হোম > মতামত > উপসম্পাদকীয়

সংহতি যখন উগ্রতায় বদলে যায়

ড. মুহাম্মাদ সাইদুল ইসলাম

এআই দ্বারা নির্মিত প্রতীকী ছবি।

মানুষ যেহেতু সামাজিক জীব, তাই সে একা বাঁচে না; বরং পরিবার, গোত্র, ধর্ম, জাতি, ভাষা, বিশ্ববিদ্যালয়, রাজনৈতিক দল কিংবা পেশাজীবী গোষ্ঠীর মাধ্যমে নিজের পরিচয় নির্মাণ করে। সমাজবিজ্ঞানের ভাষায়, মানুষের এই গোষ্ঠীগত সংহতি শুধু একটি আবেগ নয়; এটি সামাজিক সংগঠনের অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু এই সংহতি কখন সমাজ নির্মাণের শক্তি হয় আর কখন তা অন্ধ আনুগত্য, বিভাজন ও সংঘাতের উৎসে পরিণত হয়—এই প্রশ্নটি বিশ্লেষণ করেছিলেন চতুর্দশ শতাব্দীর মহান মুসলিম সমাজবিজ্ঞানী ইবনে খালদুন।

তার ব্যবহৃত শব্দটি হলো আসাবিয়া (Asabiyyah)। ইবনে খালদুনের মতে, কোনো সভ্যতার উত্থানের পেছনে অর্থনীতি, অস্ত্র বা জনসংখ্যার চেয়ে বড় শক্তি হলো আসাবিয়াÑঅর্থাৎ, এমন এক সামাজিক সংহতি, যা মানুষকে ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একটি বৃহত্তর গোষ্ঠীর জন্য ত্যাগ স্বীকারে উদ্বুদ্ধ করে। মরুভূমির বেদুইনরা নগরসভ্যতাকে পরাজিত করতে পারত মূলত এই প্রবল আসাবিয়ার কারণেই। কিন্তু ইতিহাসের এক নির্মম পরিহাস হলো : যে আসাবিয়া একটি রাষ্ট্র সৃষ্টি করে; ক্ষমতার বিলাসিতা, দুর্নীতি ও আত্মতুষ্টির মধ্য দিয়ে সেই আসাবিয়াই ধীরে ধীরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত সভ্যতার পতন ঘটে।

প্রাচীন আরবে আসাবিয়া প্রধানত ছিল গোত্রকেন্দ্রিক। ‘আমার গোত্র—সঠিক হোক বা ভুল’—এই ছিল এর মূল দর্শন। ইসলাম এই অন্ধ গোত্রপ্রীতির তীব্র সমালোচনা করলেও সামাজিক সংহতিকে প্রত্যাখ্যান করেনি। বরং ন্যায়, তাকওয়া ও মানবিকতার ভিত্তিতে একটি নতুন উম্মাহভিত্তিক সংহতি গড়ে তুলেছিল। অর্থাৎ, ইসলাম আসাবিয়াকে বিলোপ করেনি; বরং তার নৈতিক পুনর্গঠন করেছে।

কিন্তু আধুনিক রাষ্ট্রে গোত্রের জায়গা দখল করেছে নতুন নতুন পরিচয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। এখানে আসাবিয়া আর রক্তের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা ইতিহাস, রাজনীতি, শিক্ষা, ধর্ম, অঞ্চল ও পেশাÑ এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুসারী গোষ্ঠীতেও বিস্তৃত হয়েছে।

একাত্তরকেন্দ্রিক আসাবিয়া

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম একটি মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে। ফলে ১৯৭১ শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়; এটি জাতীয় পরিচয়ের অন্যতম ভিত্তি। এই স্মৃতিকে ঘিরে সামাজিক সংহতি সৃষ্টি হওয়া স্বাভাবিক এবং অনেকাংশে প্রয়োজনীয়ও। কারণ, প্রতিটি জাতিরই কিছু যৌথ স্মৃতি থাকে, যা তাকে ঐক্যবদ্ধ রাখে।

কিন্তু যখন ইতিহাস গবেষণার বিষয় না হয়ে রাজনৈতিক বৈধতার একমাত্র মানদণ্ডে পরিণত হয়, ঘৃণানির্ভর চেতনা রাজনীতির নিয়ামক হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ-বিপক্ষ বাইনারি তৈরিতে ব্যবহার হয়, তখন সমস্যার শুরু হয়। তখন ইতিহাসের ব্যাখ্যা নিয়ে মতভেদকেও দেশপ্রেমের পরীক্ষায় পরিণত করা হয়। ইতিহাস তখন আর কৌতূহলের বিষয় থাকে না; পরিচয়ের অস্ত্রে রূপ নেয়।

