হোম > মতামত

মাথায় তোলা না কি আছাড়ের প্রস্তুতি

মিনার রশীদ

আজকের লেখাটির মদত পেয়েছি একজন পাঠকের মন্তব্য থেকে! ওই বিজ্ঞ পাঠক আমার সাম্প্রতিক কোনো স্ট্যাটাসের মন্তব্য কলামে লিখেছেন, ‘আজকে মাহমুদুর রহমান সাহেবের বক্তব্য ও তারেক রহমানের জবাব বিষয়ে আপনার মন্তব্য জানতে চাই। অবশ্য মাহমুদুর রহমান সাহেবের চালাকির সমালোচনা করতে পারবেন না। পরের দিন থেকে তার পত্রিকায় আপনার লেখা ছাপা হবে না।’

আমার জানা মতে, দেশের মধ্যে এখনো অনেকেই আছেন, যারা এই দুই রহমানকেই পছন্দ করেন! দেশের রাজনীতি এবং সাংবাদিকতার এ দুই দিকপালের সঙ্গেই আমার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে। একমাত্র অলিউল্লাহ নোমান ভাইকে ছাড়া কাগজটির বাদবাকি চার-পাঁচজন টপ সাংবাদিক বিএনপির বলয়ের বলেই জানি। তাদের লেখায় তারা সরাসরি বিএনপির প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পিছিয়ে থাকেন না! তবে তাদের নুনের মতো ভালোবাসার সঙ্গে আলো-স্টারদের শরবতের মতো ভালোবাসার একটা পার্থক্য থাকতেই পারে!

লেখালেখি আমার পেশা নয়, নেশাও নয়। মনের একটা তাগিদ থেকেই লিখে থাকি! তবে আমি স্রোতের সঙ্গে বা চিন্তার ফ্যাশনকে অনুসরণ করি না। নিজের বিবেকের কাছে স্পষ্ট হলে তা বলতে দ্বিধা করি না।

বিএনপির আশপাশে একটা অলিখিত সাবধানবাণী ছড়িয়ে আছে। তারেক রহমান এখন নাকি মাহমুদুর রহমান এবং জামায়াতের নামই শুনতে পারেন না। এটা জেনেও এসব নাম আমি রহমানের কাছে নিয়েছি, কয়েকদিন আগেও তা করেছি, জাতীয় সরকারের কথা বারবার বলছি । কারণ আমার বিবেকের রেডারে বা উপলব্ধিতে ধরা পড়েছে যে জাতির জন্য এটা জরুরি! আমাকে যারা ভালোবাসেন তারা এ কারণেই ভালোবাসেন, আর যারা ঘৃণা করেন তারাও এ কারণেই করেন! টপ নেতৃত্ব থেকে ডিসকানেকশনের কিংবা পত্রিকা থেকে লেখা না ছাপানোর ভয় আমার খুব একটা নেই!

তারেক রহমান দেশে প্রত্যাবর্তনের পরপরই মাহমুদ ভাইয়ের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার পরামর্শ দিয়েছিলাম! ওনার কাছে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজে লিখেছিলাম, ‘নিজের সমালোচককে ভক্ত বানিয়ে এ রকম বরফ গলানোর কাজ আপনার বাবা (শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান) অনেক করেছেন! এভাবেই কিন্তু উনি সফল হয়েছিলেন, শত্রু কমিয়ে সুহৃদ বাড়িয়েছিলেন!’

সেদিনের সেই মতবিনিময় সভায় আমার দেশ সম্পাদকের কিছু প্রশ্ন টক অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে! আমার দেশ-এর সম্পাদক দুটি বিষয় উল্লেখ করেছেন। প্রথমটি হলোÑফ্যাসিবাদী সময়ে কয়েকজন নিপীড়িত সাংবাদিকদের নাম ও ঘটনা উনি ছাড়া কেউ উচ্চারণ করবেন না। তিনি মূলত ক্যানসার আক্রান্ত সাংবাদিক রুহুল আমিন গাজী ভাইয়ের জেলখানায় বিনাচিকিৎসায় মৃত্যু, আওয়ামী গুন্ডাদের হাতে সংগ্রাম সম্পাদকের নাজেহাল এবং পরে দীর্ঘসময় জেলে থাকা এবং শফিক রেহমানের জেলে থাকাবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন! তার প্রথম কথাটি অত্যন্ত তিক্ত হলেও সত্য।

তবে দ্বিতীয় দাবিটিরও দুটি অংশ রয়েছে, যার মধ্যে প্রথম অংশটি বোধহয় পুরোপুরি সঠিক নয়! কারণ স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় শেখ মুজিবের অনুপস্থিতি এবং গত ১৭ বছর তারেক রহমানের শারীরিক অনুপস্থিতি হুবহু এক নহে! মুজিবের সেই ৯ মাস আমাদের ইতিহাসের একটি রহস্যময় ব্ল্যাক বক্স হিসেবে রয়ে গেছে। প্রকারান্তরে তারেক রহমানের ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনেও ডিজিটাল যোগাযোগ তাকে দেশবাসী থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন করতে পারেনি!

