হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

শিক্ষকের মর্যাদা ও লাঞ্ছিত শৈশব

কামরুননেসা হাসান

প্রতীকী ছবি

সম্প্রতি সমাজের অবক্ষয়ের দুটি ভয়াবহ চিত্র আমাকে স্তম্ভিত ও বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। যে সমাজ একসময় শিক্ষকদের ‘মানুষ গড়ার কারিগর’ হিসেবে শ্রদ্ধা করত এবং শিশুদের নিরাপত্তার স্বর্গরাজ্য বলে গণ্য হতো, আজ সেখানে যেন নিকষ অন্ধকার নেমে এসেছে। দুটি ভিন্ন প্রেক্ষাপট—একজন স্কুলের শিক্ষক এবং অন্যজন মাদরাসার; কিন্তু উভয় ঘটনাই আমাদের তথাকথিত সভ্য সমাজের কঙ্কালসার চেহারাটা উন্মোচিত করে দিয়েছে।

প্রথম ঘটনাটি একজন আদর্শনিষ্ঠ স্কুলশিক্ষকের। শাসনের নামে ছাত্রের সামান্য বেয়াদবির বিপরীতে তিনি যখন তাকে তিরস্কার করেন, তখন সেটি আর শিক্ষার আঙিনায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। তথাকথিত ‘মান্যবর’ অভিভাবকের দাপটের কাছে হার মেনেছেন খোদ প্রধান শিক্ষকও। একজন শিক্ষককে বাধ্য করা হলো ছাত্রের বাবার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতে। কিন্তু পৈশাচিকতার চরম সীমা তখনই লঙ্ঘিত হলো যখন সেই দাম্ভিক পিতা দাবি করলেন—শুধু ‘সরি’ বললে হবে না, শিক্ষকের হাতকে তার ছেলের পা ছুঁয়ে ক্ষমা চাইতে হবে।

সেই মুহূর্তে ধরণী কেন দ্বিধা হলো না? যে হাত দিয়ে শিক্ষক আশীর্বাদ করেন, জ্ঞানের আলো ছড়ান, সেই হাত যখন ছাত্রের পা স্পর্শ করতে বাধ্য হয়, তখন শুধু একজন শিক্ষক নন, বরং পুরো শিক্ষাব্যবস্থা ও নৈতিকতা সেখানে ভূলুণ্ঠিত হয়। প্রধান শিক্ষক বা স্কুল কর্তৃপক্ষ কি এর দায় এড়াতে পারেন? সমাজের এই নৈতিক দেউলিয়াপনা আমাদের কোন অতল গহ্বরের দিকে ঠেলে দিচ্ছে?

দ্বিতীয় সংবাদটি আরো বেশি পাশবিক ও নারকীয়। ধর্মীয় শিক্ষার পবিত্র আলয়ে একজন শিক্ষক যখন বোরকা পরে ছদ্মবেশে রাতের অন্ধকারে নিজের ছাত্রীর ওপর হায়েনার মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন, তখন বিচারের বাণী নিভৃতে কাঁদে। ১৩ বছরের সেই নিষ্পাপ কিশোরীকে সারা রাত যে বিভীষিকার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। হাসপাতালের বিছানায় নার্সের কাছে সেই শিশুর আকুতি আর মা-বাবার অবারিত আহাজারি আমাদের প্রশ্ন করে—‘আমরা কি আদৌ কোনো সভ্য দেশে বাস করি?’

মাদরাসার চার দেয়ালের ভেতরে ঘটে যাওয়া এমন অসংখ্য ঘটনা প্রায়ই অন্তরালে থেকে যায়। লোকলজ্জা আর ভয়ের আড়ালে চাপা পড়ে যায় হাজারো শিশুর অসহায় আর্তনাদ। যখন একজন মা হাহাকার করে বলেন, ‘এর থেকে মরে গেলেও শান্তি পেত,’ তখন বুঝতে হবে আমরা একটি মৃত সমাজের বাসিন্দা হয়ে গেছি।

আমাদের এই অবক্ষয় থেকে কি মুক্তি নেই? বিচারের দীর্ঘসূত্রতা আর ক্ষমতার দম্ভ কি এভাবেই আমাদের মূল্যবোধকে চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেবে? এই পচনশীল সমাজ সংস্কারের দায় কি আমরা কেউই নেব না?

