স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো শক্তিশালী করতে সরকার ব্যাপক ও সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি বলেন, ‘দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোতে সামগ্রিক নিরাপত্তা ইতোমধ্যেই নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে, নিরাপত্তা সেবা আরো উন্নত করতে বাংলাদেশ পুলিশ বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে বাস্তবায়ন করছে।’
আজ সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে নোয়াখালী-৫ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দরের প্রবেশ ও প্রস্থান পথসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে এবং পুরো এলাকায় পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বহু স্তর বিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে এবং যেকোনো নাশকতা প্রতিরোধে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও তথ্য বিনিময়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা সেবা আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
নজরদারি ব্যবস্থার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘চুরি ও ছিনতাই প্রতিরোধে পুলিশি নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
তিনি আরো বলেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে এবং স্ক্যানিং ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, যাতে কোনো নিষিদ্ধ বস্তু বিমানবন্দর এলাকায় প্রবেশ করতে না পারে।
মন্ত্রী জানান, সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিস্থিতি দক্ষতার সঙ্গে সামাল দিতে বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে।
এছাড়া, প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক ব্যাগেজ সিস্টেম চালু, ইমিগ্রেশন কাউন্টার বৃদ্ধি, উন্নত স্ক্যানিং মেশিন স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি ও পুনর্বিন্যাস এবং বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, যাত্রীদের হয়রানি প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি চালু করা হয়েছে এবং যাত্রীদের সহায়তার জন্য বিমানবন্দরে হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে।
এমপি