মাহমুদুর রহমানের মন্তব্যের জবাবে তারেক রহমানের জবাবটিও চমৎকার হয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘গত ১৭ বছরে যা ঘটেছে, যারা দেশে ছিলেন তারা আমার থেকে অবশ্যই ভালো জানবেন। তবে আমি একদম যে জানি না, বিষয়টি তা নয়।’

কারণ টেকনোলজিক্যাল উন্নতির বর্তমান সময়ে কয়েক হাজার মাইল দূর থেকেও আমরা প্রতি মুহূর্তের খবর পাচ্ছি। তারেক রহমান ২০০৮ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত পার্টির দ্বিতীয় প্রধান নেতা হিসেবে এবং ২০১৮ থেকে দেশে আসার আগ পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে পার্টির পুরো দায়িত্ব পালন করেছেন! দেশে থাকতে তিনি বলতে গেলে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন সফর করেছেন। বিদেশে বসেও ভার্চুয়ালি তিনি এই যোগাযোগটি অব্যাহত রেখেছেন। এই যোগাযোগ তার শারীরিক উপস্থিতির বিকল্প হিসেবে কাজ না করলেও তার অনেকটা মিটিয়েছে!

কাজেই শেখ মুজিব যেখানে শুধু তার স্ত্রীর কাছ থেকে কয়েক লাইনের টেলিগ্রাম পেতেন, ‘আমরা সরকার থেকে ভাতা ঠিকমতোই পাচ্ছি। তুমি আমাদের নিয়ে চিন্তা কইরো না।’ কিংবা ‘হাসুর পুত্রসন্তান হইয়াছে। আর্মি মাশাল্লাহ অনেক যত্ন নিয়েছে! তোমার বাবাকেও হেলিকপ্টারে করে চিকিৎসা দিয়েছে!’ এ রকম দু-একটা গৃহস্থালি টেলিগ্রাম ছাড়া আর কিছুই তিনি পেতেন না! সেখানে তারেক রহমান তার ইউনিয়ন লেবেলের নেতাকর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ মেইনটেইন করতেন।

২০১৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত সপ্তাহে গড়ে একটি মেসেজ আমিও দিয়েছি! উনি তার প্রত্যেকটি মেসেজ কিছুক্ষণের মধ্যেই সিন করেছেন এবং অনেকগুলোর জবাবও দিয়েছেন। আমাদের এক বড় ভাই ওনার সঙ্গে দেখা করতে গেলে জানান, আজ সকালে উঠে দেখি আটশ মেসেজ ইনবক্সে জমা হয়ে আছে!’ কমপক্ষে আঠারো ঘণ্টা ওনাকে অনলাইনে অ্যাকটিভ দেখেছি! ওনার কাছাকাছি যারা ছিলেন তারা বিষয়গুলো আরো ভালো করে জানেন।

তবে আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় মাহমুদ ভাইয়ের দ্বিতীয় বক্তব্যের দ্বিতীয় অংশটি এখানে প্রণিধানযোগ্য। এখানে শুধু শারীরিকভাবে অনুপস্থিত নেতা নহেন, শারীরিকভাবে উপস্থিত অনেক নেতাও দেশের বাস্তব পরিস্থিতি আঁচ করতে পারেন না। নেতা এবং জনগণ কিংবা নেতা এবং বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে একটা অদৃশ্য পর্দা সৃষ্টি হয়ে যায়। মাহমুদ ভাই সম্ভবত এটিই বলতে চেয়েছেন! শেখ হাসিনাকে আগস্টের ১ বা ২ তারিখে জনৈক চামচা বলেছিলেন, ‘নেত্রী চিন্তা করবেন না, দেশের ব্যবসায়ী সমাজ এবং ২০ কোটি মানুষ নেত্রী আপনার সঙ্গে আছে!’ সেই একই চামচাদের কয়েকজনকে তারেক রহমানে পাশে ঘেঁষার প্রচেষ্টা দেখে মাহমুদ ভাইয়ের তুলনামূলক চড়া মেজাজ আরেকটু চড়া হলে তাকে খুব একটা দোষ দেওয়া যায় না!

কারণ সেই অনুষ্ঠানে কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তির বিশিষ্ট কাজ-কারবার দেখে আড়াই হাজার মাইল দূর থেকে আমার তুলনামূলক শীতল মেজাজটিও খানেকটা গরম হয়ে গিয়েছিল!

