অ্যাশেজের শেষ টেস্ট জমে উঠেছে বেশ। প্রথম তিন টেস্টে বোলারদের দাপটের পর চতুর্থ টেস্টে দেখা গিয়েছিল লড়াইয়ের ঝাঁজ। সেটা এসে ঠেকেছে সিডনি টেস্টেও। তাতে জো রুটের রেকর্ডময় সেঞ্চুরির দিনের শেষ আলোটা কেড়ে নিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেড। একজন করেছেন সেঞ্চুরি, আরেকজন আছেন অপেক্ষায়। রুট দ্বিতীয় দিনে খেলেছেন ১৬০ রানের ইনিংস। অজি তারকা হেড দিন শেষ করেছেন ৯১ রানে অপরাজিত থেকে। তাতে ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে করা ৩৮৪ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দুই উইকেটে ১৬৬। ৩-১ ব্যবধানে সিরিজে এগিয়ে থাকা স্বাগতিকরা এখনো পিছিয়ে ২১৮ রানে।
প্রথম দিনে আলোকস্বল্পতায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে খেলা হয়েছিল ৪৫ ওভার। তিন উইকেটে ২১১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছিল ইংল্যান্ড। আজ আরো ৫২.৩ ওভার ব্যাট করে ১৭৩ রান যোগ করেছে সফরকারীরা। যার মধ্যে সিকিভাগ অবদান জো রুটের। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন জেমি স্মিথ। সকালের সেশনে রুট ও ব্রুকের চতুর্থ উইকেট জুটি ১৫ রান যোগ করেই বিচ্ছিন্ন হয়। ৯৭ বলে ৮৪ রান করা ব্রুককে ফেরান স্কট বোল্যান্ড। দুই ওভার পর মিচেল স্টার্কের বলে শূন্য রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন বেন স্টোকস।
এরপর স্মিথকে নিয়ে দলকে টানতে থাকেন রুট। নিজেও স্পর্শ করেন তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। ১৪৬ বলে তিন অঙ্ক ছোঁয়া এই ব্যাটার দেড়শ ছুঁয়ে থামেন ১৬০ রানে। টেস্টে এটি তার ১৭তম দেড়শ-ঊর্ধ্ব ইনিংস। লাল বলের ক্রিকেটে ১৫০+ ইনিংসে রুট এখন চতুর্থ। এ তালিকায় তার ওপরে থাকা তিনজনÑশচীন টেন্ডুলকার (২০), ব্রায়ান লারা ও কুমার সাঙ্গাকারা (১৯) এবং ডন ব্র্যাডম্যান (১৮)।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৬০ রানে চার উইকেট নিয়েছেন নেসার, দুটি করে স্টার্ক ও বোল্যান্ড।
এরপর অস্ট্রেলিয়া ব্যাট করেছে ৩৪.১ ওভার। আক্রমণাত্মক খেলে জ্যাক ওয়েদারাল্ড ৩৬ বলে ২১ রান করে বিদায় নিলে মারনাস লাবুশেনকে নিয়ে হেড আক্রমণাত্মক মেজাজেই ব্যাট চালিয়ে গেছেন। ৯ চারে ফিফটি ছোঁয়া হেড দিন শেষে অপরাজিত ৮৭ বলে ৯১ রান করেন। লাবুশেন ৬৮ বলে ৪৮ রানে ফিরলেও নাইটওয়াচম্যাচ মাইকেল নেসের ১৫ বলে এক রানে অপরাজিত।
সংক্ষিপ্ত স্কোর (দ্বিতীয় দিন শেষে)
ইংল্যান্ড : প্রথম ইনিংসে ৯৭.৩ ওভারে ৩৮৪ (রুট ১৬০, ব্রুক ৮৪, স্মিথ ৪৬; নেসার ৪/৬০, বোল্যান্ড ২/৮৫)।
অস্ট্রেলিয়া : প্রথম ইনিংসে ৩৪.১ ওভারে (১৬৬/২ (হেড ৯১*, লাবুশেন ৪৮, ওয়েদারাল্ড ২১; স্টোকস ২/৩০)।
* অস্ট্রেলিয়া ২১৮ রানে পিছিয়ে।