হোম > জাতীয়

মানবাধিকার সুরক্ষায় মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিলসহ ৯ দফা সুপারিশ

স্টাফ রিপোর্টার

মানবাধিকার সুরক্ষায় বিদ্যমান আইন সংশোধনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ডের বিধান বাতিল, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান সংশোধনসহ ৯ দফা সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন (বিএইচআরসি)।

রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে কমিশনের পক্ষ থেকে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই সুপারিশ মানবাধিকারকর্মীসহ দেশের ১৭ কোটি মানুষের দাবি। আগামী ৪ সপ্তাহের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকার এ সুপারিশ কার্যকর না করলে মানববন্ধন, অবস্থান ধর্মঘট ও স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি পালন করা হবে।

কমিশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার কাজী রেজাউল মোস্তফার সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কমিশনের ডেপুটি গভর্নর আবু মাসুম ফয়সাল, অ্যাডভোকেট নাসির উদ্দিন, মুক্ত রহমান, সিরাজুল ইসলাম বিপ্লব, বকুল চন্দ্র রায় প্রমুখ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কমিশনের সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. সাইফুল ইসলাম দিলদার।

সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত ৯ দফা সুপারিশে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই একটি নিরপেক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করে বিগত দিনে নিহত, নিখোঁজ (গুম) এবং আহত ক্ষতিগ্রস্ত মানবাধিকারকর্মীদের নামের তালিকা তৈরি ও নির্যাতনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

সুপারিশে আরও বলা হয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের আইন প্রণয়ন করে সাধারণ মানুষ যেন ন্যায়বিচার পেতে পারে এমন কমিশন গঠন,দেশের প্রকৃত ও সিনিয়র মানবাধিকারকর্মীদের কমিশনের সর্বস্তরের কমিটিগুলোতে সম্পৃক্তকরণ, বিগত স্বৈরাচার সরকার এবং কামাল উদ্দিন বাহিনীর হাতে নির্যাতিত মানবাধিকারকর্মীদের উপযুক্ত ক্ষতি পূরণ দেওয়া, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সরাসরি হস্তক্ষেপে ও চাপ দিয়ে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের তিনটি রেজিস্ট্রেশন স্থগিত রয়েছে, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। স্থগিত নিবন্ধনগুলো পুনরায় চালুর লক্ষে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করা। স্বৈরাচার সরকারের দোসর সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং ফরমায়েশি বিচারপতি ও বিচারকদের তালিকা তৈরি করে অবিলম্বে তাদের অপসারণ, যেকোনো মামলার বিচারকার্য ৯০ কর্মদিবসের মধ্যে সম্পন্ন করা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, মানবাধিকারকর্মীদের নির্যাতনের প্রধান নির্দেশদাতা স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, সাবেক আইনসচিব গোলাম সারওয়ার, ডিবি পুলিশ প্রধান হারুন-উর-রশীদ, পুলিশের তেজগাঁও জোনের উপ-পুলিশ কমিশনার, ইন্সপেক্টর মাসুদ রানা, তেজগাঁও থানার ওসি ইন্সপেক্টর অপূর্ব হাসান এবং সর্বোপরি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. কামাল উদ্দিন আহম্মেদ এবং তার পরিষদ ও অফিসে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা মানবাধিকার কর্মীদের নির্যাতনে সরাসরি দায়ী। তাদের বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে পেশাদারিত্বের স্বাক্ষর রাখতে হবে: ত্রাণমন্ত্রী

পিলখানায় হত্যাকাণ্ডের পর নানা অপতথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল

প্রথম বিদেশ সফরে সৌদি যাচ্ছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

রাজধানীকে সন্ত্রাসমুক্ত করার ঘোষণা দুই প্রশাসকের

দুদকের ২৭ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে একযোগে বদলি

তিস্তা প্রকল্পে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে চীন

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সতর্কতা

বন্ধ শ্রমবাজার চালু করা সরকারের অগ্রাধিকার

রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আবারও রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব হলেন সরওয়ার আলম