সংরক্ষিত নারী আসন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে জামায়াতে ইসলামী। এরই মধ্যে মনোনয়নপ্রাপ্তদের গ্রিন সিগন্যাল দিয়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে দলের পক্ষ থেকে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগের দিন আগামী সোমবার সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের ফরম জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।
দলীয় সূত্রমতে, সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ঠিক করতে জামায়াতের মহিলা বিভাগ থেকে প্রস্তাবিত একটি তালিকা জমা দেওয়া হয় দলের কেন্দ্রীয় অফিসে। গত ১৪ এপ্রিল দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় ওই তালিকাসহ সার্বিক দিক আলোচনা-পরামর্শের পরিপ্রেক্ষিতে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়। এর মধ্যে জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকাসহ সাতজনের নাম নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের মধ্যে আছেন—মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি মারজিয়া বেগম, মানবসম্পদ ও আইন বিভাগের সম্পাদক অ্যাডভোকেট সাবিকুন নাহার মুন্নি। এছাড়া সিলেট অঞ্চলের মাহফুজা সিদ্দিকা, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মেরিনা সুলতানা, বগুড়া অঞ্চলের সাজেদা সামাদ এবং ঢাকা অঞ্চল থেকে মারদিয়া মমতাজকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। গ্রিন সিগন্যাল পাওয়া এক প্রার্থী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সূত্রমতে, সংসদ সদস্যদের আনুপাতিকহারে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ১৩টি সংরক্ষিত আসন পাবে। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একটি আসন পাওয়ার কথা। বাকিগুলো পাবে জামায়াত। তবে জোটের নানা হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে এনসিপিকে নির্ধারিত একটির বাইরে জামায়াতের কোটা থেকে একটি এবং অন্য শরিকদের দুয়েকটি আসন ছাড়া হচ্ছে। এনসিপির দুটি চূড়ান্ত হলেও অন্য শরিক কারা পাচ্ছে তা গতকাল পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়নি। আজকের মধ্যে তা চূড়ান্ত হতে পারে।
এছাড়া জামায়াতের কোটায় দলীয় নেতৃত্বের বাইরে বিশেষ বিবেচনায় বিশিষ্ট কয়েকজনকে প্রার্থী করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আমার দেশকে বলেন, জামায়াতের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে প্রার্থী ফাইনাল করা হয়েছে। সবার নাম প্রকাশ না করা হলেও সংশ্লিষ্টদের কাগজপত্র প্রস্তুত করতে গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের জন্য মনোনয়ন ফরমও তোলা হয়েছে, ২০ এপ্রিল তা জমা দেওয়া হবে।
তিনি আরো জানান, জামায়াতের প্রার্থী করার ক্ষেত্রে মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন মহানগর বা বিভাগ থেকে নেওয়া হয়েছে।