মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিপুলসংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ৯ দিনে ৩০০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রোববার বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
তবে আজ রোববার স্বল্প পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে ৩৬টি ফ্লাইট । ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়ায় এসব দেশের গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনায় বড় ধরনের বিঘ্ন তৈরি হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ কাউছার মাহমুদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
জানা গেছে, পরিস্থিতির কারণে গত ৯ দিনে ৩০০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি বাতিল হয় ২৩টি ফ্লাইট। পরদিন ১ মার্চ বাতিল হয় ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি এবং ৩ মার্চ ৩৯টি ফ্লাইট। এ ছাড়া ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি এবং ৭ মার্চ ২৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
রোববার বাতিলকৃত ফ্লাইটের মধ্যে রয়েছে , কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, জাজিরা এয়ারওয়েজের ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ৬টি, গালফ এয়ারের ২টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনসের ৪টি, ফ্লাই দুবাইয়ের ২টি এবং সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ২টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এছাড়াও রোববার স্বল্প পরিসরে মধ্যপ্রাচ্যরুটে পরিচালিত ফ্লাইটসমূহের মধ্যে রয়েছে ৩৬টি ফ্লাইট। এগুলো হলো মাসকটে ৬টি, কুয়েতে ১৬টি, ইউএই তে ১৪টি।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে বিপাকে পড়েছেন হাজারো যাত্রী, বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যগামী প্রবাসী কর্মীরা। অনেক যাত্রীর ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে, আবার কেউ কেউ দীর্ঘ সময় ধরে বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ধীরে ধীরে ফ্লাইট পরিচালনা স্বাভাবিক হয়ে আসবে।