মাদকাসক্ত ভয়ংকর কিশোর গ্যাং এখন আমাদের লিভিং স্পেসের নিয়মিত ঘটনা। দেশের যুব-কিশোরদের সম্পদ বানিয়ে সমৃদ্ধির পথে রাষ্ট্র উড়াল দেবে—এমন আশার বিপরীতে আমরা ক্রমাগত সেঁধিয়ে যাচ্ছি অন্ধকার গহ্বরে। দুর্বৃত্ত কিশোর গ্যাং এবং তাদের বড় ভাইদের পৌঁছ ছড়িয়েছে আমাদের কল্পনা, রটনা বা ঘটনার সীমানার অনেক বাইরে। গলিতে গলিতে ওরা এবং নির্বাক ভীত-সন্ত্রস্ত নাগরিক সমাজ। আইন-বেআইনের শাসন তাদের কবজায়।
আপনি কোন জমি, দালান, ফ্ল্যাট, প্রতিষ্ঠান দখলে নিতে চান, কাউকে তাড়াতে চান বা কাউকে শিক্ষা দিতে চান, খুন করাতে চান—তাহলে অগণিত কিশোর গ্যাং আছে আপনার আশপাশে। সঙ্গে লাগবে স্থানীয় প্রভাবশালীদের এবং পুলিশের একটু মদত। কয়েক দিনে অপ্রতিমের খুন, মিরপুরে রাড্ডা ক্লিনিক গুঁড়িয়ে দেওয়া, ইসিবি এলাকায় নিউ গিনি প্রপার্টিজ আবাসন প্রকল্পে হামলা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর, মোহাম্মদপুরে চাঁদ উদ্যানে ভাঙচুর ও লুটপাট, রাজধানীর আদাবরে শ্যামলী হাউজিংয়ের বহুতল ভবন দখলের অপচেষ্টা—এসব ঘটনায় মানুষ চরমভাবে আতঙ্কিত এবং সরকারও উদ্বিগ্ন। ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, বুলডোজার—এসবের দরকার হচ্ছে না দখলের জন্য, দালান গুঁড়িয়ে ফেলার জন্য। প্রশ্ন হচ্ছে, সবার আগে বাংলাদেশকে নিয়ে যেতে যে যুবসমাজের ওপর ভরসা করছি, এরা কি তারা? আন্দোলনে-অভ্যুত্থানে যারা অংশ নিয়েছে বা বিদ্যার্জনে মগ্ন সেই কিশোর-তরুণ, তারা কোথায়? সংখ্যালঘিষ্ঠ?
ঘুরেফিরে যেন বাংলাদেশে রাজনীতি, সমাজনীতি ও অর্থনীতিতে একটি দুষ্টচক্রের ধাঁচা তৈরি হয়েছে। এ থেকে বেরোনোই যাচ্ছে না। কদিন পর হয়তো শুনব, মাদক কারবার, চোরাচালান, দঙ্গলবাজি একটা পেশা। এতে হাত দিলে বহু তরুণ বেকার হয়ে যাবে! গণঅভ্যুত্থান-বিপ্লব, দলীয় রাজনীতি, নির্বাচন ইত্যাদির মধ্য দিয়ে সাবেকি বন্ধনগুলো বদলে যায় বটে, কিন্তু পুরোনো বন্ধনের অভ্যাসগুলো টিকে থাকে। এই দ্বন্দ্বে রাজনীতির উপরিতলে নামে ধূসর ছায়া। আড়ালেই চলে ওই হিংস্র ধ্বংসযজ্ঞ। এখন দেশজুড়ে চলছে কিশোর অপরাধী পাকড়াও অভিযান। ওরা জেলে যাবে, আবার বের হয়ে আসবে আরো ভয়ংকর হয়ে। এদের সম্পর্কে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে পোষিত ‘সমবেত নির্জ্ঞান’র (collective unconscious) মূল্য দিচ্ছে সবাই।
রূপকল্প ২০৩০
দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ২০১৬ সালের ১০ মে বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধী নেত্রী হিসেবে এক ঐতিহাসিক দলিল উপস্থাপন করেছিলেন। ‘রূপকল্প বা ভিশন ২০৩০’ শীর্ষক বক্তব্যে জাতির সামনে এক চমৎকার স্বপ্ন উপহার দিয়েছিলেন। অনেক করণীয় পেশের পাশাপাশি তিনি বিশেষভাবে বলেছিলেন, জনমিতিকভাবে বাংলাদেশ এক ক্রান্তিকালে রয়েছে। বর্তমান বাংলাদেশে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সি জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৬৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ সিংহভাগ জনগোষ্ঠী কর্মক্ষম বয়সের মধ্যে