের দুই মাস। (মাঝে রমজান ছিল)।

তিনি বলেন—মে মাসে ক্যাবিনেটে আমি আবার আলাপ তুলি ঘোষণাপত্র নিয়ে। তখন বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এটা নিয়ে আলোচনা করতে অনাগ্রহ দেখায় । কিন্তু, জুন মাসে আবার এটা উত্থাপন করি এবং সিদ্ধান্ত হয় সরকারের পক্ষ থেকে জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে কথা বলে একটা সর্বসম্মত ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করবেন।

মাহফুজ আলম বলেন—জুলাইয়ের শুরু থেকে এ প্রক্রিয়ায় কয়েকবার আলাপ হলেও রাজনৈতিক আদর্শিক (ঐতিহাসিক ও বটে) কিছু বক্তব্য নিয়ে এখনো ঐকমত্য নিশ্চিত হয়নি। কিন্তু, আশা করি সবাই ছাড় দিয়ে (ছাত্রদের অনেক বক্তব্যই নেগোশিয়েটেড হয়েছে) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে যথাযথ রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির সুযোগ করে দিবেন।

জুলাই শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি দায়বদ্ধ উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন—আশা করি, ৫ই আগস্টের আগেই ঐকমত্য নিশ্চিত হবে এবং আমাদের প্রজন্ম ও জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মুখ দেখবে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। জুলাই ঘোষণাপত্র বাস্তব হবেই। জুলাই শহিদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি আমরা দায়বদ্ধ।

পুনশ্চ: দল-মতাদর্শ নির্বিশেষে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সকল গুরুত্বপূর্ণ পর্বের স্বীকৃতির ব্যাপারে আমরা উদার হওয়া সত্ত্বেও জুলাই ছাত্র-জনতার ন্যায্য স্বীকৃতি বাদ দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। জুলাই ছাত্র-জনতার ন্যায্য স্বীকৃতি জুলাই ঘোষণাপত্রে যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এই প্লাটফর্মের নেতৃত্বে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারত চলে যান শেখ হাসিনা। গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর বাংলামোটরে নিজেদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা।

সেখানে তারা বলেন, আগামী ৩১ ডিসেম্বর দেশে মুজিববাদী সংবিধানের কবর রচিত হবে এবং আওয়ামী লীগ দল হিসেবে অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়বে বাংলাদেশে। ওইদিন ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র’ ঘোষণা করা হবে।

এর আগে ফেইসবুকে ‘থার্টি ফার্স্ট ডিসেম্বর, নাউ অর নেভার, প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভ্যুলেশন’- এমন সব স্ট্যাটাস ছড়িয়ে পড়ে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির শীর্ষ নেতাদের অনেকেই এমন পোস্ট দেন।

পোস্ট দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদও।

শিশুর আবদারে গাড়িবহর থামালেন প্রধানমন্ত্রী, তুললেন সেলফি

আগামীর সাংবাদিকতায় অপরিহার্য এআই, ডিআরইউতে বিশেষ কর্মশালা

যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী

স্বাধীন গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠা করা বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতি: তথ্যমন্ত্রী

শায়খ আহমাদুল্লাহর ‘শরয়ী সমাধান’ ৩০০তম পর্ব পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ আয়োজন

দু’দিনে প্রবল কালবৈশাখী ও অতি বর্ষণে ভূমিধসের সতর্কবার্তা জারি

তারেক রহমানের স্ত্রী প্রীতি নিয়ে ফেসবুকে আলোচনার ঝড়

জাকাতকে হেয় করে বিএনপি নেত্রীর বক্তব্য: শিবির ও খতমে নবুওয়তের প্রতিবাদ

নতুন প্রজন্মের ওপর নির্ভর করছে আগামীর বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা-দিল্লির মধ্যে ‘পুরোদমে’ ভিসা কার্যক্রমে ফেরার উদ্যোগ