ঈদুল ফিতর উপলক্ষে
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নির্বিঘ্ন নৌযাত্রা নিশ্চিত করতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাটে) অতিরিক্ত যাত্রী চাপ কমানো এবং যাত্রীদের বিকল্প নৌপথে সহজ যাতায়াতের সুবিধার্থে এবছর বছিলা ব্রীজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট (ব্রীজের নিচে) এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রীজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আগামী ১৭ মার্চ ২০২৬ তারিখ হতে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি লঞ্চ বিশেষ সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে।
ঈদের পূর্বে বছিলা লঞ্চঘাট (ব্রীজ সংলগ্ন/ব্রীজের নিচে) থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি
সকাল:
১.বছিলা–সদরঘাট–হাকিমুদ্দিন : ০৭০০ ঘটিকা (এমভি টিপু লঞ্চ) : এম-১৫০৪৩
২.বছিলা–সদরঘাট–শরীয়তপুর : ০৮৩০ ঘটিকা
(এমভি ইমাম হাসান-৫ লঞ্চ) : এম-০১-১৩৩৬
৩.বছিলা–সদরঘাট–চাঁদপুর : ১১০০ ঘটিকা
(এমভি ঈগল-৪ লঞ্চ) : এম-৯৮৮০
দুপুর:
৪. বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা : ১২০০ ঘটিকা
(এমভি টিপু-৬ লঞ্চ) : এম-১৫০৯৩
৫.বছিলা–সদরঘাট–গলাচিপা : ১৩৩০ ঘটিকা
(এমভি বোগদাদীয়া-১২ লঞ্চ) : এম নং-৬৬৬২
(এমভি শরিয়তপুর-৩ লঞ্চ) : এম নং-৭২২৪
বিকাল:
৬. বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা : ১৭৩০ ঘটিকা
(এমভি ইয়াদ-১ লঞ্চ) : এম নং-০১-২৫৫০
শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট (পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রীজ সংলগ্ন) থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি
সকাল:
১. শিমুলিয়া–চাঁদপুর : ০৮০০ ঘটিকা
(এমভি সমতা এন্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস লঞ্চ) : এম-৭০৪৮
২. শিমুলিয়া–চাঁদপুর : ০৯০০ ঘটিকা
(এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১ লঞ্চ) : এম-৬৮৫৯
৩. শিমুলিয়া–বরিশাল : ০৮০০ ঘটিকা
বরিশাল–শিমুলিয়া : ১৯০০ ঘটিকা
(এমভি রাজারহাট বি লঞ্চ) : এম-০১-২৪৫০
এর পাশাপাশি ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) এলাকায় প্রবীণ ও মহিলা যাত্রীদের ব্যবহার্য মালামাল/ব্যাগ (ব্যবসায়িক পণ্য ব্যতীত) বহনের জন্য আগামী ১৭ মার্চ ২০২৬ হতে ২৮ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত ১২ দিন টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি/পোর্টার সেবা প্রদান করা হবে।
একই সময় অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য ঢাকা নদী বন্দর (সদরঘাট) ও বরিশাল নদী বন্দরে হুইল চেয়ার সেবাও প্রদান করা হবে।
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে যে, গৃহীত এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এ লক্ষ্যে যাত্রীসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হচ্ছে।