এশিয়ান গেমসে ১০০ মিটার স্প্রিন্টের সেমিফাইনালে প্রত্যাশামতো পারফরম্যান্স করতে পারেননি বাংলাদেশের ইমরানুর রহমান। নিজের হিটে ১০.৪৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে আটজনের মধ্যে সপ্তম হয়ে দৌড় শেষ করেন তিনি। সব মিলিয়ে ২৪ জনের মধ্যে তার অবস্থান ২১তম।
রেস শেষে নিজের পারফরম্যান্সে হতাশা প্রকাশ করেছেন ইমরানুর। তবে এটিকে তার প্রত্যাবর্তনের বছর হিসেবে দেখছেন তিনি। সাংবাদিকদের ইমরানুর বলেন, ‘সত্যি বলতে, আমি হতাশ। বছরের সবচেয়ে বাজে রেস ছিল এটি। তবে এমনটা হয়। আমাকে এখান থেকে সামনে এগোতে হবে।’
প্যারিস অলিম্পিকের পর প্রায় দুই বছর চোটের কারণে ভুগেছেন ইমরানুর। চলতি বছরই ফিরেছেন প্রতিযোগিতামূলক অ্যাথলেটিকসে। তাই এবারের আসরকে তিনি নিজের ফিরে আসার বছর হিসেবে দেখছেন।
ইমরানুর বলেন, ‘সব সময় তো আর মনের মতো হয় না। দুই বছর ইনজুরিতে থাকার পর এটাই আমার ফেরার প্রথম বছর। ইতিবাচক দিকটাই দেখতে হবে। অন্তত আমার অবস্থা আরও খারাপ হয়নি। তবে আরও ভালো টাইমিং করার চেষ্টা করা উচিত ছিল।’
নিজের সেরা টাইমিং করতে পারলে ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ ছিল বলেও মনে করেন বাংলাদেশের এই স্প্রিন্টার। তবে আজ সেই ধারাবাহিকতা দেখাতে পারেননি বলে স্বীকার করেছেন তিনি।
ইমরানুরের মতে, এশিয়ার শীর্ষ অ্যাথলেটদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আরও প্রস্তুতি প্রয়োজন। পাশাপাশি ফুল-টাইম চাকরি ও অনুশীলনের ভারসাম্য নিয়েও তার কিছুটা নমনীয়তা দরকার। নতুন ফেডারেশন এ বিষয়ে সহযোগিতা করবে বলে আশাবাদী তিনি।
নিজের ক্যারিয়ার নিয়েও বাস্তবতা তুলে ধরেছেন ইমরানুর। তার ভাষায়, ‘এই খেলায় হয়তো আমার আর দুই থেকে তিন বছর সময় আছে। এই সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ। আগামী বছর আরও ভালো করার জন্য এবারের বছরটাকে শক্ত ভিত্তি হিসেবে কাজে লাগাতে চাই।’
বাংলাদেশের হয়ে এশিয়ান পর্যায়ে স্বর্ণজয়ের স্মৃতিও গর্বের সঙ্গে স্মরণ করেছেন ইমরানুর। এখন তার লক্ষ্য, ক্যারিয়ারের বাকি সময়টুকু কাজে লাগিয়ে আরও ভালো কিছু করা।