ঘুণে ধরা এখনকার এই জরাজীর্ণ সমাজের কাছে আজ এক রিক্ত ও নিঃস্ব পরিবারের আর কী-ই-বা চাওয়ার থাকতে পারে? যে সংসারে অভাবের নোনা জল নিত্যসঙ্গী, যেখানে দুবেলা দুমুঠো অন্ন সংস্থানই জীবনের একমাত্র লড়াই, সেখানে হতদরিদ্র মা-বাবা সন্তানের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের আশায় পরম করুণাময় আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে তাদের কলিজার টুকরোকে মাদরাসার সুশীতল ছায়ায় সঁপে দেন। তারা কি ঘুণাক্ষরেও জানতেন, পবিত্রতার সেই আবরণে লুকিয়ে আছে কিছু পাষণ্ড নরপশু আর বিকৃত মানসিকতার হায়েনা? শিক্ষক নামের এই কলঙ্কিত ব্যক্তিদের পাশবিক লালসার বলি হয়ে আজ কত শত সহস্র শিশুর জীবন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়ে অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছে, তার ইয়ত্তা নেই। মনে হয়, অন্ধকারাচ্ছন্ন ‘আইয়ামে জাহেলিয়াত’ও বোধহয় এই বর্তমান সময়ের বর্বরতাকে হার মানাত।

এই দুঃসহ বর্তমানের হাহাকারের মাঝে স্মৃতির গহিন থেকে ভেসে ওঠে আমার সেই ফেলে আসা শৈশব—ষাট দশকের সেই উজ্জ্বল দিনগুলো। আজকের এই পচনশীল সমাজ দেখে বারবার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে আমাদের সেই সোনালি শৈশবে…।

লালবাগ প্রাইমারি স্কুলের পাঠ চুকিয়ে যখন ষষ্ঠ শ্রেণিতে আজিমপুর গার্লস হাই স্কুলে পা রাখলাম, তখন জগৎটা কতই না মায়াবী ছিল। পাশের বাসার বান্ধবী চায়না ছিল আমার সহপাঠী। আমরা দুজনে বই-খাতা বুকে আগলে রেখে নিবিড় এক নিরাপত্তায় স্কুলে যেতাম। বাবা-মা কখনোই আমাদের সঙ্গে স্কুলে যাওয়ার প্রয়োজনবোধ করেননি, কারণ তারা জানতেন—শিক্ষাঙ্গন হলো এক পবিত্র তীর্থস্থান। যদিও নবম শ্রেণিতে পড়াকালে আমার পরম শ্রদ্ধেয় আব্বা পরলোকগমন করেন, তবুও সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্মৃতি আজও আমার মনের মণিকোঠায় অমলিন।

আজিমপুর স্কুলের সেই সময়কার প্রধান শিক্ষক ছিলেন পরম শ্রদ্ধেয় আম্বর আলী স্যার। শ্বেত-শুভ্র বসনে আবৃত তার সেই আভিজাত্যপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিল দেখার মতো। এক অদ্ভুত গাম্ভীর্য ছিল তার মধ্যে, যা আমাদের মনে গভীর শ্রদ্ধামিশ্রিত ভয়ের সঞ্চার করত। স্যার যখন শুভ্র পায়জামা-পাঞ্জাবিতে করিডোর দিয়ে ধীরলয়ে হেঁটে যেতেন, আমরা শ্বাস রোধ করে তাকিয়ে থাকতাম। কোনো ক্লাসে শিক্ষক না থাকলে তিনি নিজেই সেখানে দাঁড়িয়ে জ্ঞানের আলোকবর্তিকা হয়ে দেখা দিতেন।

সেই সময়কার শিক্ষকরা ছিলেন প্রকৃত অর্থেই মানুষ গড়ার কারিগর। তাদের অন্তরে ছিল শিক্ষার্থীদের জন্য অকৃত্রিম স্নেহ আর মমতা। তাদের হাতে কোনোদিন বেত কিংবা লাঠি দেখিনি। অথচ সমসাময়িক কালে মতিঝিল আইডিয়াল স্কুলের দৃশ্যপট ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন; সেখানে শিক্ষকরা ক্লাসে আসতেন দোর্দণ্ড প্রতাপে বেত হাতে নিয়ে, যার আঘাতে শিক্ষার্থীদের পিঠ রক্তাক্ত হওয়ার খবরও পাওয়া যেত।

আজ যখন সেই শাসনের নামে বর্বরতা আর মাদরাসাগুলোয় শিশুদের কান্নার আওয়াজ শুনি, তখন নিজের অজান্তেই শিউরে উঠি। সেই যে শুভ্র বসনা আম্বর আলী স্যারদের যুগ—যেখানে শাসন ছিল হৃদয়ের গভীর থেকে আর শ্রদ্ধা ছিল প্রাণের আকুতি থেকে—সেই সোনালি সময় কি চিরতরে হারিয়ে গেল? আমাদের বর্তমান প্রজন্ম কি তবে এই নরপশুদের থাবায় এভাবেই পিষ্ট হতে থাকবে? সভ্যতার এই চরম শিখরে দাঁড়িয়েও আমরা কি তবে এক অন্ধকার গুহার দিকেই ধাবিত হচ্ছি?

