জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কারণে বাধ্য হয়ে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করেছে সরকার। সোমবার দুপুরে এ কথা বলেন।
অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত কঠিন। জনগণের জীবনমানের কষ্ট লাঘবের অভিপ্রায়ে রাজনীতিতে এসেছি। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে জনগণের যে কষ্ট হবে, এটি আমি উপলব্ধি করি। সে কারণে জনগণের কাছে আন্তরিকভাবে আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।
তিনি বলেন, সরকার উপায়হীন না হলে এমন অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নিতে চাইত না। তবে চলমান সংকট দ্রুত কেটে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম আবারও সমন্বয় করে আগের পর্যায়ে বা তার চেয়েও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
এদিকে জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
আজ সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এই দাবি জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম এখন নিম্নমুখী। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকটে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধের কারণে বেকারত্ব বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে দেশে এক চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে।
জ্বালানি তেলের বাড়তি দাম সোমবার থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে ডিজেলের দাম ১১৫ থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৪৫ থেকে বেড়ে ১৬৫ টাকা করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে জ্বালানি তেলের সর্বোচ্চ দাম।