গাজীপুরে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআরটিসি) কেন্দ্রীয় মেরামত কারখানায় নিজস্ব অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনায় প্রস্তুত করা ২টি এসি বাসের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার সকালে সমন্বিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মইনউদ্দিন বলেছেন, এটি কেবল দুটি নতুন বাসের উদ্বোধন নয়- এই সক্ষমতা আমাদের জন্য গর্বের ও অহঙ্কারের।
তিনি বলেন, আমাদের সড়ক ব্যবস্থাপনায় অনেক রকমের বিশৃঙ্খলা রয়েছে। কিন্তু আমাদেরকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। সড়কে শৃঙ্খলা আনতে হবে। এজন্য আমাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে। শৃঙ্খলার জন্য আমরা অনেকগুলো ব্যবস্থা নিয়েছি। বিআরটিসিকে এক্ষেত্রে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে হবে। আমাদের বহরের বাসগুলো যাতে এখানে সংযোজন করতে পারি- সেই সক্ষমতায় যেতে হবে। সক্ষমতা এতোটা বাড়াতে হবে যাতে বাইরের গাড়িও এখানে সংযোজন করা যায়।
বিআরটিসি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লা বলেন, বিআরটিসি কেবল একটি পরিবহন সংস্থা নয় এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় সেবা প্রতিষ্ঠান। গণপরিবহন পরিচালনা ও ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য পরিবহনের পাশাপাশি নিজস্ব প্রশিক্ষণ অবকাঠামো, কারিগরি প্রতিষ্ঠান এবং ওয়ার্কশপের মাধ্যমে বিআরটিসি একটি সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তুলেছে। আজকের এই বাস নির্মাণ কার্যক্রম সেই সমন্বিত সক্ষমতারই একটি বাস্তব উদাহরণ।
বিআরটিসি জানিয়েছে, বর্তমানে বিআরটিসির সদরদপ্তরে স্থাপিত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে বিশাল স্ক্রিনে সারা দেশের প্রতিটি রুটে চলাচলকারী বাস ও ট্রাকগুলোকে ভেহিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহারের মাধ্যমে রিয়েল টাইম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বিআরটিসি বহরকে আরও সমৃদ্ধ করতে চলতি বছরের মধ্যেই কোরিয়া থেকে ৩৪০টি অত্যাধুনিক বাস আমদানির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ভবিষ্যতে নতুন ট্রাক ও কোস্টার বাস যোগ করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে।
এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।