হোম > রাজনীতি

আমার মায়ের কিছু হবে না, ভারত তাকে নিরাপত্তা দিচ্ছে: জয়

আতিকুর রহমান নগরী

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ফাঁসির রায় দেবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। একই সঙ্গে স্বস্তি প্রকাশ করে তিনি বলেছেন, ‘আমার মায়ের কিছু হবে না। আমার মা ভারতে নিরাপদ। ভারত তাকে পুরো নিরাপত্তা দিচ্ছে।’

গতকাল রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় আজ সোমবার ঘোষণা হচ্ছে। গোটা জাতিই রয়েছে রায়ের অপেক্ষায়। গণহত্যার দায়ে সরকারের সর্বোচ্চ পদধারী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই হবে প্রথম বিচারের রায়।

জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের ১৫ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত হয়। হাজারো মানুষ আহত হয়। পুলিশের গুলিতে বেশির ভাগ মানুষ মারা যায়। এটি ছিল স্বাধীনতার পর সবচেয়ে ভয়াবহ রাজনৈতিক সহিংসতা।

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। তিনি এখন দিল্লিতে নির্বাসনে আছেন। ভারত তাকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন ছেলে জয়।

রায় প্রসঙ্গে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘আমরা আগেই জানি, রায় কী হবে। তারা এটা টেলিভিশনে দেখাচ্ছে। তারা তাকে দোষী করবে। আর হয়তো মৃত্যুদণ্ড দেবে।’

তবে তিনি স্বস্তি প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার মায়ের কিছু হবে না। আমার মা ভারতে নিরাপদ। ভারত তাকে পুরো নিরাপত্তা দিচ্ছে।’

‘সম্পত্তি হস্তান্তর বিল পাস হলে মা-বাবার মৃত্যুকামনা করবে সন্তানরা’

সরকার কোরআন-সুন্নাহবিরোধী আইন করলে কোনোভাবেই সমর্থন করবে না জমিয়ত

আসিফ মাহমুদকে যে কারণে ধন্যবাদ জানালেন মামুনুল হক

শহিদ ও আহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব

ইসিকে সরকারি প্রভাব ও হস্তক্ষেপমুক্ত স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখতে চায় এনসিপি

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: এনসিপি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে কোনো সময়ক্ষেপণ মানা হবে না: ইসলামী আন্দোলন

দুর্নীতি-দলীয়করণ বন্ধে সরকারের সদিচ্ছা দরকার: মামুনুল হক

বিশেষায়িত শিশু শিক্ষালয় ‘ব্লু স্কাই’ পরিদর্শন করলেন ডা. জুবাইদা রহমান

জামায়াত প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সুইস রাষ্ট্রদূতের বৈঠক