হোম > খেলা

ব্যাটিং অর্ডার বদলে ইমনের রান বন্যা

পার্থ রায়, সিলেট থেকে

৬৫*, ৬০ ও ৪৪—টানা তিন ম্যাচে পারভেজ হোসেন ইমনের রান। ঠিক কতদিন পর ইমন এমন নিয়মিত রানের দেখা পাচ্ছেন এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া কঠিন। বিপিএলের এবারের আসরে ঠিক এই কাজটাই করে যাচ্ছেন পারভেজ হোসেন ইমন। তবে ওপেনিংয়ে নয়, ইমন সফলতা পাচ্ছেন মিডল অর্ডারে। সিলেট টাইটান্সের হয়ে খেলা এই বাঁহাতি ব্যাটারকে প্রত্যেক ম্যাচেই নামানো হয়েছে চার নম্বরে। সিলেটের প্রথম ম্যাচের দিন ইমনের ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে হয় বেশ সমালোচনা। প্রশ্ন ওঠে কেন ইমনকে খেলানো হচ্ছে মিডল অর্ডারে। সেদিন ৬৫ রানের অপরাজিত ইনিংসে প্রমাণ করেন মিডল অর্ডারেও ভরসার নাম হতে পারেন তিনি। পরের দুই ম্যাচে রান করে সেই আস্থার প্রতিদানটা দারুণভাবে দিয়েছেন। তিন ম্যাচে তার মোট রান—১৬৯ রান। দুই ফিফটিতে এবারের আসরে এখন পর্যন্ত তার গড় ৮৪.৫০ ও স্ট্রাইক রেট ১৫২.১৭!

এমন দারুণ ছন্দে থাকা ইমন কেন হুট করে খেলছেন মিডল অর্ডারে। প্রথম দিকে শোনা যাচ্ছিল নির্বাচকদের চাওয়াতেই মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করছেন পারভেজ হোসেন ইমন। কিন্তু তেমন কোনো বার্তা ছিল না বলে জানান প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। আমার দেশকে তিনি বলেন, ‘একাধিক জায়গায় কোনো ব্যাটার খেলতে পারলে সেটা বাড়তি সুবিধা দেবে। এটা দলের জন্য ভালো। তবে একাধিক পজিশনে খেলা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল।’ তবে ইমনের চার নম্বরে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তটা নির্বাচকদের নয় সেটা স্পষ্ট জানিয়ে গাজী আশরাফ হোসেন বলেন, ‘বিষয়টা বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্টের না, ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেটের। তারা সিদ্ধান্ত নিয়েই ইমনকে চার নম্বরে খেলাচ্ছে।’

বিপিএলে চার নম্বরে ব্যাট করা ইমন এর আগে জাতীয় দলের জার্সিতেও একবার খেলেছেন এই পজিশনে। চলতি বছর আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে চার নম্বরে ব্যাট করেন। ২৬ বলে ৩৩ রান করে নিশ্চিত করে দেন দলের জয়। সেই আত্মবিশ্বাসে ওই ম্যাচে দারুণ খেলা ইমনের ওপর ভরসা রেখেছে সিলেট ফ্রাঞ্চাইজি। এই আত্মবিশ্বাস জাতীয় দলে কাজে লাগবে বলে মনে করেন গাজী আশরাফ হোসেন লিপু। তিনি বলেন, ‘এটা দলের জন্য ভালো হয়েছে। একাধিক পজিশনে খেলতে পারে এমন ক্রিকেটার থাকলে সেটা আমাদের জন্যই ভালো। ইমন খেলছে, সাইফ (হাসান) আছে। দুজন থাকায় যেকোনো সময় যেকোনো জায়গায় তারা খেলতে পারবে।’

ওপেনিংয়ে অভ্যস্ত পারভেজ হোসেন ইমন গত বিপিএলেও খেলেছেন ওপেনার হিসেবে। সেবারও দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ইমনের ব্যাটে এসেছিল ২৮.১৬ গড় ও ১৫২ স্ট্রাইক রেটে ৩৩৮ রান। সেবার ১৩ ম্যাচ খেলা ইমন এবার মোটে তিন ম্যাচ খেলেই করে ফেলেছেন ১৬৯ রান। অর্থাৎ, ১০ ম্যাচ খেলেই আগের আসরের অর্ধেক রান এসেছে তার ব্যাটে। এমন কী গড় ও স্ট্রাইক রেটেও গত আসরের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে আছেন তিনি। মিডল অর্ডারে সফলতার মুখ দেখা এই ওপেনারকে যে বিশ্বকাপে মিডল অর্ডারের জন্যই বিবেচনা করা হচ্ছে সেটা স্পষ্ট ছিল লিপুর কথায়। তিনি বলেন, ‘একাধিক জায়গায় খেলতে পারার সামর্থ্য থাকা ক্রিকেটার থাকলে যেকোনো সফরেই ভালো হবে আমাদের জন্য। যেমনটা সাইফ পারে।’ বিশ্বকাপের আগে মিডল অর্ডার নিয়ে খানিকটা চিন্তিত থাকা নির্বাচকদের জন্য নির্ভরতার নাম হয়ে উঠছেন ইমন! এবার জাতীয় দলের জার্সিতে নিজেকে চার নম্বরে প্রমাণের অপেক্ষা।

সুপার ওভার রোমাঞ্চে রাজশাহীর জয়

বছরটা সাফল্যে রাঙাতে চান তপু-আমিরুল-বন্যারা

হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন রবার্তো কার্লোস

হাঁটুর চোটে দর্শক এমবাপ্পে

অধিনায়ক লিটনকে শামীমের ধন্যবাদ

নতুন বছরে ভক্তদের সুখবর নেইমারের

আফ্রিকার শ্রেষ্ঠত্বে শেষ ষোলোর লড়াই

স্পিনে শক্তি বাড়িয়ে প্রাথমিক স্কোয়াড অস্ট্রেলিয়ার

ফের বাফুফের কোচ বিপ্লব

সাবিনাদের সাফ ফুটসাল মিশন