আমাদের শিশুকাল যেন গড়ে উঠেছিল শিক্ষকদের এক অদ্ভুত ‘অপত্য’ স্নেহের পরশে। তারা আমাদের শুধু পাঠ্যবই পড়াতেন না, বরং হৃদয়ের মাধুরী মিশিয়ে মানুষ হওয়ার দীক্ষা দিতেন।

আজও মনে পড়ে কামরুন আপার কথা। তিনি আমাদের বাংলা ব্যাকরণ পড়াতেন। ব্যক্তিত্বের মধ্যে কিছুটা কাঠিন্য আর গাম্ভীর্য ছিল বলে তাকে বেশ ভয় পেতাম। আগের রাতে খুব মনোযোগ দিয়ে ব্যাকরণ আয়ত্ত করতাম; কিন্তু ক্লাসে যখন আপা প্রশ্ন করতেন, অমনি সব স্মৃতি থেকে উবে যেত! ভয়ে কাঁপতে থাকা সেই ছোটবেলার স্মৃতিগুলো মনে পড়লে আজও আনমনে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে ওঠে।

আবার বাংলার অন্য শিক্ষক মনোয়ারা আপা ছিলেন কামরুন আপার ঠিক বিপরীত। স্নিগ্ধ পরিপাটি সাজ আর প্রশান্ত এক চেহারার মানুষ ছিলেন তিনি। তার পড়ানোর ভঙ্গি এতটাই মনোমুগ্ধকর ছিল যে, কিশোরী মনে মনে ভাবতাম—‘বড় হয়ে যদি শিক্ষক হই, তবে ঠিক মনোয়ারা আপার মতোই হবো।’

কালের পরিক্রমায় কর্মজীবনের ব্যস্ততায় সেই স্কুলের দিনগুলো ধূসর হয়ে আসছিল। কিন্তু নিয়তি হয়তো অন্য কিছু লিখে রেখেছিল। একদিন বিশিষ্ট নাট্য পরিচালক ও লেখক শাকুর মজিদের একটি বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলাম। মঞ্চের দিকে তাকাতেই আমার হৃৎস্পন্দন যেন এক মুহূর্তের জন্য থেমে গেল। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে আসীন স্বয়ং আমার সেই প্রিয় মনোয়ারা ইসলাম আপা!

বক্তব্য দিতে গিয়ে আপা যখন ক্যাডেট কলেজে তার দুই ছেলেকে রেখে আসার পর মায়ের মনের সেই চিরন্তন হাহাকারের গল্প বলছিলেন, সামনের সারিতে বসে থাকা আমার চোখ দুটি তখন অবাধ্য হয়ে উঠেছিল। অঝোর ধারায় জল ঝরছিল সেই ছাত্রীর চোখে, যে কয়েক দশক আগে ওই মায়ের সমান স্নেহের পরশ পেয়েছিল।

অনুষ্ঠান শেষে আপা মঞ্চ থেকে নেমে আসতেই আমি পরম শ্রদ্ধায় তার পা ছুঁয়ে সালাম করলাম। যখন নিজের পরিচয় দিলাম, তখন আপার সেই মাতৃত্বের ছায়া যেন আমাকে আবার আগলে ধরল। তিনি আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরে স্মিতহাস্যে বললেন, “কামরুন নেসা, তুমি যে টেলিভিশনে ‘ঘরে বাইরে’ অনুষ্ঠানে আমার সাক্ষাৎকার নিয়েছিলে, তা আমার ঠিক মনে আছে।”

আমি বাকরুদ্ধ হয়ে রইলাম। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও একজন শিক্ষক তার ছাত্রীকে ভোলেননি। সেই দিনটিতে ফিরে এসেছিল আমাদের স্কুলজীবনের শত সহস্র কথা। যে শিক্ষক নিজের ছাত্রীকে কয়েক দশক পরেও মনে রাখতে পারেন, সেই পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষকদের আদর্শেই তো গড়া হয়েছিল আমাদের ভিত্তি।

অথচ আজ যখন দেখি শিক্ষকতার এই মহান ব্রতকে কলঙ্কিত করে কিছু নরপশু শিশুদের জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছে, তখন প্রশ্ন জাগে—‘কোথায় হারাল সেই আদর্শ?’ কোথায় হারিয়ে গেল আম্বর আলী স্যার কিংবা মনোয়ারা আপাদের মতো সেই আলোকবর্তিকারা? আজিমপুরের সেই স্নিগ্ধ আঙিনা থেকে আজকের এই অন্ধকারের ব্যবধান যেন কয়েক আলোকবর্ষের। আমাদের সেই ‘আপারা’ আজ কোথায়?

