হোম > রাজনীতি > জামায়াত

‘সংসদ মানুক বা না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব’

জামায়াত আমির

স্টাফ রিপোর্টার

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে ছিলাম, আমরা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে আছি। আমরা জনগণের ‘সুপ্রিম উইলে’ সম্মান দেখিয়েছি, আমরা দেখিয়ে যাব। এই সংসদ মানুক আর না মানুক, গণভোটের রায় আমরা বাস্তবায়ন করব, আদায় করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।”

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াত আমির বলেন, অতীতে এরকম রেকর্ড আছে। ‘কেয়ারটেকার’ সহজে আসে নাই। সংসদে আমাদের বিল ফেলে দেওয়া হয়েছিল। আমরা বলেছিলাম— চেয়েছিলাম সংসদে প্রতিকার, দিয়ে দিলেন জনগণের কাছে ফিরিয়ে। আমরা জনগণকে নিয়েই দাবি আদায় করব এবং দাবি আদায় হয়েছে।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘এবারও আমরা চেয়েছিলাম—সংসদে ইতিবাচক বিতর্কের মধ্য দিয়ে তার অবসান হোক, জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হোক। কিন্তু এই সংসদ আমাদের আকাঙ্ক্ষাকে উপলব্ধি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা বলেছি, জনগণের রায় বাস্তবায়নে সংসদ থেকে জনগণের কাছেই ফিরে যাচ্ছি। গত শনিবার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রথম কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে। এটা শুরু। এর মধ্য দিয়ে যে আন্দোলন গড়ে উঠবে—এটা কোনো দল, ব্যক্তি, গোষ্ঠীর জন্য হবে না; এটা হবে ১৮ কোটি মানুষের জন্য। অন্ধ তার সাদাছড়ি বারবার হারায় না। আমরা একবার হারিয়েছি, এবার দাঁত কামড়ে ধরে রাখব ইনশাআল্লাহ।’

বর্তমানে জ্বালানির জন্য তেলের পাম্পে মানুষের দীর্ঘ লাইন আর ভোগান্তি প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা যখন জ্বালানি সংকট আর মানুষের ভোগান্তি নিয়ে সংসদে কথা তুলি, আমাদের নোটিশটা আলোচনায় আসতেই দেওয়া হয় না। সত্য জনগণের কাছে প্রকাশ পেয়ে যাবে।’

তিনি বলেন, আগের চেয়ে চাহিদা বেড়ে গেছে। তাহলে তো তাদের ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা, এটা শুধরে ওঠে না কেন?

জ্বালানি সংকটের কারণে এই মৌসুমে কৃষকের খাদ্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে এবং খাদ্য সংকট বাড়বে বলে আশঙ্কার কথা জানান বিরোধীদলীয় নেতা।

জ্বালানি সংকট মোকাবিলার জন্য প্রথমে শিশুদের ওপর হাত পড়েছে মন্তব্য করে জামায়াত আমির বলেন, ‘তাদের স্কুল বন্ধ করে ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। করোনার সময় দারুণ ব্যাহত হয়েছে। অনেক শিশুসন্তান ঝরে পড়েছে। অনেকে বিপথে চলে গেছে। আবার যদি এই সরকার সেই পথে হাঁটে, তাহলে জাতিকে অন্ধত্ব ও মূর্খতার চাদরে ঢেকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে সরকার। আমরা এটা রুখে দেব, এটাও মানব না। আমাদের সন্তানদের মেধা হত্যার সুযোগ কাউকে দেব না। আমাদের স্পষ্ট বার্তা হলো—সব ব্যবস্থাপনা নেওয়ার পর সর্বশেষ হাত দিতে হবে শিক্ষার ওপর, এর আগে নয়। লোড ম্যানেজমেন্ট আর ডিমান্ড ম্যানেজমেন্ট শিক্ষা দিয়ে নয়, এটা সবার শেষে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা জনগণকে কথা দিচ্ছি, আমরা যে ৭৭ জন সংসদে গিয়েছি, আমরা ১৮ কোটি মানুষকে পাহারা দেব আর সংসদে যাতে জাতির কপাল নিয়ে কেউ ডাকাতি বা ছিনিমিনি করতে না পারে; তারও পাহারা দেব ইনশাআল্লাহ। আমরা কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না, ছাড়ও দেব না।’

এই লড়াইয়ে সবাইকে শরিক হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এই লড়াইয়ে জনগণের বিজয় হবে এবং ফ্যাসিবাদ হেরে যাবে, ইনশাআল্লাহ।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যেদিন গণভোটের রায়কে অস্বীকার করা হয়েছে, সেদিন ফ্যাসিবাদের যাত্রা নতুনভাবে শুরু হয়েছে। আমরা সেই যাত্রা থামিয়ে দেব ইনশাআল্লাহ।’

জাগপার মুখপাত্র প্রকৌশলী রাশেদ প্রধানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন পার্টির সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, লেফটেন্যান্ট কর্ণেল (অব.) হাসিনুর রহমান প্রমুখ।

‘জয় বাংলা স্লোগান’ দেওয়া বিএনপি নেতাকে শোকজ

অর্থকষ্টেও থামেনি ফাতেমার স্বপ্ন, ৫ লাখ টাকার সহায়তায় চিকিৎসক হওয়ার পথে

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে আরেকটি সমরাস্ত্র কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ

কুমিল্লায় সরকারি কাজে বাধা ও চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

ধর্মীয় স্বাধীনতা লঙ্ঘন, ভারতকে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের

নভেম্বরে তুরস্ক সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী

মক্কা চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে?

কক্সবাজারে হোটেল বারে সংঘর্ষ, ভাঙা গ্লাসের আঘাতে যুবক নিহত

ভারতের রাফাল ধ্বংসকারী যুদ্ধবিমান কিনছে বাংলাদেশ

রাশিয়ায় গ্যাস পাইপলাইন বিস্ফোরণে ১ বাংলাদেশি নিহত