হোম > রাজনীতি > এনসিপি

‘পরিকল্পিত কারচুপি’ ও নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনসিপির

স্টাফ রিপোর্টার

নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর দেশে সহিংসতা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও ভোটের ফল ‘টেম্পারিং’-এর অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এক ব্রিফিংয়ে বলেন, নির্বাচনের দিন বড় ধরনের রক্তপাত না হলেও ফল ঘোষণার পর বিভিন্ন স্থানে হামলা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘শুধু বিরোধী জোট নয়, বিভিন্ন স্থানে বিদ্রোহী প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার কারণেও হামলা, মারধর ও বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে। মনে হচ্ছে দেশে যুদ্ধাবস্থা চলছে—এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।’

তিনি দাবি করেন, বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী নিহত হয়েছেন এবং এনসিপি যে-সব আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে, সেসব প্রায় সব জায়গাতেই তাদের নেতা-কর্মীরা হামলার শিকার হয়েছেন।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ৩০ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৬টিতে জয় পেয়েছে এনসিপি। এসব আসনে তাদের মোট প্রাপ্ত ভোট ২২ লাখ ৭০ হাজার ৩২, কাস্টিং ভোটের সাড়ে তিন শতাংশ। বিজয়ী ছয় প্রার্থীকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিনন্দন জানিয়েছে দলটি।

তবে অন্তত তিনটি আসনে ফল পরিবর্তনের অভিযোগ তুলেছেন মুখপাত্র। তার ভাষ্য, ঢাকা-৮, পঞ্চগড়-১ ও দিনাজপুর-৫ আসনে তাদের প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও দীর্ঘ সময় ফল আটকে রাখা, একাধিকবার গণনা ও ‘কাটাকাটির’ মাধ্যমে অল্প ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়েছে। এসব আসনে পুনর্গণনার আবেদন নির্বাচন কমিশনে করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাতের নাটকীয়তা ও ফল আটকে রাখা

এনসিপির অভিযোগ, ভোটগ্রহণ শেষে প্রথম কয়েক ঘণ্টায় ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে ছিলেন। পরে হঠাৎ ফলাফলে ‘ট্রানজিশন’ দেখা যায়। কিছু কেন্দ্রে ফল প্রকাশ বিলম্বিত হয় এবং কোথাও কোথাও কেন্দ্র ঘেরাওয়ের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তার অভিযোগ, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আসনে গণনা শেষ হওয়ার পরও ফল প্রকাশ করা হয় গভীর রাতে।

ঢাকা-১৩, ঢাকা-১৫ ও ঢাকা-১৭ আসনের ফল ঘোষণায় ‘অসংগতি’ ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, সারাদেশে বিএনপিকে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাইয়ে দিতে পরিকল্পিতভাবে ভোট গণনায় কারচুপি করা হয়েছে।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ৬৮ শতাংশের দাবি

ব্রিফিংয়ে গণভোট প্রসঙ্গেও কথা বলেন এনসিপির মুখপাত্র। তার দাবি, গণভোটে প্রায় ৬৮ শতাংশ ভোটার ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তিনি বলেন, এই গণরায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার ছাড়া সংসদ সদস্যদের শপথ নেওয়া উচিত নয়।

‘রাজপথে যেতে বাধ্য হব’

ফল ঘোষণার পর হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক উত্তরণকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। কিন্তু যদি বিরোধী মতের ওপর হামলা-দমন চলতে থাকে, তাহলে ১১ দলীয় জোট কঠোর রাজপথের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।’

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটাধিকার প্রয়োগের পর যারা সহিংসতার শিকার হচ্ছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন। বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্ন নেওয়ার মধ্য দিয়ে ব্রিফিং শেষ হয়।

আগামীকাল শুরু হচ্ছে তৃতীয় অধিবেশন

হঠাৎ ২০০ হোটেল বন্ধ ফিরছেন বাংলাদেশিরা

ভাঙা রাস্তায় রিকশায় ঝাঁকুনির জেরে চালককে খুন

পশ্চিম তীরে ইউএনআরডব্লিউএর কার্যালয় দখল করে পতাকা উড়াল ইসরাইলি বাহিনী

শিল্পের চাকা সচল রাখতে গ্যাস রেশনিংয়ের সিদ্ধান্ত

দামের শ্রেষ্ঠত্বে রিয়ালের হ্যাটট্রিক

স্বর্ণ চোরাচালানের নিরাপদ করিডোর, হোতারা অধরা

জেরুজালেমে ইউএনআরডব্লিউএর কার্যালয় দখল করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করল ইসরাইলি মন্ত্রী

চীনা যুদ্ধবিমান জে-১০ ক্রয় চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত

পাংশায় ইয়াবাসহ দুই নারী ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার