হোম > জাতীয়

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা

বাসস

ঠাকুরগাঁও-১ শূন্য আসনের উপনির্বাচনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ছয়জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

মঙ্গলবার জেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বৈধ মনোনীত প্রার্থীদের এই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা হলেনÑবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত ওবায়দুল্লাহ মাসুদ ও মির্জা ফয়সল আমীন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. আবদুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক।

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কেউ আপিল করতে চাইলে আগামীকাল ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত আপিল করা যাবে। আগামী ৬ অক্টোবর আপিল নিষ্পত্তি করা হবে। এছাড়া ৭ অক্টোবর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৮ অক্টোবর প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।

আগামী ২৯ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একটানা এ আসনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ আসনে ভোটার ছিলেন ৫ লাখ ৭ হাজার ২০৩ জন। তবে সম্প্রতি নতুন ভোটার যুক্ত হওয়ায় বর্তমানে এ আসনের মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ১৫ হাজার ৫২৫ জনে।

উল্লেখ্য, ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বর্তমানে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়।

১০টি এয়ারবাস কিনবে বাংলাদেশ, অক্টোবরে চুক্তি

মিজানের গ্রেপ্তার নিয়ে অপপ্রচার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

ভারতে ইলিশ রপ্তানি বন্ধে লিগ্যাল নোটিস

বাংলাদেশ কারো শর্ত বা চাপের মুখে নতি স্বীকার করবে না

হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ব্যক্তিগত স্তরে গড়ে উঠেছে: দীনেশ ত্রিবেদী

হৃদরোগে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে জনসচেতনতা বাড়ানোর তাগিদ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

কাতার এনার্জি নভেম্বর পর্যন্ত এলএনজি দিতে পারবে না বাংলাদেশকে

সাইবার সুরক্ষা আইন তৈরি হলে অপতথ্য অনেকটাই কমে আসবে

বেহেশতের টিকিট বিক্রেতারা সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে

কীটনাশকের ৯৫ শতাংশ আমদানি, স্থানীয় উৎপাদনে সাশ্রয় ৪ হাজার কোটি টাকা