পড়ে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এর বিশাল তাৎপর্য রয়েছে। এ ধরনের সুযোগ একটি জাতির জীবনে একবারই ঘটে। জনমিতিক ক্রান্তি থেকে উদ্ভূত সুবিধা গ্রহণ করতে পেরেছিল বলেই দক্ষিণ কোরিয়া আজ উন্নত রাষ্ট্র। নাইজেরিয়া পারেনি বলে সম্পদশালী হওয়া সত্ত্বেও দারিদ্র্যে নিমজ্জিত। তিনি উল্লেখ করেন, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ২০২৫ সালে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা হবে ৭ কোটি ৮০ লাখ, যা ২০১০ সালে ছিল ৫ কোটি ৬৭ লাখ।
প্রতিবছর ২২ লাখ মানুষ কর্মবাজারে ঢোকে। চাকরি পায় মাত্র ১০ লাখ। বাংলাদেশকে একটি উন্নত, মর্যাদাশীল জাতি হতে হলে জনমিতিক ক্রান্তিকালের লভ্যাংশ অর্জনের বিকল্প কিছু নেই। জনমিতিক লভ্যাংশ আদায়ই হবে বিএনপির অন্যতম অগ্রাধিকার।
খুনি শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদী শাসনে দেশ তছনছ হয়ে যায়। তখন বেগম জিয়ার ওই দলিল ছিল জাতির মুক্তি সনদ। জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি তরুণ—এই তথ্য জানিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. ইউনূসও তরুণদের অগ্রযাত্রার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছিলেন। তরুণদের করা জুলাই বিপ্লবের জন্য লন্ডনের ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ সাময়িকী বাংলাদেশকে বর্ষসেরা দেশ হিসেবে অভিহিত করেছিল। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার প্রয়োজনীয় সংস্কার করে যেতে পারেনি, বরং এক ধরনের মব সংস্কৃতি বা দঙ্গলবাজিকে উৎসাহ দিয়ে গেছে।
৩১ দফা
বর্তমান নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ফ্যাসিবাদে পচে যাওয়া রাষ্ট্রকে মেরামতের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১৩ জুলাই জাতির সামনে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের রূপরেখা ৩১ দফা পেশ করেন। ওই ঐতিহাসিক দলিলে বলা হয়, এই ৩১ দফা রূপরেখা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ঘোষিত ১৯ দফা, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ঘোষিত বিএনপির ভিশন ২০৩০ এবং দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত ২৭ দফা কর্মসূচির আলোকে যুগপৎ আন্দোলনে শরিক সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে সংশোধিত ও সম্প্রসারিত রূপে প্রণীত। রূপরেখার ‘আধুনিক যুগোপযোগী যুব উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক উপশিরোনামে উল্লেখ করা হয়, ‘যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করিয়া ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’Ñঅর্থাৎ জনমিতিক সুবিধা আদায়ের লক্ষ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও পুষ্টির উপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়া মানব সম্পদ উন্নয়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করা হইবে। দলিলের ২৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘চাহিদা ও জ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম জনগোষ্ঠী গড়িয়া তোলা হইবে। এই পরিকল্পনায় কোনো দ্বিমত নাই। জনমিতিক ক্রান্তির সুবিধা গ্রহণের এই মাহেন্দ্রক্ষণে একজন তরুণকে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে পেয়েছি। এটা সুবর্ণ সুযোগ এবং তার যোগ্যতা এবং স্বপ্নপূরণের সইচ্ছা দৃশ্যমান।’
