সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিরাপত্তা উপদেষ্টা
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিকে চলমান প্রক্রিয়ার অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।
পরবর্তী সরকার এসব চুক্তি এগিয়ে না নিলে কি হবে, সে বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন বলেন, এটা হাইপোথিটিক্যাল প্রশ্ন। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া।
সোমবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
কোনো দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হন না, কিন্তু সম্প্রতি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে, এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. খলিল বলেন, দুনিয়ার সব দেশে উড়োজাহাজ প্রতিষ্ঠান নেই।
উল্লেখ্য, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেওয়ার পর ড্রোন কারখানা তৈরি নিয়ে চীনের সঙ্গে জিটুজি চুক্তি, পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান ক্রয়, চীন থেকে জে-১০ সিই যুদ্ধবিমান ক্রয়, ইউরোপীয় কনসোর্টিয়াম থেকে ইউরো ফাইটার টাইফুন যুদ্ধবিমান ক্রয়, দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সাবমেরিন, তুরস্ক থেকে টি-১২৯ অ্যাটাক হেলিকপ্টার, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্ল্যাক হক মাল্টিরোল হেলিকপ্টার, ৬৫০ কোটি টাকায় যুদ্ধজাহাজ বানৌজা খালিদ বিন ওয়ালিদের সক্ষমতা বাড়ানোর মতো কাজগুলো হাতে নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।