জামায়াতের মহিলা বিভাগ
নারী ও শিশুর প্রতি যেভাবে নির্যাতন ও পাশবিকতা চলছে, তাতে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ আবারও সেই অন্ধকার আইয়ামে জাহিলিয়াতের যুগে ফিরে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের নেত্রীরা।
পাশাপাশি, নির্বাচন-পরবর্তী দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতন করে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে আয়োজিত মানববন্ধনে তারা এসব দাবি জানান।
এ সময় জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ নুরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, আছিয়া হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে আমরা রাস্তায় নেমেছিলাম, যার কারণে তৎকালীন সরকারের স্বরাষ্ট উপদেষ্টা বিচারের জন্য এক মাস সময় ছেয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিচারের কার্যকারিতা কোথায়? সেই রায় যদি কার্যকর হতো, তাহলে তাহিয়া-আমিনাসহ শিশুদের জীবন দিতে হতো না। আইন কার্যকর না হলে সেই আইনের কোনো মূল্য নেই।
সরকারের দায়িত্বের বিষয়ে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘সরকার নীরব কেন? আপনি তো ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এই দায়িত্বটা কীভাবে পালন করছেন? আপনি চার স্তরের নিরাপত্ত্বার মধ্যে আছেন, কিন্তু দেশের নাগরিকেরা কয় স্তরের নিরাপত্তা পাচ্ছে? নিজের ঘরে তো তারা নিরাপত্তা পেতে পারে। কিন্তু আপনি কেন তাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্ত হচ্ছেন? এই ব্যর্থতার দায় আপনাকে এবং প্রশাসনকে বহন করতে হবে।’
মানববন্ধনে অন্য বক্তারা বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুদের পাশবিক নির্যাতনের পরে হত্যা করা হচ্ছে। একটি দেশের মর্যাদা ও সম্মানের প্রতীক সে দেশের নারী ও শিশু সমাজ। কিছু মানুষরূপী হায়েনার লালসার কশাঘাতে সেই মর্যাদা আজ ভূলুণ্ঠিত। আমরা জাতি হিসেবে আজ লজ্জিত। মানববন্ধনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের বিভিন্ন নেত্রী উপস্থিত ছিলেন।