হোম > রাজনীতি > জামায়াত

রাড্ডার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি জামায়াতের

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় না আনলে বৃহত্তর কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চাণ করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, এই হামলা ও ভাঙচুরের সঙ্গে সরকারদলীয় দুই মহিলা এমপির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। তাদের পরিচয় গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়ার পরও কেন তাদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না, তা নিয়ে আমরা বিস্মিত।

তিনি মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারায় দলীয় কার্যালয়ে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের ঢাকা-১১, ১২ ১৭ আসনের থানা দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

রেজাউল করিম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম একটি নতুন দেশ চেয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারছে না। রাড্ডার ঘটনায় অপরাধীদের সরকার যদি ছাড় দেয়, তাহলে বৃহত্তর কর্মসূচি দিতে আমরা বাধ্য হব।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী হাসপাতাল ও চিকিৎসা কেন্দ্রে হামলা করা নিষিদ্ধ।

গাজায় হাসপাতাল হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন করেন, বিএনপিও কি একই পথে হাঁটছে? রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যারা চিকিৎসা নিতেন, তাদের বড় অংশই অসহায় নারী ও শিশু।

তিনি আরো বলেন, সরকার কোন বিষয় নিয়ে খেলছে? এ প্রতিষ্ঠানটি বিদেশি অনুদানের মাধ্যমেও পরিচালিত হয়ে থাকে। সুতরাং সরকার যদি আইনের ব্যত্যয় ঘটায়, তাহলে দেশে বিদেশি সহযোগিতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

গণভোট প্রসঙ্গে রেজাউল করিম বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও অন্যান্য এমপি এখন নতুন করে গণভোটের কথা বলছেন। অথচ আমরা নির্বাচনের আগেই গণভোটের দাবি জানিয়েছিলাম। বিএনপি তখন রাজি নয় হয়ে জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে গণভোটের কথা বলেছিল। এখন আগের গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে নিজেদের ব্যবস্থায় নতুন করে গণভোট আয়োজনের মাধ্যমে আবারও হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাটের চেষ্টা করা হচ্ছে। জনগণ নতুন করে গণভোট মেনে নেবে না; যেখানে জনগণ আগে তাদের রায় দিয়ে দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের লংমার্চগুলো সরকার পতনের জন্য করা হয়নি; বরং জনগণের রায় বাস্তবায়নের জন্য করা হয়েছে।

কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও জুলাই যোদ্ধা সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিওতে হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের স্টুডিওতে হামলা করা হয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রীর এলাকার ভোটার। অথচ সেখানেই তার নিরাপত্তা নেই। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত না করে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার অপচেষ্টা হচ্ছে।

তিনি বলেন, আমাদের কথা পরিষ্কার, যে বা যারা এ ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তদন্তে যার বিরুদ্ধে প্রমাণ পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধেই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

ড. রেজাউল করিম বলেন, আমরা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনগণের দুর্ভোগের কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আমরা আমাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লার সভাপতিত্বে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন গুলশান অঞ্চল পরিচালক ইয়াসিন আরাফাত, হাতিরঝিল অঞ্চল পরিচালক হেমায়েত হোসেন, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার, মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য হেদায়েত উল্লাহ প্রমুখ।

প্রতিশ্রুতি দিয়েও নন-এমপিও শিক্ষকদের বেতনভুক্ত করছে না সরকার: মুজিবুর রহমান

বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী বৈঠক

মোহাম্মদপুরে শিক্ষার্থীদের মধ্যে জামায়াতের হিজাব ও টুপি বিতরণ

আইনশৃঙ্খলার অবনতি, দখল ও চাঁদাবাজিতে ভীতসন্ত্রস্ত মানুষ, উদ্বেগ জামায়াতের

‘জুলাই যোদ্ধার স্টুডিওতে হামলা করে ইনিয়ে-বিনিয়ে বলা হচ্ছে চাঁদা চাওয়া হয়নি’

জামায়াতের জরুরি প্রেস ব্রিফিং সন্ধ্যায়

মিরপুরে ক্ষতিগ্রস্ত স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিদর্শনে মহানগর জামায়াত সেক্রেটারি

শহীদ সাইফুল্লাহ মাসুমের পিতার ইন্তেকালে জামায়াত নেতৃবৃন্দের শোক

জনগণের সম্পদ দখলে নিতে মরিয়া বিএনপি সন্ত্রাসীরা

আল্লাহর বিধান ছাড়া প্রকৃত শান্তি অসম্ভব: জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল