ফেসবুক লাইভে এসে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানের দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে কটূক্তি এবং পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পলিটিক্যাল থিংকারস’ (বিপিটি)।
বিবৃতিতে বিপিটির কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী বলেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার আমলে যখন অধিকাংশ মিডিয়া সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করেছে, সেই সময় গণমানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠেছিল দৈনিক আমার দেশ।
বিবৃতিতে বলা হয়, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ এবং সরকারের মুখপত্র না হওয়ায় সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের ওপর খড়্গ নেমে আসে। লাগাতার মামলা ও হামলার মুখে তাকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয় এবং বন্ধ করে দেওয়া হয় আমার দেশ পত্রিকা।
জুলাই-উত্তর বাংলাদেশে গণমাধ্যমের প্রতি এমন জিঘাংসা প্রকাশ সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত উল্লেখ করে বিবৃতিতে আরও বলা হয়, রাশেদ খান নিজের গঠিত দল গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে বিগত সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জনরায়ে প্রত্যাখ্যাত হন। পরবর্তীতে রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে টক শো ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের চরিত্রহনন ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়নি।
সম্প্রতি আমার দেশ পত্রিকার একটি রিপোর্টকে কেন্দ্র করে তার ভেরিফাইড ফেসবুক লাইভে এসে বরেণ্য সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে কটূক্তি এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় দেশবাসী হতবাক হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।
ইঞ্জিনিয়ার মো. নূর নবী রাশেদ খানের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণকে নিন্দনীয় ও স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তিনি অবিলম্বে রাশেদ খানকে রাজনৈতিক সহকারীর পদ থেকে অপসারণ করে গণমাধ্যমের ওপর বল প্রয়োগের ঘৃণ্য রাজনৈতিক সংস্কৃতি বন্ধ করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান।