বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জীবন রক্ষাকারী খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা বন্ধ না করে অব্যাহত রেখেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এজন্য প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তারা রোববার বিকালে রোহিঙ্গা সমস্যাবিষয়ক প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে দেখা করেন এবং তাকে এ বিষয়ে অবহিত করেন।
এর আগে গত সোমবার ৯০ দিনের জন্য বিদেশে সহায়তা স্থগিত রাখতে নির্বাহী আদেশ জারি করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর বিশ্বজুড়ে এ ধরনের প্রায় সব সহায়তা স্থগিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এর আওতামুক্ত রয়েছে মিত্র দেশ ইসরায়েল এবং মিসর। এ দুই দেশে জরুরি খাদ্য ও সামরিক সহায়তার কাজ অব্যাহত থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, বিদেশে সেসব খাতেই তারা ব্যয় করবে, যা আমেরিকাকে সুরক্ষিত, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করবে। ওই বার্তায় বলা হয়, প্রতিটি নতুন চুক্তি পর্যালোচনা ও অনুমোদনের ক্ষেত্রে নতুন কোনো তহবিল বিবেচনা করা হবে না। সাময়িক স্থগিতাদেশ কমপক্ষে তিন মাস স্থায়ী হবে বলে জানিয়েছেন রুবিও। আশা করা হচ্ছে আগামী ৮৫ দিনের মধ্যে বিদেশি সহায়তার বিষয়গুলো রিভিউ করা হবে। তারপর সহায়তা কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া, সংশোধন বা বন্ধ করা হবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির অংশ হিসেবেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।