৫ আগস্টের পর কালের কণ্ঠ সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন পালানোর পর যোগ দিয়েছেন জাতীয়তাবাদী এক কবি! এ যেন এক রাজকবির জায়গায় অন্য এক রাজকবির আসন গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তাদের ওপর বিরাট দায়িত্ব বর্তেছেÑঅলিগার্কদের সঙ্গে রাজপ্রাসাদের যোগাযোগটি করিয়ে দেওয়া! এই কবি কাম সম্পাদক আবার তারেক রহমানকে এ রকম আয়োজন রেগুলার করার পরামর্শ রেখেছেন! তাতে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী নাকি দেশ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে পারবেন! একই পরামর্শ আরো কয়েকজন রেখেছেন।

আগে চুন খেয়ে জাতির মুখ পুড়েছেÑএখন হয়তোবা দই দেখেও ভয় লাগছে! কারণ এই দইটি ভক্ষণ করা খুব জরুরি নহে। এ রকম দই খাওয়া ছাড়াও পৃথিবীর অনেক প্রধানমন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট জনগণকে ভালোভাবেই দেখভাল করছেন! দেশের প্রকৃত পরিস্থিতি যদি একজন প্রধানমন্ত্রী আসলেই জানতে চান, তবে তার কাছে আরো অনেক উপায় মজুত রয়েছে!

সুধীজনদের সঙ্গে এ রকম সমাবেশ বছরে দু-একবার হতে পারে, যেখানে অন্যদের সঙ্গে সাংবাদিকরাও থাকতে পারেন! কিন্তু হাসিনার স্টাইলে এ রকম ঘটা করে নবরত্নদের সমাবেশের আদৌ প্রয়োজন নেই! হাসিনার নবরত্ন সভা থেকে নিজেদের ভিন্নভাবে দেখানোর জন্য কেউ হয়তোবা বলবেন, ‘মহামান্য প্রধানমন্ত্রী, আমরা জানি আপনাকে কেউ তেল দিতে পারবে না।’ মুশকিল হলো, এই কিসিমের সুন্দর কথা দিয়েও তেল মারার কাজটি সম্পন্ন হয়ে যায়।

তাছাড়া আমাদের কবি-সাহিত্যিকরা যেভাবে চিহ্নিত অলিগার্কদের কোলে চড়ে বসেছেন, তাতে প্রধানমন্ত্রীর এই কিসিমের ঘন ঘন পরশ কার স্বার্থে কাজে লাগবে, তা সহজেই অনুমেয়। এ রকম দাঁড়ানোর একটু জায়গা পেয়ে হয়তো সেই একই অলিগার্ক নতুন প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে নিবেদন করবেন, আবার সেই অজর অমর সেই কবিতাখানিÑ‘প্রথমত আমি তোমাকে চাই/দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই/তৃতীয়ত আমি তোমাকে চাই/শেষ পর্যন্ত তোমাকে চাই’।

কাজেই অলিগার্কদের চ্যানেল থেকে এই সুর, এই পরামর্শ মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে! প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এ রকম সংবাদ সম্মেলনের আদৌ প্রয়োজন নেই। তার চেয়ে দলের একজন স্পোক- পারসন দলের এবং সরকারের মন্তব্য রেগুলারলি সাংবাদিকদের জানাতে পারেন। সেখানে বরং সাংবাদিকরা জনগণের মনে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাব দলীয় স্পোক-পারসনের মুখ থেকে জানতে পারবেন! পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোর সরকাররাও এই পদ্ধতি অনুসরণ করেন।

এরপর এরপর পুরো হলকে সজাগ করে মানবজমিন সম্পাদক জানালেন, আমি তেইশ বছর আগে এক তারেক রহমানকে চিনতাম। সেই তারেক রহমান অনেকখানি বদলে গেছেন। পুরো বদলে গেছেন। এই মতি ভাইও এখন উগ্রবাদের গন্ধ পাচ্ছেন! কথিত উগ্রবাদের এসব কথা এখন মতি-মাহফুজের মুখ থেকে বের করলে কাজ হবে না। একজন নতুন মতি ভাই দরকার। সেটাও পেয়ে গেছি! সবকিছু দেখে আমার মনে হলো পুরো ‘তারেক রহমান বশীকরণ’ মিশনটিতে অনেক মগজ খরচ করা হচ্ছে। কে কোন কথা বলবেন, তাও অনেক ভেবেচিন্তে ঠিক করা হয়েছে!

এখন প্রশ্ন, তারেক রহমান কি আসলেই বদলে গেছেন? কী বদলেছেন? কতটুকু বদলেছেন?