স্মৃতির পাতা উল্টালে প্রিয় মনোয়ারা আপার সেই স্নেহমাখা মুখটি বারবার চোখের সামনে ভেসে ওঠে। পরবর্তীকালে আপা যখন না ফেরার দেশে চলে গেলেন, তার ছেলেরা একটি স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন। সেই সভায় দাঁড়িয়ে আমি যখন স্মৃতিচারণ করছিলাম, বারবার ফিরে যাচ্ছিল মন সেই শাকুর মজিদের প্রকাশনা উৎসবের বিকালে। একজন শিক্ষক তার ছাত্রীর পেশাগত সাফল্যকে কতটা আপন করে নিতে পারেন, মনোয়ারা আপা ছিলেন তার জীবন্ত উদাহরণ। আজও সেই ‘অপত্য’ স্নেহে বেড়ে ওঠা দিনগুলোর কথা ভাবলে আমি আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ি।

কিন্তু আজ যখন পেছন ফিরে তাকাই, তখন কেবলই হাহাকার জাগে। কালের অতলে যেন সব মহৎ ও শুভ্রতা হারিয়ে গেছে। নেই সেই অকৃত্রিম আদর্শের শিক্ষক, নেই সেই জ্ঞানপিপাসু বিনয়ী শিক্ষার্থী। স্বাধীনতার পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পার করে এসে আজ যখন হিসাব মেলাতে বসি, তখন প্রাপ্তির চেয়ে হারানোর খতিয়ানই বড় হয়ে দেখা দেয়।

আজ শিক্ষা মানেই যেন এক বিশাল ‘বাণিজ্য’। আমাদের সেই সোনালি সময়ে কোনো ‘কোচিং সেন্টার’-এর দাপট ছিল না। শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষেই অতি যত্ন নিয়ে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সমানভাবে গড়ে তুলতেন। অথচ আজ? ‘অটো প্রমোশন’, কোচিং সেন্টারের একচেটিয়া আধিপত্য আর লজ্জাজনক ‘প্রশ্নপত্র ফাঁস’ আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে এক গভীর খাদের কিনারে নিয়ে ঠেলে দিয়েছে। শিক্ষার মান আজ তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

সর্বত্র আজ শুধু মূল্যবোধের অবক্ষয়। একজন শিক্ষকের হাতে ছাত্রীর লাঞ্ছনা কিংবা ছাত্রের বাবার দম্ভের কাছে শিক্ষকের পরাজয়—এমন এক সমাজ কি আমরা চেয়েছিলাম? আমাদের তরুণসমাজ আজ বিভ্রান্ত, তারা কোন অন্ধকার গলি দিয়ে হাঁটছে, তা ভাবলে আতঙ্ক হয়।

অবশ্য অন্ধকারের মাঝেও কিছু আশার প্রদীপ এখনো জ্বলছে। ব্যতিক্রম তো অবশ্যই আছে। শিক্ষা, দেশপ্রেম আর সততায় উজ্জ্বল কিছু মানুষ এখনো এই ঘুণে ধরা সমাজে আশার আলো জ্বালিয়ে রেখেছেন। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—‘হাতেগোনা এই ক’জন মানুষ কি পারবেন এই খাদের কিনারে পড়ে যাওয়া দেশটাকে টেনে তুলতে?’

আমরা কি আবারও ফিরে পাব সেই আম্বর আলী স্যার কিংবা মনোয়ারা আপাদের মতো মহান শিক্ষকদের ছায়া? নাকি আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম কেবলই এই বাণিজ্যিক শিক্ষার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে নৈতিকতাহীন এক অন্ধকারে হারিয়ে যাবে? সময়ের কাছে এই প্রশ্ন রেখে যাওয়া ছাড়া আজ আমাদের আর কী-ই-বা করার আছে!

লেখক : সাবেক উপমহাপরিচালক বাংলাদেশ টেলিভিশন

‘ক্ষমতার বদহজম’ এবং আজকের রাজনীতি

আগুনে যেন না পোড়ে বাংলাদেশের স্বপ্ন!

প্রশ্নপত্র ফাঁসের পুরোনো ব্যাধি

বিরোধিতার মাঝে ঐক্যের প্রত্যাশা

অনলাইন চাকরির প্রতারণা ও প্রতিকার

ভারতে হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসের যথাসাধ্য প্রতিবাদ করুন

শিক্ষকতা যেন ‘উপায়হীন বিকল্প’ না হয়

ফিলিস্তিন রক্ষার দায়বদ্ধতা

খুব বেশি পথ খোলা নেই সৌদি আরবের

ফারাক্কা বাঁধ ভেঙে ফেলাই সমাধান