রাজনৈতিক আসাবিয়া

বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলো শুধু রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়; অনেকের কাছে এগুলো পরিবার, পরিচয় এবং জীবনদর্শনের অংশ। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামায়াত কিংবা অন্যান্য দল—প্রত্যেকের মধ্যেই একধরনের দলীয় আসাবিয়া রয়েছে। তবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক আসাবিয়ার একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো এর দ্বৈত চরিত্র। একদিকে কর্মীরা দলের জন্য আত্মত্যাগ করেন; অন্যদিকে ক্ষমতার প্রশ্নে একই দলের অভ্যন্তরেই তীব্র সংঘর্ষ দেখা যায়। অর্থাৎ, অনেক সময় দলীয় সংহতি আদর্শের চেয়ে ক্ষমতার ভারসাম্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

এখানে সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবারের ক্ষমতা বিশ্লেষণ এবং রবার্ট মিশেলসের Iron Law of Oligarchy স্মরণীয়। প্রায় সব বড় সংগঠনই ধীরে ধীরে একটি ক্ষুদ্র ক্ষমতাকেন্দ্রিক অভিজাত গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। তখন সংগঠনের আদর্শ নয়, ক্ষমতার বণ্টনই প্রধান প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়। আর ক্ষমতার বণ্টনপদ্ধতি যদি প্রাতিষ্ঠানিক এবং নিয়মমাফিক না হয়, তাহলে সেখানে সংঘাত এবং হানাহানি অনিবার্য। যেমন : চব্বিশের জুলাই থেকে ছাব্বিশের জুলাই পর্যন্ত বিএনপির অন্তঃকোন্দলে প্রাণহানি ঘটেছে ৩০১ জনের। আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই হানাহানির পরিমাণ ছিল আরো ব্যাপক ও বিস্তৃত।

বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক আসাবিয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে প্রবল আবেগ সুপরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জন তাদের ব্যক্তিগত গৌরবের অংশ হয়ে ওঠে। একইভাবে বুয়েট, মেডিকেল কলেজ, ক্যাডেট কলেজ কিংবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মধ্যেও অনুরূপ পরিচয়বোধ গড়ে ওঠে।

এ ধরনের আসাবিয়ার কিছু ইতিবাচক দিক রয়েছে। শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক গবেষণা, চাকরি, সামাজিক সহযোগিতা এবং জাতীয় নেতৃত্ব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু নেতিবাচক দিকও আছে। যখন কোনো প্রতিষ্ঠানের সমালোচনা ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে বিবেচিত হয়, তখন আত্মসমালোচনার সংস্কৃতি দুর্বল হয়ে পড়ে।

ফিরকা ও ধর্মীয় সংগঠনভিত্তিক আসাবিয়া

বাংলাদেশের ধর্মীয় অঙ্গনে বিভিন্ন তরিকা, মাদরাসা, ইসলামি রাজনৈতিক আন্দোলন, পীরকেন্দ্রিক অনুসারী গোষ্ঠী কিংবা দাওয়াতি সংগঠনকে কেন্দ্র করে শক্তিশালী আসাবিয়া গড়ে উঠেছে। এই সংহতির ইতিবাচক দিক হলো : মানুষ পারস্পরিক সহযোগিতা, দান, শিক্ষা ও নৈতিক জীবনচর্চায় উদ্বুদ্ধ হয়। কিন্তু যখন কোনো সংগঠনের প্রতি আনুগত্য ইসলামের মৌলিক নীতির চেয়ে বড় হয়ে যায়, তখন ভিন্নমতকে সহজেই বিদআত, কাফির, বিভ্রান্ত বা শত্রু হিসেবে দেখা শুরু হয়। তখন ইসলামি ভ্রাতৃত্বের জায়গা দখল করে সংগঠনভিত্তিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা; ভালোবাসার জায়গা দখল করে হিংসা আর বিদ্বেষ।