কথিত হাওয়া ভবনের সেই কল্পিত ভিলেনই কি এখন পরিবর্তিত মহানায়ক তারেক রহমান? এই মতি ভাই তো সেটাই বলে গেলেন এবং তার একটা নীরব সম্মতি বিএনপির কাছ থেকেও আদায় করে নিলেন! ‘তারেক রহমান পরিবর্তিত হয়ে গেছেন’ এই বয়ান গেলাতে পারলেই কেল্লা ফতে! এখন আলো-স্টারের সমস্ত প্রোপাগান্ডাও সত্য বলে এন্ডোর্সড হয়ে গেল! আলো-স্টারের জন্য তো এ বয়ানই দরকার। আগে খারাপ ছিলেন, এখন পরিবর্তিত হয়ে ভালো হয়ে গেছেন!

অন্যদিকে দেখেন, যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমান বিএনপির প্রতি, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি এবং তারেক রহমানের প্রতি ওনার ভালোবাসা এবং সমর্থন গোপন করেননি। স্বতঃস্ফূর্তভাবে তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বের ব্যাপারে অনেক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু ঘুণাক্ষরেও উনি উগ্রবাদের গন্ধ পাননি। এটাই বিএনপি এবং তারেক রহমানকে নিয়ে মতিউর রহমান চৌধুরী এবং শফিক রেহমানের মধ্যে পার্থক্য। যতই জটিল পরিস্থিতি হোক তারেক রহমানকে মাথা ঠান্ডা রেখে এই পার্থক্যটুকু অনুধাবন করে পেছনের মতলবটুকু উপলব্ধি করতে হবে।

মতি-মাহফুজ জুটির মধ্যে শুধু মাহফুজ কথা বলেছেন। তিনি আজ ঘুণাক্ষরেও রাজনীতি কিংবা তার প্রিয় বিষয় জঙ্গিবাদ নিয়ে কথা বলেননি। সেই কাজটি করেছেন ক্লিন ও নিরপেক্ষ ইমেজের মতিউর রহমান চৌধুরী। মাহফুজ আজ পরিবেশ, পানি ও বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে কথা বলেছেন। বিষয়টি তারেক রহমানের কতটুকু প্রিয়, সেটিও বক্তৃতার মাঝখানে তারেক রহমানের রেসপন্স দেখে বোঝা গেল!

এই দৃশ্যটি দেখে আমার শাহরুখ খানের একটি সিনেমার দৃশ্য মনে পড়ে গেল! সিনেমার নামটি মনে নেই। কারণ আমি জীবনে কম হিন্দি সিনেমা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখেছি। সেই দৃশ্যটি ছিল এ রকমÑনায়িকার বাবা মানুষের প্রতি পাষাণ হলেও পশুপাখিদের প্রতি বিশেষ প্রেম রাখেন। তিনি অনেক কবুতর পালেন এবং নিজ হাতে খাবার খাওয়ান! এখন নায়ক হবু শ্বশুরের (লোকটি নামকরা ভিলেন ছিলেন) মন গলাতে কবুতর প্রেমিক হয়ে কবুতরকে খাওয়ানো শুরু করেন। নিজের মতোই এক পাখিপ্রেমিক ছেলেকে দেখে খুশি হয়ে পড়েন সেই নায়িকার বাবা ! জানি নাÑরাজনীতি এবং উগ্রবাদ ছেড়ে মাহফুজের হঠাৎ এই প্রকৃতিপ্রেম এবং শাহরুখ খানের কবুতর প্রেমের মধ্যে কোনো সম্পর্ক আছে কি না।

এসব দেখেই জোর সন্দেহ হচ্ছেÑসব মতিউর মিলে তারেক রহমানকে মাথায় তুলছেনÑসামনের কোনো শুভ মুহূর্তে আছাড় মারার জন্য নয়তো?

তাছাড়া ওনারা যখন তথাকথিত উগ্রবাদ মোকাবিলায় তারেক রহমানকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন, তখন দেশবাসীর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক। কাজেই এই মতিউররা বিএনপির জন্য এসেট হচ্ছে নাকি লায়াবিলিটিজ বিএনপির নেতৃত্ব তা একটু স্মরণে রাখলে ভালো হয়!

লেখক: কলামিস্ট

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রেফারেন্ডাম ও ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার

মানবাধিকার নিশ্চিতে নির্বাচনি অঙ্গীকার

যুক্তরাষ্ট্র-যুক্তরাজ্য বনাম তুর্কি নাগরিকের গল্প

ভারতে মুসলিমবিদ্বেষের নগ্ন দৃষ্টান্ত

লাতিন আমেরিকা কেন ট্রাম্পের টার্গেট?

ওসমান হাদির রাজনৈতিক বন্দোবস্ত

সেক্যুলার বুদ্ধিজীবী এবং রাজনীতির সংকট

আগ্রাসনের ভাষা ও উগ্র রাজনীতি

পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান জেএফ-১৭ কেনার কৌশলগত গুরুত্ব

বাংলাদেশপন্থার রাজনীতি ও ভারত