কিশোর অপরাধী
ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন, কোটা আন্দোলন, জুলাই বিপ্লবে অংশ নেওয়া ছাত্রদল, ছাত্রশিবির, বামপন্থি ছাত্র সংগঠন, অপরাজনৈতিক ছাত্রসমাজের ছবি আমাদের ভরসা জোগায়। দেশকে নতুন এবং নৈতিক বন্দোবস্তে নিয়ে যাওয়া তাদের লক্ষ্য। কিন্তু তাদের ছাপিয়ে সামনে আসছে সেই কিশোর-তরুণদের গল্প যারা খুন-খারাবিতে, দঙ্গলবাজিতে, মাদকের বিস্তৃতিও ব্যবহারে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে। আমি গত ডিসেম্বর থেকে কয়েক মাস জেলে ছিলাম ইউনূস সরকারের দেওয়া মামলায়। কেরানীগঞ্জ কারাগার উপচে পড়ছে কিশোর অপরাধীদের ঢলে। প্রতিদিন এবং প্রতি রাতে এদের ধরে আনা হচ্ছে। এরা বলে এদের স্বাভাবিক আদালতে নয়, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে নিয়ে কয়েক মাস পর্যন্ত সাজা দেওয়া হয়। এরা সর্বোচ্চ কয়েক মাস থাকে। এদের দাপটে তটস্থ সাধারণ বন্দিরা। কারারক্ষীরা পেরেশান, তবে তারা নয় যারা জেলের ভেতরে মাদক কারবারির সঙ্গে জড়িত।
একজনের কথা শুনেছি, এক বছরে এক কিশোর অপরাধী ১৮ বার জেলে এসেছে এবং জামিনে বের হয়েছে। জেলের ভেতরে ও বাইরে এদের বড় ভাইরা তাদের দেখাশোনা করেন। সবাই কোন কোন গ্যাংয়ের সদস্য। গ্যাংয়ের নাম লেখা উল্কিও আছে। জেলের বাইরে তারা সংঘবদ্ধভাবে অপরাধ করে। ‘বাবা’ বিক্রি করে দিনে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে। পুলিশের ভাগও আছে। এসব কিশোরের অধিকাংশের কোনো এনআইডি নেই। ম্যাজিস্ট্রেট ছবি দেখে ঠাহর করেন, আটক আগে কখনো দণ্ডিত হয়েছে কি না। জেলখানার ভেতরে বন্দি তালিকায় তাদের পূর্ব বন্দিত্বের হদিস পাওয়া যায় না। এরা জেলে থাকলে এদের পরিবার খুশি থাকে। এদের অনেকে কিশোর অপরাধী সংশোধন কেন্দ্র বা মাদক চিকিৎসাকেন্দ্রে বহুবার গেছে। জেলে এরা সঙ্গী-সাথিদের নিয়ে ভালো থাকে। বরং আরো জঙ্গি হয়ে ওঠে। প্রশ্ন হলো, এদের জেলে ভরে সাময়িক নিস্তার পাওয়া গেলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য কি কোনো উদ্যোগ আছে? তাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় জেনেছি, অধিকাংশই লেখাপড়া করতে করতে ঝরে গেছে। উপার্জনের জন্য মিরপুর, মোহাম্মদপুর, যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, কমলাপুর, গুলিস্তান, মহাখালী, উত্তরায় বাবা বিক্রিই লাভজনক।
ফেল করা ঝরে পড়া
