বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমাদ।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে যা নিন্ম ও মধ্যবিত্তের মানুষের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। সবজি, মুরগি, ভোজ্যতেল ও চিনিসহ অধিকাংশ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের ওপর। অনেক ক্রেতা দাম বেড়ে যাওয়ায় পছন্দের পণ্য থেকে সরে এসে তুলনামূলক কম দামের পণ্য কিনছেন। কেউ কেউ প্রয়োজনের তুলনায় কম পরিমাণে কেনাকাটা করছেন।
ইউনুস আহমাদ বলেন, সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০০–৪৩০ টাকায়। রোজায় যা ছিল ২৭০–৩০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০–১৮০ টাকায়, লেয়ার মুরগি ৩৪০–৩৫০ টাকায়। গরুর মাংসের কেজি এখন ৮০০ টাকা, যেখানে ঈদের আগে ছিল ৭৫০–৭৮০ টাকা। রুই, কাতলা ও তেলাপিয়ার দাম ২০ টাকায় বেড়েছে। সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে লিটারে অন্তত ৫ টাকা। সবজির দাম ২০–৩০ টাকা বেড়ে শতকের ঘরে পৌঁছেছে। চিচিঙ্গা, ঝিঙে ও ধুন্দল ১০০ টাকার নিচে পাওয়া যাচ্ছে না। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৩৮৭ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৭২৮ টাকা করা হলেও, বাজারে খুচরা বিক্রেতারা ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব বলেন, দামবৃদ্ধির যথাযথ কারণ নাই। বরং সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজী, অতিমুনাফাখোরি মনোভাবের কারণে দাম বৃদ্ধি পায়। সাধারণ মানুষকে কষ্ট করতে হয়। আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে, বাজার তদারকি করুন। মজুতদারী ও সিন্ডিকেট করে কেউ যেনো মূল্যবৃদ্ধি করতে না পারে। চাঁদাবাজী বন্ধ করুন। অতিমুনাফাখোলি ব্যবসায়ীদের লাগাম টেনে ধরুন।
এদিকে পারস্য সভ্যতাকে দুনিয়া থেকে মুছে ফেলার ইঙ্গ-মার্কিনিদের হুমকি মুসলিম উম্মাহকে রুখে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম ও সেক্রেটারী মোঃ আব্দুল আউয়াল মজুমদার।
বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারা বলেন, আমেরিকা ও ইসরাইল বিশ্বব্যাপী অশান্তির দাবানল জ্বালিয়ে রেখেছে। মঙ্গলবার একটি আল্টিমেটাম দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন- ‘পারস্য সভ্যতাকে দুনিয়া থেকে মুছে দিবে।’ এধরনের হুমকি বিশ্ব মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। ট্রাম্প মুসলিম বিশ্বের সাথে পুতুল পুতুল খেলা শুরু করেছে। ট্রাম্প ও ইসরায়েলের সন্ত্রাসী হুমকি পুরো বিশ্বে অশান্তি সৃষ্টি করেছে।