সাংবাদিকদের অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী
প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন, যৌক্তিকতা নিশ্চিতের নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকতে হবে বলেও জানান তিনি।
রোববার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, আজকের বৈঠকে মোট ১৭টি প্রকল্প টেবিলে উপস্থাপিত হলেও এর মধ্যে ১৫টি প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং অধিকাংশই শর্তসাপেক্ষে অনুমোদন পেয়েছে।
তিনি বলেন, আলোচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ছয়টি নতুন, সাতটি সংশোধিত এবং বাকি প্রকল্পগুলো বিভিন্ন পর্যায়ে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। কিছু প্রকল্পে ব্যয় বৃদ্ধি ও মেয়াদ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় সেগুলোও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, চলমান ও প্রস্তাবিত সব প্রকল্পকে সরকার গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করছে। যেসব প্রকল্প ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে, সেগুলোর অগ্রগতি, ব্যয় ও সময়সীমা পুনর্মূল্যায়ন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা যাচাই করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অত্যন্ত স্পষ্ট। ব্যয়ের ক্ষেত্রে সাশ্রয়ী হতে হবে, প্রতিটি খাতে ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকল্পগুলো জনগণের জীবনে বাস্তব উন্নয়ন বয়ে আনবে কিনা তা বিবেচনায় নিতে হবে। পাশাপাশি সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ও উন্নয়ন পরিকল্পনার সঙ্গে প্রকল্পগুলোর সামঞ্জস্য থাকতে হবে।
প্রকল্প বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিলম্বের কারণ খতিয়ে দেখতে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প প্রস্তাবের ওপর বিস্তারিত পর্যবেক্ষণ চলছে এবং সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, একদিকে প্রকল্পগুলো পর্যালোচনা ও যাচাই চলছে, অন্যদিকে উন্নয়ন কার্যক্রমও এগিয়ে নিতে হচ্ছে। ফলে এ দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখে কাজ করার চেষ্টা করছে সরকার।
জ্বালানি সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে জ্বালানি সংকট বিষয়ে কোনো নির্ধারিত আলোচনা হয়নি।