কিছু পরিসংখ্যান সত্যিই উদ্বেগজনক। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ২০২৬ সালে সাড়ে ৪ লাখেরও বেশি এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ বা নিবন্ধন করেনি। তারপর পরীক্ষায় ফেল করা ছাত্রের সংখ্যাও কম নয়। ২০২৬ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফেল করেছে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৯৩২ জন। এদের খোঁজ কে নেয়। খোঁজ-খোয়ানো এসব কিশোর তরুণ পরিবারে, সমাজে ও রাষ্ট্রে এক ধরনের পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিসংখ্যান রিপোর্ট ২০২৪ অনুযায়ী, ২০২৩ থেকে ২৪ পর্যন্ত ঝরে পড়াদের অংশ ১৩ দশমিক ১৫ থেকে ১৬ দশমিক ২৫ হয়েছে। ঝরে পড়াদের মধ্যে ছেলেরা বেশি। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে কলেজগুলোর ক্লাস শুরু হওয়ার কথা। এ বছর কলেজগুলোতে সিটসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। ভর্তির আবেদন করেছে ৯ লাখ ৯৫ হাজার। এ বছর ৩৬ ভাগ নিয়মিত ছাত্র এইচএসসি পরীক্ষা দেয়নি। গত বছরে এ সংখ্যা ছিল ২৮ ভাগ। তারপর এসএসসি পাসই করেনি ৩৭ ভাগ শিক্ষার্থী। ঝরে পড়া, পরীক্ষা না দেওয়া, উচ্চস্তরে ভর্তি না হওয়াকে হিসাবে ধরলে তারা পাস করাদের চেয়ে বেশি হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চিত্র আরো ভয়াবহ। এ বছর ৫৪ ভাগের বেশি ছাত্র পরীক্ষার ফরম পূরণ করেছে। ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর রিপোর্টার আলীম হায়দারের ১৭ সেপ্টেম্বরের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান মোতাবেক ১৪৯টি কারিগরি স্কুল ও কলেজের ১ লাখ ৫৬ হাজার আসনের মধ্যে ৯৭ হাজারÑঅর্থাৎ ৬৩ ভাগ সিট খালি রয়ে গেছে। ছাত্র পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সরকার পরিচালিত ডিপ্লোমা কর্মসূচিতে ৪০ হাজার সিটের বিপরীতে ৭০ হাজার দরখাস্ত পড়েছে। সার্টিফিকেট নেওয়াটা অনেকের লক্ষ্য, যাতে দেশ-বিদেশে চাকরি পাওয়া যায়।
সমাজের বক্র নজর পাওয়া এসব শিক্ষাবিমুখ বা ফেল করা কিশোর তরুণদের মাদক কারবার, চোরাচালান, অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িত হওয়া স্বাভাবিক। আবার শিক্ষিত তরুণদের বেকারত্ব রয়েছে। এক শ্রেণির মোটামুটি সচ্ছল তরুণ বিদেশে পড়তে যেতে ইচ্ছুক। দেশে থাকার তাদের ইচ্ছা নেই। গ্রামের তরুণরা বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য চলে যেতে উন্মুখ। ইউরোপে গমনেচ্ছু অনেক তরুণই ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে প্রাণ হারাচ্ছে। গ্রামে তরুণরা আর কৃষিকাজ করতে চায় না। গ্রামে এখন কৃষক পাওয়া যায় না। কৃষি মজুর বেশি চোখে পড়ে। আওয়ামী লীগ সরকার অবশ্যই দায়ী তরুণ সমাজের ধ্বংসের জন্য। তারা সীমান্তগুলো খুলে দিয়েছিল মাদকের জন্য। আর ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা বাংলাদেশ মাদক পাচারে সরাসরি জড়িত বলে অভিযোগ আছে। কিন্তু এটি একটা কারণ, পুরোটা নয়। আমাদের সামাজিক নৈতিকতা, গরিবি অর্থনীতি, ভ্রান্তনীতি, ধর্মকে অবজ্ঞা করা, দুর্নীতিবাজ আইন রক্ষাকারী গোষ্ঠী, মতলববাজ রাজনীতিবিদ ও আমলারাও দায়ী।
আমরা কি আশা রাখতে পারি তরুণ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর? জনমিতিক ক্রান্তির এই সুফলÑঅর্থাৎ তরুণদের আধিক্যকে কাজে লাগিয়ে তিনি কি দেশের কল্যাণ করতে পারবেন?
লেখক: জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি এবং ইকোনমিক টাইমস সম্পাদক