হোম > জাতীয়

মহামারি প্রস্তুতির পাশাপাশি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ার আহ্বান বাংলাদেশের

বাসস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় পূর্বানুমানযোগ্য ও টেকসই অর্থায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি শক্তিশালী, স্বনির্ভর, সমতাভিত্তিক ও সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার বিকেলে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত ‘মহামারি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে বাংলাদেশের এ বার্তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস. এম. জিয়াউদ্দিন হায়দার।

সভায় তিনি মহামারি প্রস্তুতিকে শুধু জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার ব্যয় হিসেবে না দেখে মানবনিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, মহামারি প্রস্তুতির জন্য সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, বহুপক্ষীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি খাত, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও কমিউনিটির মধ্যে কার্যকর সমন্বয় অপরিহার্য।

বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার তুলে ধরে ড. হায়দার প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও প্রতিরোধমূলক সেবা শক্তিশালীকরণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রোগ নজরদারি ও ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য জনবল শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্ব দেন।

তিনি আরো বলেন, আরো কার্যকর, সমতাভিত্তিক ও সহনশীল স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহারে বাংলাদেশ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।

বৈশ্বিক মহামারি প্রতিরোধে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে ড. হায়দার বলেন, সমতা, সংহতি, অভিন্ন দায়িত্ব ও সম্মিলিত কার্যক্রমের ভিত্তিতে একটি বৈশ্বিক মহামারি প্রস্তুতি কাঠামো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী ও অন্যান্য সদস্যরাষ্ট্রের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে প্রস্তুত।

‘সমতা ও সংহতির নীতির ভিত্তিতে মহামারি ও জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি প্রতিরোধ, প্রস্তুতি ও মোকাবিলায় বহুপাক্ষিক ও আন্তঃপ্রজন্মভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি জোরদার করা’-- এই প্রতিপাদ্য নিয়ে উচ্চপর্যায়ের সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

বক্তব্যের সমাপনীতে ড. হায়দার বলেন, পরবর্তী মহামারি থেকে কোনো দেশই এককভাবে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে না। একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে প্রতিটি দেশের নিজস্ব স্বাস্থ্যব্যবস্থায় বিনিয়োগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরো জোরদার করতে হবে।

তিনি বলেন, এর মাধ্যমে পরবর্তী জনস্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বকে সম্মিলিতভাবে আরো ভালোভাবে প্রস্তুত করা সম্ভব হবে।

এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক

আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

‘বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের মধ্যাহ্নভোজ বৈঠক

স্যাটেলাইট প্রযুক্তি উন্নয়নে বিএসসিএল-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা

কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক

ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ডিএমপি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের বৈঠক অত্যন্ত ফলপ্রসূ: মাহ্দী আমিন

ইসলামি প্রকাশনা খাতকে বিতর্কিত না করার আহ্বান প্রকাশকদের

স্বাধীন ফিলিস্তিনের পক্ষে অবিচল বাংলাদেশ