হোম > রাজনীতি > জামায়াত

দেশ পরিচালনায় আওয়ামী শাসনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে: রফিকুল ইসলাম

সংসদ রিপোর্টার

ছবি: সংগৃহীত।

জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, সব জায়গায় আওয়ামী স্টাইলে দেশ পরিচালনার একটা লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। যেটা কারোর জন্যই আমাদের জন্য ভালো নয়। দেশের জন্য ভালো নয়।

বুধবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন রফিকুল ইসলাম।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমি শুরুতেই রাষ্ট্রপতির ভাষণের উপরে ধন্যবাদ দিতে পারছি না। এ কারণে যে রাষ্ট্রপতি গণহত্যার সাথে সরাসরি জড়িত। উনি শেখ হাসিনার কোনো কাজকে অপছন্দও করেন নাই, নিষেধও করেন। বরং তার সকল কাজকে তিনি নির্বিঘ্নে সহযোগিতা করে গিয়েছেন। কাজেই এরকম একজন গণহত্যাকারী ব্যক্তিকে আমরা ধন্যবাদ জানাইতে পারি না।’

বর্তমান রাষ্ট্রপতির প্রতি বিএনপির এত দুর্বলতা কেন এমন প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, বিএনপির একসময় মহাসচিব বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি থেকে সরাতে সময় লাগেনি। একজন বিতর্কিত ব্যক্তিকে কেন রাষ্ট্রপতি রাখছে, এটা বিএনপি ভালো বলতে।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি দলের লোকদের বক্তব্য শুনলে মনে হয় দেশে আর কোনো সমস্যা নাই। সমস্যা হল বিরোধী দল।

১৯৯৭ সাল থেকে একসঙ্গে আন্দোলন, নির্বাচন ও সরকার গঠনের কথা তুলে ধরে জামাযাতে ইসলামীল এই সদস্য বলেন, জুলাই গণঅভুত্থান পর্যন্ত আমরা তো প্রায় একসাথেই ছিলাম। তখন তো কেউ সমস্যার কথা বলেন নাই।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনের পরেই আমরা জামাত এত খারাপ হয়ে গেলাম যে এখন বাংলাদেশে কোনো জিনিসপত্রের ঊর্ধ্বগতির কোনো কথা নাই। তেলের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এ ব্যাপারে কোনো বক্তব্য নাই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে সারাদেশে। এ ব্যাপারে সরকারি দলের কোনো বক্তব্য নাই। বক্তব্য হলো জামাত ইসলামী।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন স্বৈরাচারি সরকারের পতন ২০১৩ সালেই হওয়ার কথা ছিল। ২৯ ডিসেম্বর লংমার্চ টু ঢাকা কর্মসূছি ছিল। সবাই ভেবেছিল সেদিন পতন হবে। বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা গুলশানে একটি বাসায় বৈঠক করেছিলেন। সেখানে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। সারা বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ লোক সেদিন ঢাকায় এসেছিলেন। কিন্তু পরদিন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়া সবার ফোন বন্ধ ছিল। শাপলা চত্বরের দিনেও একই ঘটনা ঘটেছিল।

রফিকুল ইসলাম খান বলনে, ‘আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে ম্যাডাম সকাল থেকে কাজের মেয়ে ফাতেমাকে নিয়ে বালির ট্রাকের সামনে পতাকা নিয়ে দাঁড়ায় আছে। অন্তত আমরা চলেন বিএনপি এবং জামায়াত মিলে একটা মিছিল সেদিকে দেই। কিন্তু সেদিন কিন্তু সেই সুযোগ আমাদের হয় নাই।

একইদিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তাব বিএনপির ছিল উল্লেখ করে জামায়াতের এই সংসদ সদস্য বলেন, এখন গণভোটের রায় কার্যকর করা নিয়ে বিপত্তি দেখা দিয়েছে। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

রফিকুল ইসলাম খান বলেন, আমরা লড়াই করেছিলাম বৈষম্যের বিরুদ্ধে। আমরা লড়াই করেছিলাম একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে।

সরকারের বয়স দুই মাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যেই দলীয়করণ শুরু হয়ে গেছে। সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলার পরিবর্তন করে দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়েছে, বিভিন্ন সিটি কর্পোরেশনে মেয়র নিয়োগ করা হয়েছে। সচিবালয় থেকে শুরু করে যে সকল অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা ফ্যাসিবাদের আমলে ওএসডি হয়েছিল, আবার এখনো তাদেরকে ওএসডি করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি ফ্যাসিবাদের দোসর যারা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় তারা বহাল ছিল। আমরা তখনও বলেছি, এখনো তারা বহাল আছে এবং তারা সুবিধামতো পোস্টিংও পাচ্ছে এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রমোশন পেয়ে তারা সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আর যারা এই ১৬ বছর ১৭ বছর নিষ্পেষিত হয়েছে নির্যাতিত হয়েছে, ওএসডি ছিল অনেকের চাকরি চলে গেছে। এদেরকে আবারো ওএসডি করা হচ্ছে।

অতিবর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতার আহ্বান জামায়াতের

১৯৭৮ সালে জন্ম নেওয়া বিএনপি কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের দল: প্রশ্ন আজহারের

শিক্ষার্থীদের সংসদ ভবন ঘুরিয়ে দেখালেন এমপি মাসুদ

মানুষের আইনের কবর রচনা করে কোরআনের আইন প্রতিষ্ঠার দাবি জামায়াত এমপির

জুলাই সনদ নিয়ে সরকার গণবিরোধিতায় লিপ্ত হয়েছে: সেলিম উদ্দিন

সারজিস আলমের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন

ফরিদপুরে যুবককে কুপিয়ে হত্যার নিন্দা ও শাস্তি দাবি জামায়াতের

সংস্কার বাস্তবায়নে বিএনপির টালবাহানার কথা ইইউকে জানালেন বিরোধীদলীয় নেতা

দক্ষিণ সুদানে বিমান বিধ্বস্ত ও ইন্দোনেশিয়ায় ট্রেন দুর্ঘটনায় জামায়াতের শোক

সংকট সমাধানে প্রয়োজন কার্যকরী পদক্ষেপ: ড. মাসুদ