পেশাগত আসাবিয়া

বাংলাদেশে প্রশাসন, পুলিশ, বিচার বিভাগ, সামরিক বাহিনী, চিকিৎসক সমাজ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, সাংবাদিক—প্রত্যেক পেশার মধ্যেই একধরনের পেশাগত আসাবিয়া রয়েছে। এই সংহতি পেশাগত মর্যাদা ও মান রক্ষায় সহায়ক। কিন্তু যখন ভুল সিদ্ধান্তকেও শুধু ‘নিজেদের মানুষ’ বলে রক্ষা করা হয়, তখন জবাবদিহি দুর্বল হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ এ সমস্যায় আজ চরমভাবে আক্রান্ত।

আঞ্চলিক, জেলা ও প্রবাসী আসাবিয়া

‘আমাদের জেলার মানুষ’, ‘আমাদের উপজেলার ছেলে, ‘আমাদের গ্রামের লোক’—এই পরিচয় বাংলাদেশের সামাজিক বাস্তবতায় অত্যন্ত শক্তিশালী। প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যেও একই প্রবণতা দেখা যায়। একই জেলার মানুষ একে অন্যকে ব্যবসা, চাকরি ও অভিবাসনের সুযোগ করে দেয়। এটি সামাজিক পুঁজি তৈরির গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলেও, অনেক সময় যোগ্যতার পরিবর্তে পরিচয়কে অগ্রাধিকার দেয়।

ডিজিটাল আসাবিয়া

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আসাবিয়াকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন মানুষ অনেক সময় কোনো রাজনৈতিক দল, ধর্মীয় বক্তা, ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সার কিংবা মতাদর্শকে কেন্দ্র করে ডিজিটাল গোত্র তৈরি করছে।

অ্যালগরিদম মানুষকে এমন তথ্যই বেশি দেখায়, যা তার বিদ্যমান বিশ্বাসকে শক্তিশালী করে। ফলে ‘Echo Chamber’ তৈরি হয়। মানুষ নিজের গোষ্ঠীর বাইরে অন্যদের কথা কম শুনতে থাকে। সামাজিক মনোবিজ্ঞানী অঁরি তাজফেলের Social Identity Theory দেখায়, মানুষ খুব সহজেই ‘আমরা’ এবং ‘তারা’—এই বিভাজন তৈরি করে এবং নিজের গোষ্ঠীকে স্বাভাবিকভাবেই শ্রেষ্ঠ মনে করতে শুরু করে। আসাবিয়া যখন এই পর্যায়ে পৌঁছে, তখন সেটিকে বলে জাহেলিয়াত।

জুলাই বিপ্লব : নতুন নাগরিক আসাবিয়ার সূচনা

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসে জুলাই বিপ্লবকে শুধু একটি সরকারবিরোধী আন্দোলন হিসেবে দেখলে এর গভীর তাৎপর্য ধরা পড়বে না। সমাজতাত্ত্বিক দৃষ্টিতে এটি ছিল এক নতুন ধরনের নাগরিক আসাবিয়ার (civic asabiyyah) উত্থানের সম্ভাবনাময় মুহূর্ত।

ইবনে খালদুন বলেছিলেন, কোনো রাষ্ট্র তখনই দুর্বল হয়ে পড়ে, যখন শাসকগোষ্ঠীর আসাবিয়া ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। ক্ষমতার দীর্ঘস্থায়ী ভোগ, দুর্নীতি, আত্মতুষ্টি এবং জনগণ থেকে বিচ্ছিন্নতা তাদের সামাজিক বৈধতাকে নষ্ট করে দেয়। ঠিক সে সময় সমাজের অন্য কোথাও একটি নতুন আসাবিয়ার জন্ম হয়, যা পরিবর্তনের শক্তিতে পরিণত হতে পারে।

জুলাই আন্দোলন দেখিয়েছে, কখনো কখনো রাজনৈতিক দল নয়, বরং একটি যৌথ নৈতিক চেতনা মানুষকে একত্র করতে পারে। এটিই নাগরিক আসাবিয়ার মূল ভিত্তি। তবে এখানেই সবচেয়ে বড় প্রশ্নও তৈরি হয়। ইতিহাস আমাদের শেখায়, বিপ্লব-পরবর্তী সময়ে প্রায়ই নতুন আসাবিয়া ধীরে ধীরে পুরোনো রোগে আক্রান্ত হয়। যে সংহতি একসময় ন্যায়বিচারের জন্য গড়ে উঠেছিল, সেটিই পরে ক্ষমতার প্রতিযোগিতা, দলীয় আনুগত্য, ব্যক্তিপূজা কিংবা নতুন ধরনের বর্জননীতিতে রূপ নিতে পারে। ইবনে খালদুনের ভাষায়, বিজয়ী গোষ্ঠী যদি আত্মসমালোচনার ক্ষমতা হারায়, তবে তার পতনের বীজও সেই মুহূর্তেই বপন হয়ে যায়।

বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও একই সতর্কতা প্রযোজ্য। যদি জুলাই বিপ্লবের চেতনা শুধু একটি নতুন রাজনৈতিক শিবিরের পরিচয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে যায়, তবে সেটি আর নাগরিক আসাবিয়া থাকবে না; বরং পুরোনো গোষ্ঠীবাদের নতুন সংস্করণে পরিণত হবে। কিন্তু যদি এই চেতনা দল, মত, ধর্ম, অঞ্চল ও ব্যক্তির ঊর্ধ্বে উঠে আইনের শাসন, জবাবদিহি, মানবিক মর্যাদা, রাজনৈতিক বহুত্ববাদ এবং ন্যায়বিচারের মতো সর্বজনীন মূল্যবোধকে ধারণ করতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রগঠনের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

যে আসাবিয়া মানুষকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে একত্র করে, দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়াতে শেখায়, স্বেচ্ছাসেবাকে উৎসাহিত করে, সামাজিক আস্থা বৃদ্ধি করে এবং জনকল্যাণে কাজ করেÑসেই আসাবিয়া সভ্যতার শক্তি।

সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন গোষ্ঠী সত্যের চেয়ে বড় হয়ে যায়। তখন আমরা দুর্নীতিকে সমর্থন করি, যদি সেটি ‘আমাদের লোক’ করে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করি, যদি সেটি ‘অন্য দল’ করে। সে সময়, সমালোচনাকে বিশ্বাসঘাতকতা মনে করি; ভিন্নমতকে শত্রু ভাবি। ন্যায়ের বদলে ‘পরিচয়কে’ বিচারক বানাই। এ অবস্থায় আসাবিয়া আর সামাজিক সংহতি থাকে না; এটি উপজাতীয় বা ট্রাইবাল মানসিকতার আধুনিক সংস্করণে পরিণত হয়।

ইবনে খালদুন সাতশ বছর আগে যে ধারণা দিয়েছিলেন, তা আজও বিস্ময়করভাবে প্রাসঙ্গিক। কোনো সমাজ আসাবিয়া ছাড়া টিকে থাকতে পারে না; কিন্তু কোনো সমাজ উগ্র আসাবিয়া নিয়েও দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না।

বাংলাদেশের প্রয়োজন এমন এক নতুন নাগরিক আসাবিয়া, যা দল, ফিরকা, অঞ্চল ও প্রতিষ্ঠানের সংকীর্ণ পরিচয়কে অতিক্রম করে ন্যায়, জবাবদিহি, মেধা, মানবিকতা এবং সাংবিধানিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে একটি বৃহত্তর সামাজিক সংহতি গড়ে তুলবে। কারণ সভ্যতার প্রকৃত শক্তি কখনো অন্ধ আনুগত্যে নয়; বরং ন্যায়ভিত্তিক সংহতিতে।

লেখক : সহযোগী অধ্যাপক, সমাজবিজ্ঞান, নানইয়াং টেকনোলোজিক্যাল ইউনিভার্সিটি সিঙ্গাপুর

কিছু নারী কেন এমন রং দেখেন, যা অন্যরা দেখেন না

রাজস্ব খাতে সৎ ও দক্ষ কর্মকর্তাদের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করবে সরকার

ইরানে মূল্যস্ফীতি ৬৬ শতাংশে, বাড়ছে জীবনযাত্রার ব্যয়

উপসম্পাদকীয়: সৌদি তুরস্ক পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বাংলাদেশ যেভাবে লাভবান হতে পারে

অ্যাসিডিটি কমাতে ঘরোয়া কিছু উপায়, সঙ্গে যেসব অভ্যাস জরুরি

কেন্দুয়ায় ড্রেন নির্মাণে বাধা অপরিকল্পিত ভবন নির্মাণ

নেতানিয়াহু কি সত্যিই শান্তি চান, প্রশ্ন রব আরলেটের

রাজনৈতিক সহিংসতায় ৭৯ জনের মৃত্যু, গণপিটুনিতে ৫২

রায়গঞ্জে স্বপ্নপূরণে ঘাম ঝরাচ্ছে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রমিলা ফুটবলাররা

কুর্দিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে টার্গেট করে ইরানের ড্রোন হামলা