খেলাফত মজলিস কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে নেতারা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে বলেছেন, ক্ষমতাসীন দলের আভ্যন্তরীণ কোন্দল, আন্ডারওয়ার্ল্ডের আধিপত্য বিস্তারের লড়াই ও আঞ্চলিক সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষে দেশজুড়ে খুন, টার্গেট কিলিং ও বন্দুক হামলার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন মাসে সারা দেশে ৯১৫টি হত্যাকাণ্ডের মামলা নথিভুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ গড়ে প্রতিদিন ১০টিরও বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে।
তারা বলেন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের বিস্তার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার দুর্বলতা এবং বিগত কয়েক বছরে শীর্ষ অপরাধীদের মুক্তি ও দেশে ফিরে আসা সহিংসতা বাড়ার মূল কারণ। আমরা অবিলম্বে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতিতে সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানাই। স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের মাধ্যমে পুলিশের জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব উন্নতি করার দাবি জানাইস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর মন্ত্রণালয়ের প্রতি আরো মনোনিবেশের আহ্বান জানাই।
খেলাফত মজলিস নেতারা আরো বলেন, ধর্ষণ, মাদক, অশ্লীলতা, কিশোর গ্যাং, চুরি ও ছিনতাই প্রভৃতি অপরাধের মাত্রাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। দ্রব্যমূল্য ক্রয়ক্ষমতার ঊর্ধ্বে উঠেছে। লোডশেডিংয়ের পরিমাণ বেড়েছে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত চলছে। এই অবস্থা থেকে দেশের মানুষ মুক্তি চায়।
সন্ধ্যায় রাজধানীর পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন নায়েবে আমির মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী। মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদেরের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক কেন্দ্রীয় নির্বাহী বৈঠকে কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।